<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>SW News24</title>
	<link>https://www.swnews24.com</link>
	<description>www.swnews24.com</description>
	<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 15:33:39 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=19</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>জন্মাষ্টমী উপলক্ষে- পাইকগাছার রাড়ুলীতে পূজা উদযাপন পরিষদের মতবিনিময় সভা</title>
		<link>https://www.swnews24.com/37185</link>
		<comments>https://www.swnews24.com/37185#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>prokash</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আঞ্চলিক]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.swnews24.com/37185</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/yyyjyu654-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
পাইকগাছা প্রতিনিধিঃ পাইকগাছায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব ও পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড শক্তিশালী করতে রাড়ুলীতে মতবিনয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জুলাই বুধবার বিকালে বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় এর বসত বাড়িতে ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক শংকর দেবনাথ এর সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
&#160;
 সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পূজা পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রাণকৃষ্ণ দাশ। প্রধান ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span dir="auto" class="x193iq5w xeuugli x13faqbe x1vvkbs x1xmvt09 x1lliihq x1s928wv xhkezso x1gmr53x x1cpjm7i x1fgarty x1943h6x xudqn12 x3x7a5m x6prxxf xvq8zen xo1l8bm xzsf02u x1yc453h"></p>
<p style="text-align: start" dir="auto"><img src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/yyyjyu654-thumbnail.jpg" alt="---" />পাইকগাছা প্রতিনিধিঃ পাইকগাছায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব ও পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড শক্তিশালী করতে রাড়ুলীতে মতবিনয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জুলাই বুধবার বিকালে বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় এর বসত বাড়িতে ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক শংকর দেবনাথ এর সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: start" dir="auto">&nbsp;</p>
<p style="text-align: start" dir="auto"> সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পূজা পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রাণকৃষ্ণ দাশ। প্রধান বক্তা ছিলেন, পৌরসভা  পূজা পরিষদের সভাপতি বাবুরাম মন্ডল। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাজ্জাদ আহমেদ মানিক।</p>
<p style="text-align: start" dir="auto">উপজেলা পূজা পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক উত্তম কুমার দাশের  সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পূজা পরিষদ নেতা বিভাসেন্দু সরকার, স্নেহেন্দু বিকাশ, প্রকাশ ঘোষ বিধান। জন্মাষ্টমী উৎসব ও পূজা উদযাপন পরিষদকে শক্তিশালী করতে করনীয় বিষয়ে সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরোও বক্তব্য রাখেন শিক্ষক অনুপ কুমার দাশ,শিক্ষক আনন্দ মোহন দাশ,অসীম কুমার দাশ,  প্রশান্ত বিশ্বাস , অনাথ দাস, সুব্রত মন্ডল, মনোরঞ্জন বিশ্বাস, মনসা দেবনাথ, দেবাশীষ বিশ্বাস, পরিমল কুমার দাশ, বিকাশ সরকার, পূর্ণ চরণ দত্ত,কার্তিক বৈরাগী কুমারের সরকার, রবীন্দ্র সরকার,সুবীর দেবনাথ, সাধন মিস্ত্রি, গোবিন্দ দত্ত, নিরাপদ দাস, সাধন দাশ, জয়ন্ত দাস, তুষার দাস, সুব্রত মন্ডল, অনাথ দাসসহ অনেকে।</p>
<p></span></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.swnews24.com/37185/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মাগুরায় নকল বিএসটিআইর সিল ব্যবহার; ৬০ হাজার টাকা জরিমানা প্রতিষ্ঠানকে</title>
		<link>https://www.swnews24.com/37183</link>
		<comments>https://www.swnews24.com/37183#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>prokash</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.swnews24.com/37183</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/ytyt321-thumbnail.jpg" alt="" /></span>মাগুরা প্রতিনিধি : নকল বিএসটিআই সিল ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যপণ্য বাজারজাত এবং চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে মাগুরার ভাই ভাই বেকারিতে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় বেকারির উৎপাদন কার্যক্রম ৭ দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/ytyt321-thumbnail.jpg" alt="---" />মাগুরা প্রতিনিধি : নকল বিএসটিআই সিল ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যপণ্য বাজারজাত এবং চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে মাগুরার ভাই ভাই বেকারিতে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় বেকারির উৎপাদন কার্যক্রম ৭ দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।<br />
বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মাগুরা শহরের নতুন বাজার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ভাই ভাই বেকারিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।<br />
অভিযান সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটিকে এর আগেও দুই দফা সতর্ক করা হলেও তারা নকল বিএসটিআই সিল ব্যবহার বন্ধ করেনি বরং ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে সেই সিলযুক্ত খাদ্যপণ্য বাজারজাত করা হচ্ছিল। এছাড়া বেকারির ভেতরে ছিল নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, অপরিচ্ছন্ন বাথরুম, হাত পরিষ্কারের জন্য সাবানের ব্যবস্থা ছিল না। কর্মচারীদের হেয়ার নেট, হ্যান্ড গ্লাভসসহ ন্যূনতম স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীও ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। ফলে খাদ্য উৎপাদনের পুরো পরিবেশই  জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রতীয়মান হয়।<br />
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা নতুন বাজার এলাকায় এই প্রতিষ্ঠানটিকে এর আগেও দুইবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তারা সেই নির্দেশনা অমান্য করে নকল বিএসটিআই সিল ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন করছিল, যা ভোক্তাদের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে যে আইনিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ৪৩/৪৪ ধারায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ৭ দিনের জন্য উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.swnews24.com/37183/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি</title>
		<link>https://www.swnews24.com/37180</link>
		<comments>https://www.swnews24.com/37180#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>prokash</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.swnews24.com/37180</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/bgyhf214-thumbnail.jpg" alt="" /></span>মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুরে নজরুল ইলেক্ট্রনিক ও স্যানেটারী দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে সাচিলাপুর বাজারে এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ব্যবসায়ী নাহিদ ইসলাম।
অগ্নিকান্ডের সংবাদ পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ২ টি ইউনিট দ্রুত ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/bgyhf214-thumbnail.jpg" alt="---" />মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুরে নজরুল ইলেক্ট্রনিক ও স্যানেটারী দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে সাচিলাপুর বাজারে এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ব্যবসায়ী নাহিদ ইসলাম।<br />
অগ্নিকান্ডের সংবাদ পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ২ টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পরে মাগুরা ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স ২ টি ইউনিটসহ মোট ৪ টি ইউনিট দেড় ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।<br />
সংবাদ শোনার পর বুধবার সকালে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম পুড়ে যাওয়া ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।<br />
ব্যবসায়ী নাহিদ ইসলামের পিতা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, একসময় আমার জামাই লিপটন এই ব্যবসা পরিচালনা করতো। সে বিদেশ যাওয়ার আগে আমার ছেলে নাহিদের কাছে ব্যবসা বুঝে দিয়ে যায়। এরপর থেকে আমার ছেলে নাহিদ ইসলাম ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। প্রতিদিনের ন্যায় বেচাকেনা শেষে দোকান বন্ধ করে রাতে বাড়িতে গেলে রাত ১২ টার দিকে মোবাইল ফোনে দোকানে অগ্নিকান্ডের সংবাদ পায়। ততক্ষণে দোকানের সব মালামাল পুড়ে শেষ হয়ে যায়। এতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনিও দাবি করেন।<br />
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন লিডার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ২ টি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করি। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় মাগুরা থেকে আরো ২ টি ইউনিট যোগ হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.swnews24.com/37180/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পাইকগাছায় রান্নার পর গরুর মাংস সবুজ রং ধারণ ; জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি</title>
		<link>https://www.swnews24.com/37178</link>
		<comments>https://www.swnews24.com/37178#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>prokash</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চিত্রবিচিত্র]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.swnews24.com/37178</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/tytjhyut321-thumbnail.jpg" alt="" /></span>খুলনার পাইকগাছায় রান্না করার সময় গরুর মাংসের রং লাল থেকে সবুজ হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
২২ জুলাই বুধবার দুপুরে পৌরসভার মডার্ণ বেকারির কর্মচারীরা পিকনিকের জন্য কেনা গরুর মাংস রান্না সময় এ ঘটনা দেখতে পান। পরে তারা রান্না করা মাংসসহ কড়াই নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও থানায় যান।
জানা গেছে, মডার্ণ বেকারির ২৫ জন ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/tytjhyut321-thumbnail.jpg" alt="---" />খুলনার পাইকগাছায় রান্না করার সময় গরুর মাংসের রং লাল থেকে সবুজ হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।<br />
২২ জুলাই বুধবার দুপুরে পৌরসভার মডার্ণ বেকারির কর্মচারীরা পিকনিকের জন্য কেনা গরুর মাংস রান্না সময় এ ঘটনা দেখতে পান। পরে তারা রান্না করা মাংসসহ কড়াই নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও থানায় যান।</p>
<p>জানা গেছে, মডার্ণ বেকারির ২৫ জন কর্মচারী বুধবার পিকনিকের আয়োজন করেন। এ জন্য তারা সকালে পাইকগাছা বাজারের মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইলের দোকানে মাংস কিনতে যান। ব্যবসায়ী ইসমাইল জানান, সেদিন জবাই করা গরুর সব মাংস ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। তবে তার দোকানের ফ্রিজে ভালো মাংস সংরক্ষিত রয়েছে। প্রয়োজন হলে সেখান থেকে মাংস দেওয়া যাবে। পরে সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে বেকারির কর্মচারী টিটন হোসেন ওই দোকান থেকে চার কেজি মাংস ক্রয় করেন। এরপর পিকনিকের জন্য বাজার করে মাংস রান্না শুরু করেন।</p>
<p>তবে রান্নার প্রায় অর্ধেক শেষ হওয়ার পর কর্মচারীরা দেখতে পান, মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং পরিবর্তন হয়ে সবুজ রং ধারণ করেছে। বিষয়টি দেখে তারা মাংসসহ কড়াইটি নিয়ে প্রথমে মাংস বিক্রেতা ইসমাইলের দোকানে যান। পরে বিষয়টি ইউএনওকে জানিয়ে কড়াইসহ রান্না করা মাংস নিয়ে থানায় হাজির হন।</p>
<p>এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তবে মাংস রান্নার সময় কী কারণে এর রং সবুজ হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো কারণ জানা যায়নি। স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন মাংসে কোনো ধরনের রাসায়নিক বা অন্য কোনো উপাদান ব্যবহার হতে পারে। তবে এ বিষয়ে কোনো পরীক্ষাগারভিত্তিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।</p>
<p>মাংস বিক্রেতা ইসমাইল বলেন, আমি ভালো মাংসই বিক্রি করেছি। মাংসে কোনো ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়নি। তারা হয়ত রান্নার সময় অন্য কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করেছেন। আমার দোকান থেকে আরও অনেকেই মাংস কিনে নিয়ে গেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ এমন অভিযোগ করেননি।</p>
<p>ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাংসের নমুনা পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মাংসের রং পরিবর্তনের প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.swnews24.com/37178/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পলিথিন- প্লাস্টিক দূষণ সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে</title>
		<link>https://www.swnews24.com/37176</link>
		<comments>https://www.swnews24.com/37176#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>prokash</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[সুন্দরবন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.swnews24.com/37176</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="" alt="" /></span>বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের প্রাণীদের আবাসস্থল ও জীববৈচিত্র্য উভয়ের জন্যই প্লাস্টিক দূষণ মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ সুন্দরবনের অনন্য বাস্তুতন্ত্রের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি। প্রতিদিন বনের ভেতরের নদী-খালে জমা হচ্ছে টন টন প্লাস্টিক বর্জ্য, যা ম্যানগ্রোভের শ্বাসমূলকে বাধাগ্রস্ত করে, বন্যপ্রাণীর জীবন বিপন্ন করে এবং সামগ্রিক জীববৈচিত্র্যকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বঙ্গোপসাগরের তীরে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের প্রাণীদের আবাসস্থল ও জীববৈচিত্র্য উভয়ের জন্যই প্লাস্টিক দূষণ মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ সুন্দরবনের অনন্য বাস্তুতন্ত্রের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি। প্রতিদিন বনের ভেতরের নদী-খালে জমা হচ্ছে টন টন প্লাস্টিক বর্জ্য, যা ম্যানগ্রোভের শ্বাসমূলকে বাধাগ্রস্ত করে, বন্যপ্রাণীর জীবন বিপন্ন করে এবং সামগ্রিক জীববৈচিত্র্যকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।</p>
<p>বঙ্গোপসাগরের তীরে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর ব-দ্বীপে অবস্থিত সুন্দরবন। ম্যানগ্রোভ বনভূমি উপকূলরেখাকে ক্ষয় ও নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে থেকে রক্ষা করে এবং দূষণকারী পদার্থ পরিশোধন করে পানির গুণমান উন্নত করে। এছাড়াও এই বনভূমি অনেক সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য নার্সারি হিসেবে কাজ করে। এই বনের গাছের পাতা, কাণ্ড, শিকড় ও মাটিতে লাখ লাখ টন কার্বন জমা হয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে অবদান রেখে যাচ্ছে।</p>
<p>সুন্দরবন বাংলাদেশের উপকূলরেখা বরাবর বিস্তৃত। এটা বেঙ্গল টাইগার ও ইরাবতী ডলফিনসহ বিশ্বের কিছু বিরল প্রাণীর আবাসস্থল। বনের বড় ধরনের বন্য প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার, লবণাক্ত পানির কুমির, হরিণ, বানর, শূকর, সাপ, সরীসৃপ ও অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণী দ্বারা সমৃদ্ধ। এছাড়াও, বনে অসংখ্য প্রজাতির পাখি রয়েছে। সুন্দরবনে অসংখ্য জলজ প্রাণী রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৬ প্রজাতির চিংড়ি, ১৩ প্রজাতির কাঁকড়া ও ৪২ প্রজাতির শামুক অন্যতম। প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য এগুলোর উপর নির্ভরশীল। প্লাস্টিক ও পলিথিনের দূষণ থেকে সুন্দরবনের এই জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণের জরুরি প্রয়োজন।</p>
<p>সুন্দরবন আমাদের জাতীয় অর্থনীতির একটি স্তম্ভ। এখান থেকে প্রতিবছর প্রায় ৪৬০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে সরকার, যা স্থানীয় জনগণের জীবিকা এবং দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি অবদান রাখে। কিন্তু প্লাস্টিক দূষণ সুন্দরবনের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুন্দরবনের ৫৪টি নদীতে প্রতিদিন প্রায় ৫০ টন পলিথিন ও প্লাস্টিক জমা হয়ে পরিবেশের ভারসাম্য হারাচ্ছে।</p>
<p>বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে প্লাস্টিক জমা কমানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর জন্য সমন্বিত, বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে অন্যতম হলো পর্যটকদের সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক পানির বোতল, পলিথিন বহন নিষিদ্ধ করা এবং বনের ভেতর কঠোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। বনের জীববৈচিত্র্য ও শ্বাসমূল রক্ষায় সুন্দরবন এলাকায় পলিথিন ও ওয়ান-টাইম প্লাস্টিকের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে কঠোর জরিমানার বিধান বাস্তবায়ন করা।</p>
<p>সুন্দরবনে পর্যটকবাহী প্রতিটি নৌযান ও ট্যুরিস্ট স্পটে সুনির্দিষ্ট ডাস্টবিন স্থাপন করা। সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য বনের বাইরে এনে রিসাইক্লিংয়ের ব্যবস্থা করা। পলিথিনের বদলে পাটের ব্যাগ ও কাগজের ঠোঙা এবং প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব পাত্র ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলা।</p>
<p>সুন্দরবনের প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে একক ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।  ট্যুর অপারেটরদের মাধ্যমে পর্যটকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং প্রবেশ ফি দেওয়ার সময় প্লাস্টিক ফ্রি সুন্দরবন ক্যাম্পেইনে স্বাক্ষর করানো যেতে পারে। স্থানীয় বনজীবী, ট্যুরিস্ট ও বেসরকারি সংস্থার সম্মিলিত উদ্যোগে বনের খাল ও সৈকতগুলোতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা।</p>
<p>সুন্দরবনের দূষণ হ্রাস, পরিবেশের উন্নতি এবং বাংলাদেশে ম্যানগ্রোভ বন ও তাদের প্রভাব অঞ্চল- শীর্ষক প্রকল্পটি খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরগুনা ও পিরোজপুর জেলার ১৭টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্পটি সরকারের তিনটি আর রিডিউস, রিইউজ, ও রিসাইকেল বাস্তবায়ন কৌশলের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে। সামগ্রিকভাবে এটি প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি সম্পর্কিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখবে।</p>
<p>রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ বলেন, তরুণরা প্লাস্টিক বর্জ্য ও দূষণ প্রতিরোধের পাশাপাশি এর মাটি ও পানিকে আরও অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
<p>সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, সুন্দরবনের এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে প্লাস্টিক দূষণ। পর্যটন মৌসুমে পর্যটকরা সুন্দরবনের নদী-খালে চিপস, বিস্কুটের প্যাকেট, প্লাস্টিকের পানির বোতল, পলিথিন, ওয়ান টাইম প্লেট-গ্লাস, চকোলেটের খোলা ফেলে যান। এ সব প্লাস্টিক বর্জ্য নদীর জোয়ার-ভাটায় ১০-১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বনের অভ্যন্তরে ঢুকে যায়। সুন্দরবনের গাছের স্বাসমূলের উপর  জড়িয়ে থাকে। এতে প্রাণশক্তি হারায়ে গাছ মরে যায়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.swnews24.com/37176/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার; বাইকসহ রুমমেট পালাতক</title>
		<link>https://www.swnews24.com/37172</link>
		<comments>https://www.swnews24.com/37172#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>prokash</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.swnews24.com/37172</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/trdghyf654-thumbnail.jpg" alt="" /></span>খুলনার পাইকগাছায়  আরএফএল কোম্পানির কর্মকর্তা  বিশ্বজিৎ দেউড়ি (২৫)রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত বিশ্বজিৎ আরএফএল-এর পাইকগাছা শাখায় সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ (এসআর) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনার পর থেকে তার সহকর্মী ও রুমমেট অন্তর সরকার (২৩) ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ পালাতক রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাসপাতাল রোড এলাকার রাম প্রসাদ মণ্ডলের দোতলা বাড়ির ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/trdghyf654-thumbnail.jpg" alt="---" />খুলনার পাইকগাছায়  আরএফএল কোম্পানির কর্মকর্তা  বিশ্বজিৎ দেউড়ি (২৫)রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত বিশ্বজিৎ আরএফএল-এর পাইকগাছা শাখায় সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ (এসআর) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনার পর থেকে তার সহকর্মী ও রুমমেট অন্তর সরকার (২৩) ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ পালাতক রয়েছে।</p>
<p style="text-align: start" dir="auto">পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাসপাতাল রোড এলাকার রাম প্রসাদ মণ্ডলের দোতলা বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকেন তারা। গত দুই মাস ধরে ঝালকাঠি সদরের বেতরা গ্রামের হিরালাল দেউড়ির ছেলে বিশ্বজিৎ দেউড়ি এবং মাদারীপুরের কালকিনী উপজেলার লক্ষ্মীপুর ফাঁসিয়াতলা গ্রামের লিটন সরকারের ছেলে অন্তর সরকার (২৩) একসঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন। অভিযুক্ত অন্তর সরকার আরএফএল-এর সহকারী টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত।</p>
<p>২০ জুলাই সোমবার রাত ৯:৪০ মিনিটের দিকে দুজনে স্থানীয় একটি দোকান থেকে নাস্তা করেন। ২১ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১টা পর্যন্ত তাদের দুজনেরই ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এতে সন্দেহ হলে তাদের সহকর্মী নয়ন রায় (২৬) খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাসায় যান। সেখানে গিয়ে তিনি ঘরের দরজার সামনে রক্ত এবং একটি রক্তমাখা ছুরি পড়ে থাকতে দেখে তাৎক্ষণিকভাবে পাইকগাছা থানা পুলিশে খবর দেন।</p>
<p>​সংবাদ পেয়ে পাইকগাছা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জনাব আমীর হামজা এবং পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) জুলফিকার আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশ তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং মেঝেতে বিশ্বজিৎ দেউড়ির রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে।</p>
<p>​প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতা বা অভ্যন্তরীণ কোনো বিরোধের জেরে সোমবার রাত ১০টা থেকে মঙ্গলবার দুপুর ১টার মধ্যে যেকোনো সময়ে বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর লাশ ঘরের ভেতর ফেলে রেখে বাইর থেকে তালা আটকে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান সহকর্মী অন্তর সরকার।</p>
<p>পাইকগাছা থানা পুলিশ জানিয়েছে, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনসহ পলাতক অভিযুক্ত অন্তর সরকারকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: start" dir="auto"><span dir="auto" class="x193iq5w xeuugli x13faqbe x1vvkbs x1xmvt09 x1lliihq x1s928wv xhkezso x1gmr53x x1cpjm7i x1fgarty x1943h6x xudqn12 x3x7a5m x6prxxf xvq8zen xo1l8bm xzsf02u x1yc453h"><span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs x4k7w5x x1h91t0o x1h9r5lt x1jfb8zj xv2umb2 x1beo9mf xaigb6o x12ejxvf x3igimt xarpa2k xedcshv x1lytzrv x1t2pt76 x7ja8zs x1qrby5j"><span dir="auto" class="x193iq5w xeuugli x13faqbe x1vvkbs x1xmvt09 x1lliihq x1s928wv xhkezso x1gmr53x x1cpjm7i x1fgarty x1943h6x xudqn12 x3x7a5m x6prxxf xvq8zen xo1l8bm xzsf02u"> </span></span></span></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.swnews24.com/37172/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলের বনজীবীদের কষ্ট,পরিশ্রম আর অভাব নিত্য সঙ্গী</title>
		<link>https://www.swnews24.com/37169</link>
		<comments>https://www.swnews24.com/37169#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>prokash</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[উপকূল]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.swnews24.com/37169</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/errtt321-thumbnail.jpg" alt="" /></span> প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা) ঃ সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলবর্তী অঞ্চলের বনজীবী, জেলে ও বাওয়ালিদের জীবন সত্যিই চরম অনিশ্চয়তা, ঝুঁকি এবং কষ্টের প্রতীক। সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার দাকোপ, কয়রা, শ্যামনগরসহ বিভিন্ন এলাকার লাখ লাখ মানুষ জীবিকার জন্য এই বন ও নদীর ওপর নির্ভরশীল।
রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে গভীর বনে মাছ, কাঁকড়া, গোলপাতা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/errtt321-thumbnail.jpg" alt="---" /> প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা) ঃ সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলবর্তী অঞ্চলের বনজীবী, জেলে ও বাওয়ালিদের জীবন সত্যিই চরম অনিশ্চয়তা, ঝুঁকি এবং কষ্টের প্রতীক। সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার দাকোপ, কয়রা, শ্যামনগরসহ বিভিন্ন এলাকার লাখ লাখ মানুষ জীবিকার জন্য এই বন ও নদীর ওপর নির্ভরশীল।</p>
<p>রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে গভীর বনে মাছ, কাঁকড়া, গোলপাতা ও মধু সংগ্রহ করতে হয়। এ সময় তাদের প্রতিনিয়ত সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার, কুমির ও অন্যান্য বন্যপ্রাণীর আক্রমণের আতঙ্কে থাকতে হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস এবং লবণাক্ততার প্রকোপে তাদের জীবন ও জীবিকা বারবার বিপর্যস্ত হয়। লবণাক্ত পানি ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ও চাষাবাদের জমি নষ্ট হওয়া তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী।</p>
<p>মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুম এবং বনজ সম্পদ আহরণে নিষেধাজ্ঞার সময়গুলোতে বনজীবীদের বনে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ থাকে। ওই দীর্ঘ সময়টাতে কাজ না থাকায় অনেকেই চরম মানবিক সংকটে ও অনাহারে দিন কাটান। বনে যাওয়ার জন্য দাদন ব্যবসায়ী বা মহাজনদের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিতে হয়। এরপর বন থেকে আহরিত সম্পদ বিক্রি করে ন্যায্য মূল্য পাওয়া সবসময় সম্ভব হয় না, ফলে সারা বছর অভাব পিছু ছাড়ে না। বনদস্যুদের চাঁদাবাজি ও অপহরণের ভয় তাদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। বর্তমানে বনের পরিস্থিতি অনেক অশান্ত এবং বন বিভাগের অনুমতি ও পাস-পারমিট সংগ্রহ করে বনে টিকে থাকা এখনো একটি অত্যন্ত শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া।</p>
<p>খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রার অন্যতম প্রধান নদী শাকবাড়িয়ার তীরে সুন্দরবন সংলগ্ন ১৫টি গ্রাম মঠবাড়ি, কাশিয়াবাদ, কয়রা ৪ নম্বর, ৫ নম্বর, ৬ নম্বর, পাথরখালী, মাটিকাটা, গাববুনিয়া, শাকবাড়িয়া, হরিহরনগর, গাতিঘেরি, বীনাপানি, জোড়শিং, আংটিহারা ও গোলখালী। এই ১৫টি গ্রামের মানুষের বেঁচে থাকার জন্য এখনও বনের সম্পদের ওপরই ভরসা করতে হচ্ছে। বনজীবীরা মাছ ও কাঁকড়া ধরা, গোলপাতা কাটা ও মধু সংগ্রহ করা। বনের ভেতর ও আশপাশের নদী-খালে এরা চিংড়ি পোনাও ধরে থাকেন। জীবিকা নির্বাহে এটাও তাদের অন্যতম কাজ।</p>
<p>ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৭ লাখ পরিবারের জীবন ও জীবিকা এভাবেই কষ্টে কাটছে। খুলনা জেলার দাকোপ, কয়রা ও সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর, মুন্সিগঞ্জ সহ বিভিন্ন উপজেলার প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল বনজীবী। উপকূলের সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ২০ লাখ দরিদ্র মানুষ তাদের জীবিকার জন্য পুরোপুরি অথবা আংশিকভাবে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে এসব মানুষের বসবাস, যারা জীবিকার জন্য বছরের বিভিন্ন সময়ে মাছ, কাঁকড়া, গোলপাতা, মধু সংগ্রহের জন্য সুন্দরবনের গভীরে যান। তবে গত এক দশকে এসব অঞ্চলের মানুষের আয় কমছে সুন্দরবন থেকে।</p>
<p>বন বিভাগ তথ্য অনুযায়ী, ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটারের ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে। সুন্দরবন রক্ষার স্বার্থে ২০১৭ সালে ২৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ৫২ শতাংশ করা হয়েছে। তাই সম্পদ আহরণ সংকীর্ণ হয়ে আসার পাশাপাশি আয় কমেছে সুন্দরবন নির্ভর জনগোষ্ঠীর। বাধ্য হয়ে পেশা বদল করেছেন, নতুন কর্মসংস্থানের খোঁজে বাস্তুচ্যুতও হয়েছেন অনেকে। অনেকে অবৈধভাবে বনে প্রবেশ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শাস্তির শিকার হয়েছেন। বন থেকে মাছ, মধু কিংবা অন্য কোনো সম্পদ বৈধভাবে আহরণ করে আগে যেখানে সচ্ছলভাবে চলত প্রতিটি পরিবার, সেখানে এখন ঋণের বোঝা নিয়ে চলতে হয় তাদের।</p>
<p>সুন্দরবন ঘেঁষা এলাকার অধিকাংশ পুরুষেরা মৎস্য আহরণ, গোলপাতা কাটা, কাঁকড়া ধরা আর মধু আহরণে আর নারীরা ব্যস্ত থাকেন চিংড়ির পোনা ধরায়। পরিবারের সবাই মিলে কঠিন সংগ্রাম করেও তিনবেলা ভাত জোটাতে না পেরে বনজীবীদের অনেকে আবার ফিরছে অন্য কাজে। কেউ এলাকায়, আবার কেউ দূরের শহরে। ঋণ বা দাদনের জালে অনেকটাই বন্দি হয়ে পড়েছেন উপকূলের এসকল জেলেরা। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় আয়-রোজগার থাকে না। এ কারণে সংসার চালাতে কিংবা পরিবারের সদস্যদের মুখে দু-মুঠো ভাত তুলে দিতে জেলেরা হাত পাতছেন বিভিন্ন এনজিও ও দাদন ব্যবসায়ী কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কাছে। ঋণ নিয়ে তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান করলেও পরবর্তী সময়ে যা আয় করছেন তা দিয়ে চালাচ্ছেন দীর্ঘমেয়াদি কিস্তির টাকা দিতে গিয়ে বাড়তি কোনো টাকা আর সঞ্চয় রাখতে পারছেন না।</p>
<p>কয়রার মঠবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা রমেন মন্ডল, তিনি প্রায় এক যুগ ধরে সুন্দরবনের ওপর ভর করে জীবনযাপন করছেন। পাসের টাকা, অন্যান্য খরচের টাকা, বনদস্যুর টাকা, ঘুষের টাকা দিয়ে গভীরে গিয়ে যে মাছ পাওয়া যায় তা দিয়ে আসলেই কিছু হয় না। তাই এ বছর আর জঙ্গলে যাইনি। মহাজনের কাছে টাকা ধার করে সংসার চালাচ্ছি।</p>
<p>পাইকগাছার গড়ইখালী গ্রামের জেলে রহমত সরদার বলেন, গত বছরও মাছ ধরতে গিয়ে আমার অনেক টাকা লোকসান হয়েছে। বছরের বিভিন্ন সময়ে বনে যাওয়া নিষেধ থাকে। আগের মতো নদীতে মাছ পাওয়া যায় না। আর প্রতিদিন মাছ নিয়ে আড়তে না গেলে আড়তদারদের লোকজন জেলেদের কটু কথা বলে। আড়তদার ও কোম্পানিদের সঙ্গে  চুক্তি অনুযায়ী মাছ ও টাকা কেটে নিয়ে নেয়। কোন সঞ্চয় তো হয় না ঝণ করতে হয়। দাদন ব্যবসা ও মহাজনের কবলে পড়ে জেলেরা নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে।</p>
<p>খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ বলেন, সুন্দরবন যেমন আমাদের রক্ষা করা প্রয়োজন তেমনি এত গুলো মানুষের জিবীকা নির্বাহের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। আমরা চেষ্টা করছি বনজীবীদের বিকল্প আয়ের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা করতে। বেশ কয়েকটি প্রকল্প আমরা হাতে নিয়েছি। বনজীবীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকল্প আয়ের জন্য যোগ্য করে তোলা হবে।</p>
<p>সরকারের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে উপকূলীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলো নানা পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.swnews24.com/37169/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পাইকগাছায় আমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে</title>
		<link>https://www.swnews24.com/37168</link>
		<comments>https://www.swnews24.com/37168#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>prokash</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.swnews24.com/37168</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/ytuy7iuiuk6547-thumbnail.jpg" alt="" /></span>প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা ঃ খুলনার পাইকগাছায় আমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। টক-টক, মিষ্টি-মিষ্টি মুখরোচক ও সুস্বাধু ফল আমড়া ছোট-বড় সকলের কাছে প্রিয়। আমড়ার কথা ভাবলেই জিব্বায় জল এসে যায়। পুষ্টিকর ফল আমড়ার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। হাঁট-বাজারে খুচরা ও পাইকারি বিক্রি হচ্ছে, তা ছাড়াও পথে-ঘাটে কাঁচা আমড়া মশলা দিয়ে বিক্রি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণ।
আমড়া একটি উৎকৃষ্ট ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/ytuy7iuiuk6547-thumbnail.jpg" alt="---" />প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা ঃ খুলনার পাইকগাছায় আমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। টক-টক, মিষ্টি-মিষ্টি মুখরোচক ও সুস্বাধু ফল আমড়া ছোট-বড় সকলের কাছে প্রিয়। আমড়ার কথা ভাবলেই জিব্বায় জল এসে যায়। পুষ্টিকর ফল আমড়ার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। হাঁট-বাজারে খুচরা ও পাইকারি বিক্রি হচ্ছে, তা ছাড়াও পথে-ঘাটে কাঁচা আমড়া মশলা দিয়ে বিক্রি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণ।</p>
<p>আমড়া একটি উৎকৃষ্ট মানের ফল। দেশে উৎপাদিত একাধিক ভিটামিন মুক্ত ফলের মধ্যে আমড়াও একটি। অভিজ্ঞ চিকিৎসকের কাছ থেকে জানাযায়, এবিসি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ সহ প্রভূতি প্রয়োজনীয় ভিটামিন সমৃদ্ধ ফল আমড়া। আমড়ার ইংরেজি নাম গোল্ডেন অ্যাপেল। আমড়া কাঁচা ও রান্না করে বিভিন্ন পদ তৈরী করে খাওয়া যায়। আমড়া তৈরী চাটনি খুবই মুখরোচক। খেতে খুবই সুস্বাদু ও মিষ্টিকর। দেশে-বিদেশে সবার কাছে আমড়া জনপ্রিয়।</p>
<p>উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানা গেছে,পাইকগাছায় ৫ হেক্টর জমিতে আমড়া গাছের বাগান আছে ও আবাদ করা হয়েছে। আমড়া বাগান থেকে সম্ভব্য উৎপাদন ৭৫ মেট্রিক টন হবে। লবণাক্ত উপকূল এলাকার এ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে উচু এলাকা গদাইপুর, রাড়ুলী, হরিঢালী, কপিলমুনিতে বেশী আমড়ার আবাদ হয়। তাহা ছাড়া পৌরসভা সহ বাকি ইউনিয়ন গুলিতে সামান্য কিছু আমড়া গাছ রয়েছে। চলতি মৌসুমে আমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। এলাকার বিভিন্ন বাজারে আমড়া প্রতি কেজি ২০-২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এলাকার চাহিদা পুরণ হয়েও বিভিন্ন জেলায় আমড়া সরবরাহ হচ্ছে। আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে আমড়া ব্যাপারীরা বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে গাছ চুক্তি আমড়া ক্রয় করেন। এ সব ব্যাপারীরা এলাকার বিভিন্ন আড়তে আমড়া বিক্রি করেন। আর আড়তদাররা বিভিন্ন মোকাম ও জেলাতে আমড়া সরবরাহ করেন।</p>
<p>কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, আমড়ার বাগান তৈরী বা চাষ করা খুবই সহজ। রোদেলা স্থানে উচু আইল করে সারিবদ্ধ ভাবে রোপন করে আমড়া আবাদ করা যায়। রোপনকৃত গাছ থেকে ৩/৪ বছরের মধ্যে ফল পাওয়া যায়। কিছু কিছু গাছে বারো মাস আমড়া ধরে। এ এলাকায় দুইটি জাতের আমড়া আবাদ হচ্ছে, দেশী জাত ও হাইব্রিড জাত। দেশী জাত বীজ থেকে ও হাইব্রিড জাত কলম করে চারা উৎপাদন করা হয়। হাইব্রিড জাতের আমড়ার চারা রোপনে ১ বছর পর থেকে ফলন পাওয়া যায়। হাইব্রিড জাতের গাছ খুব বড় হয় না। চারা রোপনের  সময় দানাদার সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করলে গাছ রোগমুক্ত থাকে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে এক ধরণের লেদা পোকা গাছের পাতা খেয়ে গাছ পাতা শুন্য করে ফেলে। গাছে মুকুল আসার আগে ১৫ দিন পর পর কীটনাশক প্রয়োগ করলে লেদা পোকার আক্রমন থেকে নিরাপদ থাকে।</p>
<p>উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ একরামুল হোসেন জানান, চলতি মৌসুমে পাইকগাছায় আমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে।  আমড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকারী ফসল। ফলন বৃদ্ধির ও রোগ বালাই দমনের জন্য কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ অঞ্চলের আমড়া চাষীদের আমড়ার চারা লাগানোর জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.swnews24.com/37168/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>জলবায়ু পরিবর্তনে উপকূলের জনগোষ্ঠীর ন্যার্যতা ও সমতা কার্যকর করা প্রযোজন</title>
		<link>https://www.swnews24.com/37167</link>
		<comments>https://www.swnews24.com/37167#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>prokash</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[উপকূল]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.swnews24.com/37167</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="" alt="" /></span>জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা ও সমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বৈশ্বিক কার্বন নির্গমনে বাংলাদেশের ভূমিকা নামমাত্র হলেও, উপকূলবাসীকে লবণাক্ততা, ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, এবং নদীভাঙনের মতো ভয়াবহ বিপর্যয় মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, যাদের মানবাধিকার সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা বৈশ্বিক জলবায়ু ন্যায়বিচারের অন্যতম প্রধান ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা ও সমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বৈশ্বিক কার্বন নির্গমনে বাংলাদেশের ভূমিকা নামমাত্র হলেও, উপকূলবাসীকে লবণাক্ততা, ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, এবং নদীভাঙনের মতো ভয়াবহ বিপর্যয় মোকাবিলা করতে হচ্ছে।</p>
<p>জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, যাদের মানবাধিকার সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা বৈশ্বিক জলবায়ু ন্যায়বিচারের অন্যতম প্রধান শর্ত। খরা, বন্যা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো দুর্যোগে তাদের বাসস্থান, সুপেয় পানি, খাদ্য ও জীবিকা হুমকির মুখে পড়ছে।</p>
<p>চরম আবহাওয়ার কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়ার ফলে প্রান্তিক মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নিরাপদ আশ্রয় ও স্বাস্থ্যসেবার অভাবে তাদের জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়ছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি অর্জন: জলবায়ু পরিবর্তন দারিদ্র্য বিমোচন এসডিজি-১, ক্ষুধা মুক্তি এসডিজি-২ এবং সবার জন্য সুস্বাস্থ্য এসডিজি-৩ অর্জনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে কোনো টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।</p>
<p>ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড কার্যকর করা অত্যন্ত জরুরি, যা প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন ও সুরক্ষায় সহায়তা করবে। যেকোনো জলবায়ু নীতি ও অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়নে স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও আদিবাসীদের মতামতকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।</p>
<p>জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলগুলো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। গত তিন দশকে সামুদ্রিক ঘুর্নিঝড়, জলোচ্ছাস ও নদী ভাঙন সুন্দরবন উপকূলীয় জনপদগুলো লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। গ্রীন হাউস প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে এক দিকে যেমন সমুদ্র পৃষ্টের তলদেশ উঁচু হয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে নদ-নদীর নাব্যতা হারিয়ে গতিপথে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারনে সমুদ্রের পানি উপকূলীয় এলাকায় উপচে পড়ছে। ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগে লাখ লাখ মানুষ সহায় সম্বল হারিয়ে সর্বশান্ত হচ্ছে।</p>
<p>সূত্রমতে, ১৯৮৮ সালের ২৯ নভেম্বর সুন্দরবন উপকূলে প্রলংকরী সামুদ্রিক ঘুর্ণিঝড়, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল চট্রগ্রাম কক্সবাজার অঞ্চলে স্মরনকালের ভয়াবহ সামুদ্রিক ঝড়। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালী, খুলনার উপকুলে সিডরের তান্ডব। ২০০৮ সালে  ঘূর্ণিঝড় নার্গিস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়, যা  মে মাসে মায়ানমারে আঘাত হানে। এতে ১ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ  হারায়। খুলনা, সাতক্ষীরা উপকূলে আইলার ভয়াবহ জলোচ্ছাসে গোটা উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছে। এর সঙ্গে নতুন মাত্রায় নদী ভাঙন যোগ হয়ে লন্ডভন্ড করে দিচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্পান অত্যন্ত শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানে। ২০২২ সালে ২৫ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের বরিশাল উপকূলে আঘাত হানে। এর প্রভাবে সারাদেশে ৩৩ জন নিহত ও ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কয়রা, দাকোপ, আশাশুনি ও শ্যামনগর এলাকায় প্রতিনিয়ত বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। উপর্যুপরি নদী ভাঙন কেড়ে নিচ্ছে শত শত একর কৃষি জমি, বসত ভিটা, চিংড়ি ঘের ও রাস্তাঘাট। শুকনো মৌসুমে কয়রার অনেক এলাকায় ভয়াবহ নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ সকল এলাকায় দিন যতই পার হচ্ছে উপকূলীয় এলাকার মানুষ জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে ততই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকে জমি জায়গা হারিয়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি জমিয়েছেন।</p>
<p>দাতা সংস্থা ও জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলো পরিদর্শন করে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস কমাতে সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন। জলবায়ু ফান্ডের অর্থায়নে সরকার উপকূলীয় এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। দাতা সংস্থাগুলো এনজিওদের মাধ্যমে বাঁধ সংস্কার, কাঁচা রাস্তা নির্মাণ, ঝড় সহনশীল ঘর তৈরী, পয়নিস্কাশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন, গভীর অগভীর নলকূপ স্থাপন, রেইন ওয়াটার হার্ভেষ্টিং প্রকল্প বাস্তবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বেসরকারি অনেক সংস্থা দেশের উপকূলীয় বেশ কয়েকটি জেলার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ ঝড় জলোচ্ছাস জনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকে কিছুটা রেহাই পাবে। সম্প্রতি সরকারের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীর কিনার ড্যাম্পিং করে বেড়িবাঁধে ব্লক বসানোর কারনে নদী ভাঙন কিছুটা কমেছে। উপকূলীয় এলাকার বেড়িবাঁধ রক্ষায় বিশ্বব্যাংকের বাস্তবায়নাধীন চলমান প্রকল্প চালু থাকলে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারনে সৃষ্ট জলোচ্ছাসের ক্ষয়ক্ষতি থেকে এ অঞ্চলের জনসাধারনের জানমাল অনেকটা রক্ষা করা সম্ভব হবে।</p>
<p>জলবায়ু পরিবর্তনে উপকূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমতা ও ন্যায্যতা কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট ও জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত আবশ্যক। লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সরাসরি আর্থিক প্রণোদনা প্রদান। উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং লবণাক্ততা প্রতিরোধী সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা। বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি, লবণাক্ত সহনশীল কৃষি ও আধুনিক পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষের মাধ্যমে প্রান্তিক জেলে ও কৃষকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দেওয়া। আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং নারীদের জন্য নিরাপদ ও পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ।</p>
<p>বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিল বা লস অ্যান্ড ড্যামেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উপকূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সরাসরি আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় উপকূলজুড়ে মজবুত বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানির স্থায়ী ব্যবস্থা এবং নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন।  যেকোনো জলবায়ু নীতি ও অভিযোজন প্রকল্প প্রণয়নে স্থানীয় উপকূলীয় জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও প্রান্তিক মানুষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে হবে। লবণাক্ত জমিতে ফসল ফলানোর নতুন প্রযুক্তি জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি।</p>
<p>জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং বিশ্বমঞ্চে সোচ্চার হওয়ার মাধ্যমে এই ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.swnews24.com/37167/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মাগুরায় রাজিয়া হত্যা মামলায় হাসান শেখের মৃত্যুদণ্ড</title>
		<link>https://www.swnews24.com/37166</link>
		<comments>https://www.swnews24.com/37166#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>prokash</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.swnews24.com/37166</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/gfgfb321-thumbnail.jpg" alt="" /></span>মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার বহুল আলোচিত স্কুলছাত্রী রাজিয়া খাতুন (১৫) ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি হাসান শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন নিহত রাজিয়ার পরিবার। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে।
সোমবার (২০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মাগুরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.swnews24.com/cloud/archives/2026/07/gfgfb321-thumbnail.jpg" alt="---" />মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার বহুল আলোচিত স্কুলছাত্রী রাজিয়া খাতুন (১৫) ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি হাসান শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন নিহত রাজিয়ার পরিবার। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে।<br />
সোমবার (২০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মাগুরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।<br />
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ২০২২ সালের ১৭ মার্চ শ্রীপুর উপজেলার হাট শ্রীকোল গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাজিয়া খাতুনকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে আসামি হাসান শেখ তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে ধারালো ব্লেড দিয়ে গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে মরদেহ পাশের একটি বাঁশঝাড়ে ফেলে রেখে যায়।<br />
তিনি জানান, প্রথমে শ্রীপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা হয়। পরে সিআইডি ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত ও তদন্তের ভিত্তিতে হাসান শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। মামলায় ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।<br />
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আদালত হত্যাকারীর বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। এখন রাষ্ট্রপক্ষের প্রত্যাশা, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে রায়টি দ্রুত কার্যকর করা হবে।<br />
রায় ঘোষণার পর আবেগাপ্লুত রাজিয়ার মা দৈনিক নাগরিক প্রতিদিনকে বলেন, আমি এই রায়ে সন্তুষ্ট। আমার মেয়েকে আর ফিরে পাব না। এখন শুধু চাই, যেন এই মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর হয়।<br />
মামলার নথি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবসে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল ইউনিয়নের হাট শ্রীকোল গ্রামের বাসিন্দা ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাজিয়া খাতুন বাড়ির পাশের রসুনক্ষেতে গেলে নিখোঁজ হয়। পরদিন ১৮ মার্চ দুপুরে বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে কুমার নদের তীরবর্তী একটি বাঁশঝাড়ের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।<br />
আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে র‌্যাব, পুলিশ ও সিআইডি একযোগে কাজ শুরু করে। ঘটনার দুই দিন পর ১৯ মার্চ একই গ্রামের ফজলু শেখের ছেলে ও পেশায় নছিমনচালক হাসান শেখকে আটক করে র‌্যাব-৬। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানায় র‌্যাব।<br />
পরে ঘটনাস্থলে সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৬, যশোরের তৎকালীন কোম্পানি কমান্ডার জানান, রাজিয়াকে কৌশলে রসুনক্ষেত থেকে পাশের বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। পরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তদন্তে এ ঘটনায় হাসান শেখ একাই জড়িত বলে নিশ্চিত হওয়ার কথা জানায় তদন্ত সংস্থা।<br />
রাজিয়া হত্যাকাণ্ডের পর পুরো মাগুরাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। হাট শ্রীকোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও মানববন্ধন করে দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।<br />
দীর্ঘ চার বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের এ রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছে রাজিয়ার পরিবার। তবে তাদের একটাই প্রত্যাশা-শিশু রাজিয়ার নির্মম হত্যার বিচার যেন কেবল রায়েই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত কার্যকর করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে এমন নৃশংস অপরাধ করার সাহস আর কেউ না পায়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.swnews24.com/37166/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
