শিরোনাম:
পাইকগাছা, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

SW News24
সোমবার ● ২৫ মার্চ ২০২৪
প্রথম পাতা » লাইফস্টাইল » দেশে অবিবাহিত সংখ্যা বাড়ছে ; কখনো বিয়ে না করা নারী ২১.৭ পুরুষ ৩৫.৮ শতাংশ
প্রথম পাতা » লাইফস্টাইল » দেশে অবিবাহিত সংখ্যা বাড়ছে ; কখনো বিয়ে না করা নারী ২১.৭ পুরুষ ৩৫.৮ শতাংশ
৩৩৬ বার পঠিত
সোমবার ● ২৫ মার্চ ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

দেশে অবিবাহিত সংখ্যা বাড়ছে ; কখনো বিয়ে না করা নারী ২১.৭ পুরুষ ৩৫.৮ শতাংশ

---বাংলাদেশে অবিবাহিত নারী-পুরুষের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নারীর তুলনায় পুরুষের অবিবাহিত থাকার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রাপ্তবয়স্ক ও বিবাহযোগ্য পুরুষের একটি বড় অংশ এখনো অবিবাহিত।

পড়াশোনা শেষ করে কর্মজীবনে স্থিতিশীল হওয়ার ইচ্ছা, অর্থনৈতিক সংকট এবং সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে অনেকে বিলম্বে বিয়ে করছেন। এছাড়া ক্যারিয়ার সচেতনতার কারণে নারীদের মধ্যেও বিয়ের বয়স পিছিয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

প্রাপ্তবয়স্ক হলেও এখনো ৩৫ দশমিক ৮ শতাংশ পুরুষ অবিবাহিত। এদের কখনো বিয়ে হয়নি। এটি ২০২৩ সালের অবস্থা। ২০২২ সালেও ছিল একই চিত্র।
অন্যদিকে বর্তমানে ২১ দশমিক ৭ শতাংশ নারীর কখনো বিয়ে হয়নি। ২০২২ সালে এর হার ছিল ২১ দশমিক ৯ শতাংশ। অর্থাৎ বিয়ের দিক থেকে পুরুষের চেয়ে এগিয়ে নারীরা।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সদরদপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স ২০২৩ ফলাফল প্রকাশ হয়। যাতে উঠে আসে এসব তথ্য।
এছাড়া মৃত্যুহারের বিষয়ে বলা হয়, নারীর থেকে পুরুষের মৃত্যুর হার বেশি। ২০২৩ সালে প্রতি হাজারে পুরুষের মৃত্যুর হার ৬ দশমিক ১ শতাংশ। আর সেখানে নারীর ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, দেশে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব এক হাজার ১৭১ জন। প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯ দশমিক ৪, যা ২০২২ সালে ছিল ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ। সন্তান প্রসবের বিষয়ে বলা হয়, ২০২২ সালে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সন্তান প্রসবের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৬ শতাংশ। যা কমে এখন হয়েছে ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ। অর্থাৎ অস্ত্রোপচারে (সিজার) প্রসবের হার উলে­খযোগ্য ভাবে বেড়েছে। এর হার ২০২২ সালে ছিল ৪১ দশমিক ৪ শতাংশ। যেটা ২০২৩ সালে এসে ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পুরুষদের প্রথম বিয়ের গড় বয়স ২৪ দশমিক ২ বছর। আর নারীদের ১৮ দশমিক ৪ বছর। প্রতি হাজার জনসংখ্যায় অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পল­ীতে আগমনের হার ২০ দশমিক ৪ এবং শহরে আগমনের হার ৪৩ দশমিক ৪। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অভিগমন প্রতি হাজারে ৬ দশমিক ৬১ জন থেকে উলে­খযোগ্য ভাবে বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৭৮ জন।

অবিবাহিত সিলেটে বেশি, রাজশাহীতে কম। বিভাগের হিসাবে অবিবাহিত মানুষের হার সবচেয়ে বেশি সিলেটে। এ বিভাগের প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৫৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ পুরুষ ও ৪৪ দশমিক ৯১ শতাংশ নারী এখনো বিয়ে করেননি। বয়স হওয়ার পরও বিয়ে না করার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে চট্টগ্রাম বিভাগ। এ বিভাগের ৫৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক এখনো বিয়ে করেননি। রাজশাহী বিভাগে অবিবাহিত সবচেয়ে কম। এ বিভাগের ৪৩ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ পুরুষ এখনো অবিবাহিত রয়েছেন। রাজশাহীর পর অবিবাহিত পুরুষের হার সবচেয়ে কম খুলনা ও রংপুরে। তবে অবিবাহিত নারীর হার সবচেয়ে কম খুলনা বিভাগে।

বিয়ের বাজারে পুরুষ ও নারীর অনুপাতেও কিছু পার্থক্য দেখা যায়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশে বিবাহযোগ্য প্রাপ্তবয়স্ক অবিবাহিত নারী-পুরুষের মোট সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৬২ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ প্রায় ২ কোটি ৯ লাখ, যেখানে নারীর সংখ্যা মাত্র ৫৩ লাখ। এই বিশাল ব্যবধানের কারণেও অনেক পুরুষ সঙ্গী খুঁজে পেতে বা বিয়ে করতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন।





আর্কাইভ