শিরোনাম:
পাইকগাছা, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবণ ১৪২৮
SW News24
শনিবার ● ৩ জুলাই ২০২১
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়ে খোলা হবে স্কুল-কলেজ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়ে খোলা হবে স্কুল-কলেজ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী
৪৩ বার পঠিত
শনিবার ● ৩ জুলাই ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়ে খোলা হবে স্কুল-কলেজ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

 এস ডব্লিউ নিউজ:---   প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার দাবি উঠছে। কিন্তু আসল কথা হলো যাদের বাচ্চারা স্কুল-কলেজে যান, তারাই কিন্তু চাচ্ছেন না এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হোক। যাদের ছেলে-মেয়েরা যায় না, তারাই বেশি কথা বলছেন।’

স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পক্ষে যারা দাবি তুলেছেন, তাদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়েই স্কুল-কলেজ খুলতে চায় সরকার।জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে শনিবার সংসদ নেতার সমাপনী ভাষণে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার দাবি উঠছে। কিন্তু আসল কথা হলো যাদের বাচ্চারা স্কুল-কলেজে যান, তারাই কিন্তু চাচ্ছেন না এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হোক। যাদের ছেলে-মেয়েরা যায় না, তারাই বেশি কথা বলছেন। আমরা এরই মধ্যে শিক্ষকদের টিকা দিয়েছি। শিক্ষার্থীদেরও দিয়ে দেবো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্কুল বন্ধ আছে। কিন্তু পড়াশোনা যেন বন্ধ না হয়। আমরা সংসদ টিভিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছি।

‘শিক্ষার্থীদের একটু ক্ষতি হচ্ছে। টিকা দিয়েই আমরা স্কুল-কলেজ খুলে দেবো। লেখাপড়া শিখবে। কিন্তু জেনেশুনে এর জন্য একটি শিশুকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেবো কি না, সেটা চিন্তা করতে হবে।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী থাকায় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের ফলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এবতেদায়ি ও কওমি মাদ্রাসা আগামী মাসেও খুলছে না।

দেশে করোনা শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় তা বাড়ানো হয়।

করোনার সংক্রমণ বাড়ার মধ্যে জনগণের বাড়ি যাওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণকে গত ঈদে অনুরোধ করলাম, জায়গা ছেড়ে কোথাও যাবেন না। কিন্তু কেউ কেউ শোনেননি। করোনা ছড়িয়ে পড়ল। তখন সবাই শুনলে এমন ছড়াত না; এটাই বাস্তবতা। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি পাশে দাঁড়াতে। দলের পক্ষ থেকেও মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি। এমন কোনো খাত নেই, যেখানে আমরা সহযোগিতা করিনি।’

টিকার জন্য বাজেটে আলাদা বরাদ্দ রাখা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, ডোজ পাওয়া নিয়ে কোনো সংকট আর হবে না।

তিনি বলেন, ‘টিকা নিয়ে একটা সমস্যা দেখা দিয়েছিল। ভারতে করোনা মহামারি শুরুর পরে তারা রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এখন টিকা এসেছে। ফাইজারের যে টিকা এসেছে সেখানে শ্রমিকদের অগ্রাধিকার থাকবে। মর্ডানা ও সিনোফার্মের টিকা পৌঁছে গেছে। সিনোফার্মের ২০ লাখ টিকা আমরা কিনেছি। অন্যান্য যেখানেই টিকা পাওয়া যাচ্ছে, আমরা যোগাযোগ করছি। ক্রমে আরও টিকা নিয়ে আসবে। বাজেটে আলাদা টাকা রাখা আছে, টিকা নিয়ে সমস্যা হবে না।’

সরকারপ্রধান বলেন, দেশের ৮০ ভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে। আর সব টিকা দেয়া হবে বিনা মূল্যে। করোনা পরীক্ষাও বিনা মূল্যে করে দিয়েছি। টিকার ক্ষেত্রে প্রবাসী কর্মীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। বাজেটে টিকার জন্য পর্যাপ্ত টাকা রাখা হয়েছে। ৩২ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা আমরা বরাদ্দ রেখেছি। এর বাহিরেও ১০ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে রিজার্ভ।



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)