শিরোনাম:
পাইকগাছা, শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩ আশ্বিন ১৪২৮
SW News24
বুধবার ● ৩০ জুন ২০২১
প্রথম পাতা » কৃষি » কয়রায় বরাদ্দ সংকটে ভূমি অফিস নির্মাণ কাজে ধীর গতি
প্রথম পাতা » কৃষি » কয়রায় বরাদ্দ সংকটে ভূমি অফিস নির্মাণ কাজে ধীর গতি
৮১ বার পঠিত
বুধবার ● ৩০ জুন ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কয়রায় বরাদ্দ সংকটে ভূমি অফিস নির্মাণ কাজে ধীর গতি

---
রামপ্রসাদ সরদার, কয়রা, খুলনাঃ
খুলনার কয়রা উপজেলা ভূমি অফিসের নির্মাণ কাজ শেষ মূহুর্তে এসে আর্থিক সংকটে পড়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কাজের অগ্রগতি অনুযায়ী বরাদ্দ না পাওয়ায় এমন পরিস্থিতি বলে জানিয়েছেন তারা। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থ বছরে করোনা ও প্রাকৃতিক দূর্যোগে প্রকল্প এলাকা প্লাবিত হওয়ায় কাজের তেমন অগ্রগতি না হলেও চলতি বছরে প্রকল্পের স্থাপনার কাজ শেষ করা হয়েছে। এ অবস্থায় বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। যে কারণে শেষ মূহুর্তে এসে কাজে ধীর গতি দেখা দিয়েছে। 

জানা গেছে, ভূমি সেবা ও দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা আনতে ‘উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ প্রকল্পের’ আওতায় সারাদেশে ১৩৯টি উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গণপূর্ত বিভাগের তত্বাবধানে দুই কোটি ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে কয়রা উপজেলায় এ প্রকল্পের একটি কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফিদ ট্রেডার্স। 

চলতি বছরের ৩০ জুন কাজ শেষ হওয়ায় কথা থাকলেও বরাদ্দ সংকটে প্রকল্পের মেয়াদ ৬ মাস বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, তিন তলা বিশিষ্ট ভূমি অফিসের নির্মাণ কাজ এ মুহুর্তে ৮০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। 

ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে ভূমি সেবা দিতে উপজেলা পরিষদ ভবন থেকে সম্পুর্ন পৃথক করা হয়েছে দপ্তরটি। ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে ভূমি সেবা গতিশীল হবে। তবে শেষ মূহুর্তে এসে ভবনের নির্মাণ কাজ থমকে যাওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ে কাজটি সম্পন্নের ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছেন তারা।  

খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-২ এর উপ সহকারি প্রকৌশলী মশিউর রহমান বলেন, করোনা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সারাদেশে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায় অর্থ ফেরত গেছে। এ কারণে সাময়িক বরাদ্দ সংকট দেখা দিয়েছে। তবে প্রকল্পের মেয়াদ আরও ৬ মাস বেড়ে যাওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, আমরা কাজের অগ্রগতি রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছি। সেই সাথে যথা সময়ে কাজ শেষ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছি। 

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফিদ ট্রেডাস এর লাবু শিকদার বলেন, কাজের শুরুতেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ আম্পানে প্লাবিত হয়ে পড়ে প্রকল্প এলাকা। সে দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আরেকটি দুর্যোগের কবলে পড়তে হয়। সেই সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করে কাজ এগিয়ে নিতে হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মাঝেও বরাদ্দ ঘাটতি না থাকলে নির্দিষ্ট সময় সীমার মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করা সম্ভব ছিল।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)