শিরোনাম:
পাইকগাছা, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮
SW News24
সোমবার ● ৫ জুলাই ২০২১
প্রথম পাতা » ইতিহাস ও ঐতিহ্য » কেশবপুরে মোগল সম্রাজ্যের ইতিহাস মির্জানগর হাম্মামখানা
প্রথম পাতা » ইতিহাস ও ঐতিহ্য » কেশবপুরে মোগল সম্রাজ্যের ইতিহাস মির্জানগর হাম্মামখানা
৩২ বার পঠিত
সোমবার ● ৫ জুলাই ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কেশবপুরে মোগল সম্রাজ্যের ইতিহাস মির্জানগর হাম্মামখানা

---

এম.আব্দুল করিম, কেশবপুর থেকে :

যশোরের কেশবপুরে পর্যটকদের দর্শনীয় স্থান মোগল সম্রাজ্যের ইতিহাস মির্জানগর জমিদার বাড়ি ও হা¤ম্মখানা অযতেœ তার শ্রী হারতে বসেছে। মোগল সম্রাজ্যের চতুর্থতম সম্রাট জাহাঙ্গীরের (শিক্ষক) ওস্তাদ সৈয়দ মোহাম্মদ ফাকের যশোর জেলার কেশবপুরে মির্জানগর গ্রামে বসবাস করতেন। ৩৬৮বছর পুর্বে ১৬৪৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম যশোরে ফৌজদারী কার্যক্রম শুরু হয়। তখন সম্রাট জাহ্ঙ্গাীরের নিকটতম আত্মীয় ও বাংলার সুবেদার শাহ শুজার শ্যালকপুত্র  মির্জা সফসি খাঁন পারস্য রাজ বংশে যার জন্ম। তিনি যশোরের প্রথম ফৌজদার (ডিসি) হিসাবে যোগদান করেন। যশোর জেলার মির্জানগরে মোগল সম্রাজ্য পরিচালনার জন্য সেরেস্থা থাকায় তিনিও এখানে থাকতেন। মির্জা বংশের কোন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এখানে থেকে ফৌজদারী কার্যক্রম পরিচালনা করার কারণে তারই নামে নামকরণ করা হয় মির্জানগর। সেই থেকে গ্রামটি মির্জানগর নামে প্রসিদ্ধ হয়। সেই মির্জানরে অবস্থিত ৩’শ ৬৩ বছরের প্রাচীন স্থাপত্য হাম্মামখানা ভ্রমন পিয়াসীদের জন্য একটি দর্শনীয় ও আকর্ষনীয় স্থান। সরকারি ভাবে প্রতœতত্ত্ব বিভাগের উপর মির্জানগর হাম্মামখানাটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব প্রদান করা হলেও সংস্কারের ব্যবস্থা না করায় সরকার বঞ্চিত হচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব থেকে। যশোর শহর থেকে ৩০ কিঃ মিঃ দুরত্বে অবস্থিত কেশবপুর উপজেলা সদর। আর কেশবপুর থেকে মাত্র ৭ কিঃ মিঃ পশ্চিমে কপোতাক্ষ ও বুড়িভদ্রা নদীর মোহনায় মির্জানগর গ্রামে অবস্থিত হাম্মামখানাটি। তার পাশ্বে রয়েছে জমিদাদের উত্তরসুরী সৈয়দ বংশধর জীবিত। রয়েছে মোগল সম্রাজ্যের বংশ পরমপরার জমিদার বাড়ীর ভগ্নাংশ। চার কক্ষ বিশিষ্ট এবং একটি কুপ সহ হাম্মাম খানাটি মোগল স্থপত্য শৈলীর অনুকরনে নির্মিত হয়। স্থাপনাটি চার গম্বুজ বিশিষ্ট এর পশ্চিম দিকে পরপর দু’টি কক্ষ। পূর্ব দিকের কক্ষ দু’টি উচু চৌবাচ্চা হিসাবে ব্যবহার করা হত বলে জনশ্রুতি রয়েছে। পূর্ব পাশে দেয়াল বেস্টনীর ভেতরে রয়েছে ৯ফুট ব্যাসের পোড়া মাটির ইটের তৈরি র্নিমিত সুগভীর কুপ যে কুপ হতে পানি টেনে তুলে এক ছাদের দু’টি চৌবাচ্চায় জমা করে রোদ্রে গরম করে স্নান কক্ষে সরবরাহ করা হত। দক্ষিন পাশ্বে একটি চৌবাচ্চা এবং সুড়ঙ্গ রয়েছে যা তোষাখানা ছিল বলে ধারনা করা হয়। ১৯৯৬ সালে প্রতœতত্ত্ব বিভাগ হতে এটিকে পুরা র্কীতি হিসাবে ঘোষনা করা হয়। সারা বছরই হাম্মামখানায় দর্শনার্থীদের ভীড় লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটক ও ভ্রমণ পিয়াসী মানুষ ছুটে আসেন হাম্মামখানা দেখতে। এবিষয়ে প্রতœতত্ত্ব বিভাগের রিজিওনাল ডিরেক্টর (আর,ডি) আফরোজা খাঁন মিতা বলেন সম্প্রতি অনেক সংস্কার করা হয়েছে। প্রতœতত্ত্ব বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাগরদাড়ী মধুপল্লীর  কাষ্টোডিয়ান আইরিন পারভীন বলেন হাম্মামখানার দর্শনার্থীদের বিনোদনের উপযোগি করে সংস্কার করা হয়েছে।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)