বৃহস্পতিবার ● ৯ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা » ইতিহাস ও ঐতিহ্য » উপকূলে নদী পথে হাটে মাল বহনের বড় নৌকা ভরসা
উপকূলে নদী পথে হাটে মাল বহনের বড় নৌকা ভরসা
উপকূলীয় অঞ্চলে নদীপথে হাট-বাজারে পণ্য পরিবহনের জন্য বড় নৌকা ও ট্রলারই প্রধান এবং সাশ্রয়ী মাধ্যম। সড়ক ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কৃষিপণ্য ও দৈনন্দিন মালামাল আনা-নেওয়ায় বড় নৌকার কোনো বিকল্প নেই।
নদীমাতৃক বাংলাদেশে নদী পথে হাটে হাটে পণ্য বা মাল পরিবহনের জন্য কার্গো এবং বড় নৌকাই প্রধান ও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। বড় নৌকা বা কার্গো একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণ ভারী মাল বহন করতে পারে। বড় নৌকা ও ট্রলারে বিপুল পরিমাণ ধান, চাল, সার, ও মাছের মতো ভারী মালামাল একসঙ্গে বহন করা যায়। সড়ক পথের তুলনায় নদী পথে পণ্য পরিবহনের খরচ অনেক কম। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বড় বড় হাটগুলো সাধারণত নদীকেন্দ্রিক হওয়ায় সরাসরি মাল খালাস করা যায়।
নদীপথে হাট-বাজারে মালামাল পরিবহনের জন্য কার্গো বা বড় নৌকা আসলেই অত্যন্ত নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও ঐতিহ্যবাহী মাধ্যম। ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য বা কৃষিজাত সামগ্রী নদী পথে ঝাঁকুনি ছাড়াই নিরাপদে পৌঁছানো যায়। সড়কপথের তুলনায় নৌপথে মালামাল পরিবহনের খরচ কম হয়। কৃষি পণ্যসহ চাল, ডাল, সার, সিমেন্ট, ইট, বালু ও কয়লার মতো ভারী পণ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা সরাসরি নদীকেন্দ্রিক হাট-বাজারে নেওয়ার জন্য বড় নৌকার বিকল্প নেই।
দেশের অনেক প্রত্যন্ত ও চরাঞ্চল রয়েছে, যেখানে সরাসরি বড় ট্রাক বা লরি পৌঁছাতে পারে না। সেখানে বড় নৌকা বা কার্গোই মালামাল পৌঁছে দেওয়ার একমাত্র ভরসা।






বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের অন্যতম স্মারক সাতক্ষীরার ঐতিহাসিক দরবার স্তম্ভ
পাইকগাছার একটি উল্লেখযোগ্য এলাকা গদাইপুর
প্রত্যতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে ভাতের ভিটা সংরক্ষণের কাজ চলছে
বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জরাজীর্ণ জন্মভিটা সংস্কারের কাজ শুরু
বীরাঙ্গনা গুরুদাসী মাসী
আগাছা ও জঙ্গলে পরিপূর্ণ ‘শিল্পী এস এম সুলতান ঘাট’
মাগুরার বিনোদপুরে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত রাম বাবুর বাড়িটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে
কেশবপুর ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থাপনায় সমৃদ্ধ পর্যটনের লীলাভুমি
স্মৃতিচিহ্ন মুছে যাচ্ছে বাজারখোলা দোল মন্দিরের 