শিরোনাম:
পাইকগাছা, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

SW News24
বুধবার ● ২৭ মে ২০২৬
প্রথম পাতা » খেলা » হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলা
প্রথম পাতা » খেলা » হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলা
১৮ বার পঠিত
বুধবার ● ২৭ মে ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলা

---আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে জনপ্রিয় সব গ্রামীণ খেলাধুলা। গ্রামীণ খেলাধুলা বলতে আবহমানকাল ধরে চলে আসা গ্রামীণ জনপদের লোকজ ও ঐতিহ্যবাহী খেলাকে বোঝায়, যা শারীরিক কসরত, আনন্দ এবং সামাজিক মেলবন্ধনের মাধ্যম। আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক খেলা বিলুপ্তির পথে হলেও, আজও এগুলো বাঙালি সংস্কৃতির এক অমূল্য অংশ হিসেবে টিকে রয়েছে।

বাংলাদেশের গ্রামবাংলায় বিভিন্ন সময়ে বহু ঐতিহ্যবাহী খেলা খেলা হতো, এর মধ্যে কানামাছি, দাঁড়িয়াবান্ধা, ডাংগুটি,  গোল্লাছুট, চারগুটি, লাঠি খেলা, লং জাম্প, মোরগ যুদ্ধ, ঘুড়ি ওড়ানো ইত্যাদি। এসকল খেলা দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততা ও এবং আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্রযুক্তির দাপটে গ্রামীণ এসব খেলাধুলার দিনদিন বিলুপ্ত হতে হতে অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়াই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তির কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে গোটা বিশ্ব। কিন্তু হারিয়ে গিয়েছে আমাদের দেশের গ্রামীণ বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্য ও বিনোদনমূলক এসব খেলা।

আধুনিক সভ্যতার ছোঁয়ায় ও প্রযুক্তির বিকাশে ইতিহাস থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে জনপ্রিয় গ্রামীণ সব খেলাধুলা। সময়ের বিবর্তনে মাঠ, বিল-ঝিল ভড়াট হয়ে প্রতিনিয়ত হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী এসব খেলাধুলা। এক সময় গ্রামবাংলার ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা ও বয়স্ক ব্যক্তিরা তাদের নানান কর্মব্যস্ততার ফাঁকে বিভিন্ন ধরনের খেলা করে সময় কাটাতেন। অবসরে দলবেঁধে খেলতো নানা প্রকারের খেলা। বাড়ির উঠান থেকে শুরু করে রাস্তা, আনাচে-কানাচে, খোলা মাঠে খেলা জমে উঠত।

জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে দিন দিন খেলার মাঠের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। স্কুল-কলেজে বছরে কয়েকদিনের জন্য ক্রীড়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করে, পরে আর কোন খেলার আয়োজন চোখে পড়ে না। বর্তমান প্রজন্মের শিশুদের মোবাইল আসক্তি কমাতে হলে, গ্রামীণ  এ সব খেলাধুলার প্রতি  তাদের আগ্রহ বাড়াতে হবে। শিক্ষক থেকে শুরু করে পরিবার, সবারই উচিৎ  গ্রামীন ঐতিহ্যবাহী এসব খেলাধুলার প্রতি তাদের উৎসাহিত করা।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)