শিরোনাম:
পাইকগাছা, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২

SW News24
সোমবার ● ২৩ মার্চ ২০২৬
প্রথম পাতা » প্রকৃতি » কদবেল গাছের হালকা ফিকে লাল বর্ণের সুগন্ধি ফুল
প্রথম পাতা » প্রকৃতি » কদবেল গাছের হালকা ফিকে লাল বর্ণের সুগন্ধি ফুল
২২ বার পঠিত
সোমবার ● ২৩ মার্চ ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কদবেল গাছের হালকা ফিকে লাল বর্ণের সুগন্ধি ফুল

---কদবেল গাছের ফুল সাধারণত সাদা বা ফিকে লাল রঙের হয়। ফুল সাধারণত আকারে ছোট এবং মৃদু সুগন্ধিযুক্ত হয়ে থাকে। প্রতিটি ফিকে লাল বা সাদা ফুলে সাধারণত পাঁচটি করে পাপড়ি থাকে। এই ফুলগুলো বেশ ক্ষুদ্র হয় এবং থোকায় থোকায় ফুটে থাকে। সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে কদবেল গাছে ফুল ফোটে। ফুল ফোটার কয়েক মাস পর অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ফল পাকতে শুরু করে।

বেল জাতীয় ফলের মধ্যে কদবেল খুবই জনপ্রিয়। কদবেল গাছ একটি পর্ণমোচী বা পাতাঝরা বৃক্ষ এবং এর কাঠ বেশ শক্ত হয়। এই গাছের পাতাগুলো অনেকটা কামিনী ফুলের পাতার মতো এবং এতে ছোট ছোট শক্ত কাঁটা থাকে।

কদবেল গাছ ১২-১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। বেশ শক্ত ধরনের পত্রঝরা বৃক্ষ। পাতা দেখেতে অনেকটা কামিনী ফুলের পাতার মত। পত্রদন্ডের দুদিক ৫/৭ টি করে পাতা থাকে। গাছে ছোট, সোজা ও শক্ত কাঁটা থাকে। ফল ছোট বেলের মত। ক্রিকেট বলের চেয়ে বড়, ব্যাস ৬.২৫ সে.মি., উপরিভাগ সাদা, ফল পাকলে কালচে বর্ণের হয়।

ফলের বীজ হৃদরোগে কার্যকরী। রক্ত আমাশয়ে কদবেলের আঠা মধুসহ খেলে বিশেষ উপকার হয়। পাকা ফল দাঁতের মাড়ি ও গলার ঘায়ে ব্যবহৃত হয়। পাতা- পেট ফাঁপা, অজীর্ণ ও পেটের অন্য কোন দোষ হলে ব্যবহৃত হয়। ফলের শাঁস- কাশি, হাঁপানি ও যক্ষা রোগে উপকারি এবং কদবেল উদ্দীপক, মুত্রবর্ধক, বলকারক ও যৌনশক্তি বর্ধক গুণ রয়েছে।

কদবেলের আদি নিবাস বাংলাদেশ, ভারত এবং শ্রীলঙ্কা। এই প্রজাতিটির চাষ ইন্দোচীন এবং মালয়েশিয়াতেও চালু করা হয়েছে। বারোমাসি কদবেল বা এর কলমের গাছের ৬ থেকে ১ বছরের মধ্যেই ফল ধরে। থাই বারমাসি কদবেল গাছ/চারা, বছরে দু বার ফলন দেয়।

কদবেলের শাঁস গুড়ের সাথে মিশিয়ে চাটনি তৈরি করা হয়। কৎ বেলের শাঁস থেকে ফলের রস তৈরি করা হয়। শাঁস থেকে জ্যাম তৈরি হয়। পাকা ফলে কেবল সবুজ মরিচ, চিনি এবং লবণ ছড়িয়ে আচার হিসাবে ব্যবহার হয়।





আর্কাইভ