শিরোনাম:
পাইকগাছা, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৮ অগ্রহায়ন ১৪২৯

SW News24
মঙ্গলবার ● ২৬ জুলাই ২০২২
প্রথম পাতা » চিত্রবিচিত্র » প্রেমের টানে ইতালি থেকে এসে ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ে
প্রথম পাতা » চিত্রবিচিত্র » প্রেমের টানে ইতালি থেকে এসে ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ে
১৫৩ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ২৬ জুলাই ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

প্রেমের টানে ইতালি থেকে এসে ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ে

প্রেমের টানে ইতালি থেকে টাকুরগাঁওয়ে এসে বিয়ে করেছেন ইতালিয়ান নাগরিক আলিসেন্ড্রা ছাছিয়া ছিয়ারোমোন্ডা।

সোমবার (২৫ জুলাই) রাতে সনাতন ধর্মের রীতি অনুসারে এ বিয়ে হয়। কনে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীর দিনমজুর মারকুস দাসের মেয়ে রত্না রানী দাস।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম ও চাড়োল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান দিলীপ কুমার রায়।

রত্নার বাবা মারকুস দাস বলেন, আমার এক ভাই ইতালি থাকেন। তার মাধ্যমেই জামাইয়ের সঙ্গে আমার মেয়ের পরিচয় হয়। তারপর মোবাইল ফোনে তাদের কথাবার্তা হয়। জামাই গতকাল দুপুর ১টায় বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর গতকালই আমাদের বাড়িতে আসে। ধর্মীয় সব আইনকানুন মেনে ধুমধাম করে তাদের বিয়ে দিয়েছি।

রত্না রানীর মা জানগি দাস বলেন, আমার দেবর তার পরিবার নিয়ে ইতালি থাকে। সেখান থেকে আমাদের প্রস্তাব দেয়। পরে প্রস্তাবের মাধ্যমে আমার মেয়েকে জামাই পছন্দ করে। পরে আমরা ধুমধাম করে এবং আয়োজন করে বিয়ে সম্পন্ন করেছি। আমার জামাই আমার মেয়েকে ইতালি নিয়ে যাবে। পরে আমরাও যাব।

রত্না রানী বলেন, সান্দ্রে সম্পর্কে আমার চাচা আমার মা-বাবাকে প্রস্তাব দেন। পরে তারা ইমুতে যোগাযোগ করেন। আমিও কথা বলি। একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়। চাচা আমাকে ইতালির কিছু ভাষা শিখিয়ে দিয়েছিলেন। সেগুলো দিয়ে তার সঙ্গে কথা বলি। তারপর গতকাল আমাদের বিয়ে হয়। সান্দ্রে অনেক ভালো মনের মানুষ। সে সবকিছু মানিয়ে নিতে চেষ্টা করছে। সেও আমাদের ভাষা শেখার চেষ্টা করছে।

আলী সান্দ্রে চিয়ারোমিন্তে বলেন, ইতালিতে রত্নার চাচার সঙ্গে আমি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। সেখানে দেখেছি তিনি অনেক সুন্দর দাম্পত্য জীবন পরিচালনা করেন। সেখান থেকেই আমি অনুপ্রাণিত হয়ে চাচা জোসেফকে বলি বাংলাদেশে বিয়ে করার কথা। তিনি রত্নার বিষয়ে আমাকে প্রস্তাব দেন। আমারও তাকে অনেক পছন্দ হয়। গতকাল এসে এখানে আয়োজন করে বিয়ে করেছি।

তিনি বলেন, আমার স্ত্রী ও তার পরিবার অনেক ভালো। তারা অনেক আন্তরিক ও ভালো মনের মানুষ। আমি আমার স্ত্রীকে আমার দেশে নিয়ে যাব। পাসপোর্ট ও ভিসা-সংক্রান্ত সব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি আমরা চলে যাব।

স্থানীয়রা বলেন, বিয়েতে অনেক আনন্দ করেছি। বিদেশ ইতালির যুবক আমাদের গ্রামে এসে বিয়ে করলেন। এটি অনেক বড় আনন্দের বিষয়। অন্যান্য বিয়ের চেয়ে এই বিয়েটি একটু ব্যতিক্রম। বিদেশ থেকে কেউ এসে বিয়ের ঘটনা গ্রামে এই প্রথম।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউপি চেয়ারম্যান দীলিপ কুমার চ্যাটার্জী বলেন,গতকাল বিয়ের মাধ্যমে তাদের প্রণয় ঘটে। আমি নিজেও বিয়েতে অংশগ্রহণ করেছিলাম। আমি তাদের আশীর্বাদ করি এবং মঙ্গল কামনা করি।

বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খায়রুল ইসলাম ডন বলেন, ইতালিয়ান নাগরিক এসে বিয়ে করেছেন। বিষয়টি জানতে পারা মাত্রই সেখানে সার্বিক নিরাপত্তা দিয়েছি।---





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)