বৃহস্পতিবার ● ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা » আঞ্চলিক » মহম্মদপুরে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে সড়ক ; চরম ঝুঁকিতে ১০ হাজার মানুষ
মহম্মদপুরে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে সড়ক ; চরম ঝুঁকিতে ১০ হাজার মানুষ
মাগুরা প্রতিনিধি : সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ ও নদীর পানির প্রবল স্রোতে ইতিমধ্যেই রাস্তাটির একটি বড় অংশ ধসে নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। যার ফলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে এবং চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের দেউলী, যশোবন্তপুর ও কালিশংকরপুর হতে ঝামা যাওয়ার একমাত্র জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি তীব্র নদী ভাঙনের মুখে পড়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই রাস্তাটি ব্যবহার করে প্রতিদিন দেউলি, ঝামা, চরযশোমন্তপুর এবং বনগ্রাম আদর্শ গ্রামসহ প্রায় ৪টি গ্রামের ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। রাস্তাটি ভেঙে সংকুচিত হয়ে পড়ায় বর্তমানে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের পায়ে হেঁটে চলাই দুষ্কর হয়ে পড়েছে। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
বিশেষ করে এই রাস্তাটি ব্যবহার করে স্থানীয় ঝামা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দেউলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঝামা বরকাতুল উলুম ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন যাতায়াত করে। রাস্তাটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং অভিভাবকেরা সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।
ঝামা গ্রামের বাসিন্দা মো. শহিদুল বিশ্বাস বলেন, রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় আমাদের দুঃখের শেষ নেই। এলাকার কেউ হঠাৎ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি নেই। হাট-বাজারে কৃষিপণ্য নেওয়া যাচ্ছে না। সন্তানরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায়, যতক্ষণ তারা নিরাপদে বাড়ি না ফেরে ততক্ষণ আমাদের আতঙ্কে থাকতে হয়। আমরা অবিলম্বে এখানে টেকসই গাইড ওয়াল বা নদীর বাঁধ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।
পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান বলেন, এই রাস্তাটি আমাদের কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগের একমাত্র প্রধান মাধ্যম। রাস্তাটি নদীগর্ভে বিলীন হতে চলায় প্রায় ১০ হাজার মানুষ এখন কার্যত অবরুদ্ধ ও চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি বারবার অবহিত করেছি। অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে বা স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে রাস্তাটি রক্ষা করা না হলে পুরো এলাকার অর্থনৈতিক ও শিক্ষা ব্যবস্থা চরম সংকটে পড়বে।
স্থানীয় ভুক্তভোগী জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা এই জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি রক্ষার্থে এবং নদী ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
(ইউএনও) বেদবর্তী মিস্ত্রী বলেন, রাস্তাটির বর্তমান ভগ্নদশা এবং স্থানীয় জনসাধারণের চলাচলের এই চরম দুর্ভোগের চিত্রটি আমার নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের মাধ্যমে দ্রুতই জরুরি সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হবে। জনস্বার্থে রাস্তাটির স্থায়ী ও টেকসই সমাধানের জন্য উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।






নড়াইলে ঊষার আলো সূর্যসংঘের সম্মেলন ও কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত
পাইকগাছায় এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮; আহত ৪৯
পাইকগাছায় সরকারি রাস্তার পাশের ইজারার স্থাপনা সরিয়ে দিলো বিক্ষুব্ধ জনতা
নড়াইলে গা ঘেষে মসজিদ-মন্দিরের অবস্থান, সম্প্রীতির বন্ধনে প্রায় ৪৫ বছর ধরে চলছে দুর্গোৎসব
মাগুরায় আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ
পাইকগাছায় দুর্গা পূজা উপলক্ষে অসহায় হিন্দু জনগোষ্ঠীর মাঝে শাড়ী বিতারণ
পাইকগাছা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনে শৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশ্যে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত
দূর্গাপুজার মিটিংয়ে যাওয়া হলোনা ইউপি সদস্য চম্পক বিশ্বাসের
বর্ধিত পৌরকর প্রত্যাহার ও পৌরসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাগুরা গণ কমিটির মানববন্ধন ও সমাবেশ 