শিরোনাম:
পাইকগাছা, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

SW News24
মঙ্গলবার ● ২৬ মে ২০২৬
প্রথম পাতা » মুক্তমত » ঈদের পশুর হাট থেকে সঠিক পশুটি চেনা এবং কেনা বেশ কঠিন
প্রথম পাতা » মুক্তমত » ঈদের পশুর হাট থেকে সঠিক পশুটি চেনা এবং কেনা বেশ কঠিন
১৮ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ২৬ মে ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ঈদের পশুর হাট থেকে সঠিক পশুটি চেনা এবং কেনা বেশ কঠিন

---কম বাজেটে, তাড়াহুড়ো এবং দালালের ভিড়ের মধ্যে ঈদের পশুর হাট থেকে সঠিক পশুটি চেনা এবং কেনা বেশ কঠিন।ঈদের পশুর হাটে বাজেট কম, তাড়া আছে ও পাশে দালালের চোখ। এই তিনে ক্রেতার ভোগান্তি বাড়ে।

কোরবানির ঈদের আগের দিনগুলোতে পশুর হাটের একটা আলাদা আমেজ থাকে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মানুষের স্রোত। কোথাও গরুর দড়ি ধরে টানাটানি, কোথাও দাম নিয়ে তর্ক, কোথাও ছোট ছেলেমেয়ে ছাগলের পেছনে ছুটছে। পরিবার নিয়ে হাটে যাওয়াটাই অনেকের কাছে ঈদের একটা অংশ।

ঈদের হাটে সীমিত বাজেটে ও সময়ের অভাবে দালালদের খপ্পর এড়াতে সরাসরি খামার বা স্থায়ী বাজার থেকে কেনাই সবচেয়ে নিরাপদ। হাটের ভিড় ও দালালের চোখ এড়াতে আপনার এলাকার পরিচিত বা বিশ্বস্ত খামার থেকে পশু কিনতে পারেন। এতে দরদাম ও সময় দুটোই বাঁচে।

পশুর হাটে কোনো পশুর প্রতি অতিরিক্ত আগ্রহ বা দুর্বলতা দেখাবেন না। দালালরা ক্রেতার চোখের ভাষা বোঝে। অভিজ্ঞ বা চতুর অন্তত একজনকে সাথে রাখুন, যিনি দালাল সামলাতে বা দামাদামি করতে দক্ষ। হাটে একাধিক লোক নিয়ে না ঘুরে ২-৩ জন যান। দালালরা সাধারণত একা বা অল্পবয়সী ক্রেতাদের টার্গেট বেশি করে। আপনার পছন্দের গরুটির অনেক কম দাম না বলে নিজের বাজেটের একটু কম বলে আলোচনা শুরু করুন। অনেক কম দাম বললে এতে ব্যাপারী রাগ করতে পারেন এবং দালালরা সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে।

ঈদের পশুর হাট থেকে সুস্থ ও সঠিক পশু চেনা সত্যিই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। হাটের ভিড় এবং বিক্রেতাদের কথার মাঝে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হলেও কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখে আপনি নিজেই একটি ভালো পশু নির্বাচন করতে পারবেন। সুস্থ পশু সবসময় কান নাড়াচাড়া করে এবং চারপাশ খেয়াল করে। সুস্থ পশু মুখ সচল রাখে এবং জাবর কাটে। নাকের ওপরের অংশ ভেজা বা স্নিগ্ধ থাকবে। চোখ হবে উজ্জ্বল, পরিষ্কার এবং কোনো ময়লা বা পানি থাকবে না। পশুর শরীরের চামড়া মসৃণ এবং লোম চকচকে হবে। অতিরিক্ত মোটা বা ফোলা পশু এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা হতে পারে।

পাইকার বা আসল মালিকের সাথে সরাসরি দামদর করুন, মাঝখানের কাউকে কথা বলতে দেবেন না। দাম না মিললে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট না করে চলে যাওয়ার ভান করুন। পশুটি যদি বিক্রি করার মতো দামে আপনার বাজেটের কাছাকাছি থাকে, বিক্রেতা আপনাকে পেছন থেকে ডেকে নেবে।

তবে এই উৎসবের আমেজের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে বেশ কিছু ফাঁদ।পশুর সামনে গিয়ে একটু শব্দ করুন বা ইশারা করুন। সুস্থ পশু কান নাড়াবে, দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাবে এবং সোজা হয়ে দাঁড়াবে। অসুস্থ পশু চেনা ও ভিড়ের মধ্যে পকেট হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টা নতুন নয়। হাটে গিয়ে স্বাস্থ্য ভালো গরু দেখলে মন টলে যায়। এই মুহূর্তের আবেগেই অনেকের আর্থিক হিসাব এলোমেলো হয়ে যায়। এই ঝামেলাগুলো এড়ানো কঠিন নয়, শুধু হাটে ঢোকার আগে একটু প্রস্তুতি দরকার।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)