বৃহস্পতিবার ● ১৪ মে ২০২৬
প্রথম পাতা » ব্যবসা-বাণিজ্য » ২০ মন ওজনের গরু কালুকে নিয়ে বিপাকে খামারি
২০ মন ওজনের গরু কালুকে নিয়ে বিপাকে খামারি
মাগুরা প্রতিনিধি :মাগুরা সদর উপজেলার কছুন্দি ইউনিয়নের বাগবাড়িয়া গ্রামের খামারি মমিন মুন্সি সন্তানের মত লালন-পালন করা “কালু” নামের গরুটিকে নিয়ে পড়েছেন বিপাকে। পরম যত্নে পালিত গরুটিকে এবারের ঈদ-উল-আযহার আগেই গরুটি বিক্রির চিন্তা ভাবনা রয়েছে। গরুটিকে দেখতে ও কেনার জন্য অনেক ক্রেতা তার বাড়িতে ভীড় জমালেও কাঙ্খিত মূল্য না পাওয়ায় গরুটি বিক্রি হয়নি। ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ওই খামারির চিন্তা ভাবনা ততই বেড়ে যাচ্ছে।খামারি মমিন মুন্সি বলেন, গত ৩ বছর ধরে কালুকে সন্তানের মত লালন-পালন করেছি। পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে তিনি এই গরুটি বিক্রি করবো। গরুটি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার লোকজন আসছেন দামও দিচ্ছেন। তবে আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় এখন পর্যন্ত বিক্রি হয়নি গরুটি। ৫ ফুট উচ্চতা ও ১০ ফুট লম্বা এই ষাঁড়টির ওজন প্রায় ২০ মণ। গরুটি দেখতে কালো বর্ণের হওয়ার আদর করে ওর নাম দিয়েছেন ‘কালু’। কাঁচা ঘাস, খৈল, ভুষি, ভুট্টা, ডালের গুড়া, খড়, চিটাগুড় খাওয়াইয়ে প্রাকৃতিকভাবে গরুটি লালন-পালন করেছি।দেশের বর্তমান পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকা বা চট্টগ্রাম বিক্রির জন্য নেওয়ায় সম্ভব হচ্ছে না।তিনি আরো বলেন, ৩ বছর ধরে ষাঁড়টি লালন পালন করতে আমার প্রচুর টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন ষাঁড়টির পেছনে আমার ৮’শ টাকা খরচ হয়। আমি বর্তমান বাজার মূল্যে গরুটি বিক্রি করবো। বাজারে নেওয়া সম্ভব না তাই গরুটিকে বাড়িতে রেখেই বিক্রি করতে হবে। তবে গরুটি কেউ কিনতে চাইলে আমার ০১৭২৮-৩৩৯৩৪৫ নাম্বারে যোগাযোগ করবেন। বাগবাড়িয়া গ্রামের রাজু আহম্মেদ বলেন, গরুটি অনেক বড়। মমিন মন্সি ও তার পরিবারের লোকজন অনেক কষ্টে গরুটি লালন-পালন করেছেন। তিনি যদি এই গরুটি এখন ভালো দামে বিক্রি করতে না পারেন তাহলে তিনি ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।






প্রাকৃতিক চাকের মধু বিক্রি করে মৌয়াল বারিকের জীবন জীবিকা
মাগুরায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির হাট; ক্রেতাদের চাহিদা বড় গরুতে
পাইকগাছায় ঈদের আগে অস্থির মসলার বাজার
চুইঝালের চাহিদার সঙ্গে বেড়েছে দামও
পাইকগাছায় মাংস কাটার কাঠের খাইট্টার চাহিদা বেড়েছে
পাইকগাছায় গরমে তাল শাঁসের চাহিদা বেড়েছে
লোডশেডিং ও তীব্র গরমে বেড়েছে সবজির দাম
মাগুরায় শেষ মুহূর্তে ঈদ বাজার জমজমাট
ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ততা বেড়েছে গ্রামের দর্জি দোকানে 