শিরোনাম:
পাইকগাছা, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২, ২১ আশ্বিন ১৪২৯
SW News24
শনিবার ● ১৩ আগস্ট ২০২২
প্রথম পাতা » আঞ্চলিক » কয়রায় সড়কের দুই পাশে গর্ত খুঁড়ে রাখায় জনদূর্ভোগ
প্রথম পাতা » আঞ্চলিক » কয়রায় সড়কের দুই পাশে গর্ত খুঁড়ে রাখায় জনদূর্ভোগ
৫৯ বার পঠিত
শনিবার ● ১৩ আগস্ট ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কয়রায় সড়কের দুই পাশে গর্ত খুঁড়ে রাখায় জনদূর্ভোগ

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ  ---খুলনার কয়রা উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের দু’পাশে গর্ত খুড়ে প্রায় এক বছর ধরে ফেলে রেখেছেন ঠিকাদার। খুড়ে রাখা গর্তে পানি ও কাদা জমে বর্তমানে মরণ ফাঁদের সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় ওই সড়ক দিয়ে দীর্ঘদিন যান চলাচল বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন দুইটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ। সেই সঙ্গে সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।


শিক্ষার্থিরা অভিযোগ করেছেন, প্রায় দুই বছর ধরে ওই সড়কটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে সড়কের দুই পাশে গর্ত খুড়ে ফেলে রাখায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। বৃষ্টিতে ওই গর্তে পানি ও কাদা জমে থাকায় হেঁটে চলাচাল করাও সম্ভব হচ্ছে না। অনেক সময় গর্তে পড়ে ড্রেস নষ্ট হয়ে যায়। কয়রা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আমিরুল ইসলাম বলেন, ওই সড়কটির কারণে কলেজগামী শিকার্থিদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটির সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদেরকে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কয়রা-মদিনবাদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোড় থেকে ৪ নম্বর কয়রা অভিমুখে সড়কটি ২০২০ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে ওই সড়ক সংস্কারের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে মেসার্স রাকা এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। এক কোটি ২৩ লাখ টাকা বরাদ্দের এ কাজটির মেয়াদ ৩০ জুন শেষ হয়েছে।


প্রতিষ্ঠানটির ঠিকাদার তপন কুমার বলেন, কাজের মেয়াদ দুই মাস বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছি। অনুমোদর পেলে আশা করছি এর মধ্যে কাজ শেষ করতে পারবো। কাজের দায়িত্বে নিয়োজিত এলজিইডির উপসহকারি প্রকৌশলী আব্দুল কাদের বলেন, কাজটি যথা সময়ে শেষ করতে ঠিকাদারকে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। পরবর্তিতে তার কার্যাদেশ ও জামানত বাতিলের জন্য সুপারিশ করা হয়। এ অবস্থায় ঠিকাদার কাজ শেষ করতে দুই মাসের সময় চেয়ে আবেদন করেছেন বলে জানি। সরেজমিন দেখা গেছে, সড়কের কয়েকটি স্থানে অল্প সংখ্যক শ্রমিক মাটি সরানোর চেষ্টা করছেন। কয়েক জায়গায় কিছু ইট বসাতেও দেখা গেছে।

শ্রমিকরা জানান, কাজের সাইটে প্রয়োজনীয় মালামাল না থাকায় মূল কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘ দিন সড়কের পাশে গর্ত খুড়ে রাখায় জনদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মানুষকে। মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে স্থানীয়ভাবে ওই সব গর্তে পুরানো খোয়া বালি ফেলে ভরাট করা হয়েছে।

জানতে চাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান বলেন, ঠিকাদার কাজ শেষ করতে সময় চেয়ে আবেদন করেছেন। আমরা তাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি। ওই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না করতে পারলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দাপ্তরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



আঞ্চলিক এর আরও খবর

পাইকগাছায় অসুস্থ ব্যক্তিদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার চেক বিতরণ পাইকগাছায় অসুস্থ ব্যক্তিদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার চেক বিতরণ
জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা
পাইকগাছায় জাতীয় জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন  দিবসের আলোচনা সভা পাইকগাছায় জাতীয় জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন দিবসের আলোচনা সভা
পাইকগাছার জিরোপয়েন্টে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এমপি বাবু পাইকগাছার জিরোপয়েন্টে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এমপি বাবু
পাইকগাছায় বিশ্ব সমাজকর্ম দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও চেক বিতরণ পাইকগাছায় বিশ্ব সমাজকর্ম দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও চেক বিতরণ
কশবপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিসচা’র লিফলেট বিতরণ কশবপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিসচা’র লিফলেট বিতরণ
পর্যাপ্ত গাড়ী পার্কিং এর ব্যাবস্থা না থাকায়  কেশবপুর সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকদের ভোগান্তি পর্যাপ্ত গাড়ী পার্কিং এর ব্যাবস্থা না থাকায় কেশবপুর সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকদের ভোগান্তি
২২ অক্টোবর এস এম সুলতান নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা ২২ অক্টোবর এস এম সুলতান নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা
কেশবপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালনে নিসচা’র মাস ব্যাপি কর্মসূচী কেশবপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালনে নিসচা’র মাস ব্যাপি কর্মসূচী
আশাশুনির পাইথালীতে বস্ত্র বিতরণ আশাশুনির পাইথালীতে বস্ত্র বিতরণ

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)