সোমবার ● ১৮ মে ২০২০
প্রথম পাতা » কৃষি » কেশবপুরে আমের বাম্পার ফলন
কেশবপুরে আমের বাম্পার ফলন

এম. আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর) প্রতনিধি:
যশোরের কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল জুড়ে হিমসাগর ল্যাংড়া গোবিন্দভোগ আমরূপালী গোপালভোগ সহ বিভিন্ন প্রজাতির আমের বাম্পার ফলন হওয়ায় এ অঞ্চলের আমাচাষীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। আবহাওয়া অনুকুরে থাকায় গত বছরের চেয়ে এবার প্রতিটি বাগানের আমের ভালো ফলন হওয়ায় আম চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে। ইতিমধ্যে চাষীর বাগানের গাছের আম পাঁকতে শুরু করেছে। বড় কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে সময় মতো আমচাষীরা তাদের গাছের আম বিক্রি করতে পারলে লাভের মুখ দেখতে পাবে বলে অধিকাংশ চাষীরা এমসটিই আশা করছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে আম চাষে আগ্রহী না থাকলেও উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় বারি আম, আমরূপালী, ফজলি, ল্যাংড়া, রাজভোগ ও গোপালভোগসহ বেশ কিছু উন্নত জাতের আম বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। অধিক লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছর বাগানের সংখ্যা বাড়ছে। বাজিতপুর গ্রামের আমচাষী নজরুল ইসলাম বলেন, বসত বাড়ির আঙ্গীনায় আম চাষ করে প্রতি বছরই বাগতি আয়ের উৎস হয়ে আছে। কৃষি অফিসের পরামর্শে আম চাষ করায় ভার ফলন হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসারা মহাদেব চন্দ্র সানা বলেন, কৃষকদের বাণিজ্যিকভাবে আম চাষে তেমন আগ্রহ না থাকলেও কৃষি অফিসেরবিভিন্ন পরামর্শের মাধ্যমে চাষীদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। যার ফলে এ বছরে ৫৫০ হেক্টর জমিতে আম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আমের বাম্পার ফলন হওয়ায় সে লক্ষমাত্রা অর্জিত হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।






পাইকগাছায় তীব্র শীতের মধ্যে বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত চাষিরা
রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়ায় নড়াইলে বোরো ধান রোপনের ধুম পড়েছে
মাগুরায় আপেল কুল চাষে ভাগ্যবদল পিকুল লস্করের
উন্মুক্ত মাঠে ছাগল চরিয়ে পালন করা লাভজনক
শীতকালে পাইকগাছায় রাস্তার পাশে গাছের উপর লতা জাতীয় সবজি চাষ জনপ্রিয় ও লাভজনক পদ্ধতি
কেশবপুরে পানি নিষ্কাশন বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধ অর্ধশত বিলে বোরো আবাদ অনিশ্চিত
মাগুরায় মধু চাষে বাজিমাত আলামিনের
তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় পাইকগাছায় বোরো আবাদ স্থবির হয়ে পড়েছে
তীব্র শীতে পাইকগাছার নারীরা ফসলের মাঠে
শ্যামনগরে লবণ সহনশীল কৃষি ফসল ও সবজি চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ 