শিরোনাম:
পাইকগাছা, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯
SW News24
রবিবার ● ১৫ মে ২০২২
প্রথম পাতা » উপকূল » কয়রায় নেই পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার
প্রথম পাতা » উপকূল » কয়রায় নেই পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার
৪৯ বার পঠিত
রবিবার ● ১৫ মে ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কয়রায় নেই পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার

---অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রা উপজেলায় চাহিদার তুলনায় সাইক্লোন সেল্টারের সংখ্যা কম। দুর্যোগের সময় ৩ লক্ষাধিক মানুষের জন্য সাইক্লোন সেল্টার  রয়েছে মাত্র ১১৭টি। এর ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উপজেলার অনেক মানুষকে একই রুমে গাদাগাদি করে থাকতে হয়। সেখানে পর্যাপ্ত থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। নেই নারী-পুরুষের জন্য আলাদা টয়লেট ব্যবস্থাও। এ কারণে দুর্যোগের সময় উপজেলাবাসীকে চরম সংকটে পড়তে হয়। এলাকাবাসী জানায়, সুন্দরবনের পাশ ঘেঁষে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় উপজেলা কয়রা ৭টি ইউনিয়নের ১৩১টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। কপোতাক্ষ, শাকবাড়িয়া, শিবসা ও আড়পাঙ্গাসীয়া নদী বেষ্টিত উপজেলাবাসীকে আতংকগ্রস্ত করে রেখেছে সারা বছর। অমাবশ্যা ও পূর্ণিমার সময় জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাঁধ ভেঙে যেকোনো গ্রাম প্লাবিত হয়। এ সময় মানুষ নিরাপদ আশ্রয়স্থল খোঁজে সে সময় একমাত্র আশ্রয়স্থল হলো সাইক্লোন সেল্টার। প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, আম্ফান ও ইয়াসের আতঙ্ক কেটে গেলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আতঙ্ক কাটেনি উপকূলীয় জনপদ কয়রাবাসীর। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও আশ্রয়ের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ আশ্রয়কেন্দ্র নেই।  উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের তথ্য অনুসারে দুর্যোগের সময় ৩ লক্ষাধিক মানুষের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে ৯৮টি। ফায়েল খায়ের ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সাইক্লোন শেল্টার রয়েছে ১৯টি। দক্ষিণ বেদকাশীর জোড়শিং গ্রামের দুর্গাপদ মিস্ত্রি (৫৫) বলেন, প্রতি বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয়। প্রতিটি মুহূর্ত নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস আর ঘূর্ণিঝড়ের  মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংবাদ বয়ে আনে। তারপরেও সমস্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে বসবাস করছি।  উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আলম বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আমাদী ইউনিয়ন ছাড়া বাকি ৬টি ইউনিয়ন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষ করে কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলো। সেজন্য ৬টি ইউনিয়নে আরও সাইকোন শেল্টার নির্মাণ দরকার। উপেজলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাগর হোসেন সৈকত বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সার্বিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্চ্বাসে প্লাবিত হওয়ার আতঙ্ক রয়েছে উপকূলীয় অঞ্চল কয়রার প্রায় ৩ লাখ মানুষ। দুর্যোগের সময় ওইসব মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য আরও সাইক্লোন শেল্টার প্রয়োজন। উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস বা যেকোনো দুর্যোগের সময় মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ জরুরি। যা রয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উপকূলবাসীর আশ্রয়ের জন্য সরকারের তত্ত্ববধানে আরও ৩০০টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রের জন্য প্রস্তাব পাঠনো হয়েছে।



উপকূল এর আরও খবর

ঘূর্ণিঝড় আইলা’র ১৩ বছর ; আজও কাঁদায় উপকূলবাসীকে ঘূর্ণিঝড় আইলা’র ১৩ বছর ; আজও কাঁদায় উপকূলবাসীকে
দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের জন্য জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের জন্য জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
ঘূর্ণিঝড় অশনি বেড়িবাঁধ ভাঙন আতঙ্কে উপকূলের মানুষ ঘূর্ণিঝড় অশনি বেড়িবাঁধ ভাঙন আতঙ্কে উপকূলের মানুষ
ডলফিন এখন বিপন্ন প্রজাতির প্রাণি ডলফিন এখন বিপন্ন প্রজাতির প্রাণি
সাতক্ষীরাতে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভায় উপকূলের জন্য অভিনব পরিকল্পনা সাতক্ষীরাতে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভায় উপকূলের জন্য অভিনব পরিকল্পনা
নদীকৃত্য দিবসে সুন্দরবন অঞ্চলের নদ-নদীর জীবন্ত স্বত্তা ফিরিয়ে আনার দাবী উপকুলবাসীর নদীকৃত্য দিবসে সুন্দরবন অঞ্চলের নদ-নদীর জীবন্ত স্বত্তা ফিরিয়ে আনার দাবী উপকুলবাসীর
দুবলায় মাঝিদের মাঝে করোনার টীকা প্রদান, মাস্ক ও ক্যালেন্ডার বিতরন করছে কোষ্টগার্ড দুবলায় মাঝিদের মাঝে করোনার টীকা প্রদান, মাস্ক ও ক্যালেন্ডার বিতরন করছে কোষ্টগার্ড
লবণ পানি অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন লবণ পানি অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন
পাইকগাছা-কয়রায় সুপেয়পানির সংকট নিরসনে ৩৪.৭৯ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন পাইকগাছা-কয়রায় সুপেয়পানির সংকট নিরসনে ৩৪.৭৯ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)