শিরোনাম:
পাইকগাছা, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

SW News24
শনিবার ● ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রথম পাতা » কৃষি » পাইকগাছায় বসতবাড়ির চালে চালে চুন সাদা চালকুমড়া শোভা পাচ্ছে
প্রথম পাতা » কৃষি » পাইকগাছায় বসতবাড়ির চালে চালে চুন সাদা চালকুমড়া শোভা পাচ্ছে
২৮ বার পঠিত
শনিবার ● ২৪ অক্টোবর ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পাইকগাছায় বসতবাড়ির চালে চালে চুন সাদা চালকুমড়া শোভা পাচ্ছে

---প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা ঃ খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাড়ির ঘরের চালে চালে চুন সাদা চালকুমড়া শোভা পাচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবেও চাষিরা এই চালকুমড়া চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া চালকুমড়া চাষের জন্য বেশ উপযোগী হওয়ায় দিন দিন এর জনপ্রিয়তা আরও বাড়ছে। এটি এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র ও সৌন্দর্যের এক দারুণ মেলবন্ধন।

চালকুমড়া চাষের জন্য আলাদা করে কোনো জমি চাষ করতে হয় না। ঘরের কোণে বা আঙিনার পতিত জায়গায় মাদা তৈরি করে বীজ বপন করা হয়। ঘরের কোণে বা আঙিনার সামান্য পতিত জায়গায় বীজ বুনে গাছটি সরাসরি ঘরের চালে তুলে দেওয়া হয়। ঘরের চালে এটি বড় হয় বলেই মূলত এর নাম হয়েছে চালকুমড়া।

সাধারণত জুন-জুলাই মাসের দিকে বাড়ির আঙিনায় বা ফাঁকা জায়গায় চালকুমড়ার বীজ রোপণ করা হয়। গাছের লতা যখন বড় হয়, তখন তা ঘরের চাল বা বাঁশের মাচায় তুলে দেওয়া হয়।এই সবজি চাষে খুব বেশি রাসায়নিক সার বা কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। সামান্য পরিচর্যা ও জৈব সার ব্যবহার করেই ভালো ফলন পাওয়া যায়। কম খরচ, বেশি লাভ।

চালকুমড়া আমাদের দেশের একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি। নিজের পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পর, উদ্বৃত্ত চালকুমড়া স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে অনেকেই বাড়তি আয় করছেন। পাইকগাছার স্থানীয় বাজারগুলোতে সারাবছরই এর ভালো চাহিদা ও দাম থাকে। যা গ্রামীণ পরিবারের প্রতিদিনের সবজির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দিচ্ছে।

চালকুমড়া একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি। এটি শরীরের মেদ ও ওজন কমাতে, ত্বক ও চুলের যত্নে এবং রক্তের সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে দারুণ সাহায্য করে। চালকুমড়া পরিপক্ব হওয়ার পর অনেকদিন পর্যন্ত ঘরে রেখে খাওয়া যায়। এছাড়া এটি দিয়ে গ্রামীণ ঐতিহ্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় কুমড়ো বড়ি  তৈরি করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, বিনা চাষে কম খরচে ঘরের চালে চাল কুমড়া ফলানো যায়।চালকুমড়া সবজি হিসাবে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কৃষকরা চালকুমড়া লাগিয়ে লাভবান হচ্ছে। বাড়ি কোনার পতিত জমি ফেলে না রেখে চালকুমড়া বা মিষ্টি কুমড়া লাগাতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

উন্নত ও হাইব্রিড জাতের বীজ ব্যবহারের ফলে প্রতিটি গাছ থেকেই প্রচুর পরিমাণে চালকুমড়া পাওয়া যাচ্ছে, যা স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে ভালো আয় হচ্ছে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)