সোমবার ● ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা » শিক্ষা » পাইকগাছায় আলহেরা দাখিল মাদ্রাসায় কোন শিক্ষার্থী না থাকলেও শিক্ষক -কর্মচারী রয়েছে ১৭ জন
পাইকগাছায় আলহেরা দাখিল মাদ্রাসায় কোন শিক্ষার্থী না থাকলেও শিক্ষক -কর্মচারী রয়েছে ১৭ জন
খুলনার পাইকগাছায় একটি দাখিল মাদ্রাসায় কোন শিক্ষার্থী না থাকলেও শিক্ষক -কর্মচারী রয়েছে ১৭ জন। শিক্ষার্থীবিহীন আলহেরা দাখিল মাদ্রাসার শ্রেণী কক্ষগুলো রাতে বসে মাদকের আড্ডা, দিনে ছাগল গরু বিচারণ করে। ইটের তৈরী ভাংগাচোরা শ্রেণী কক্ষগুলোতে রাতে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের আড্ডা বসে, দিনে গোয়াল ঘর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। দির্ঘদিন মাদ্রাসার কোন কার্যক্রম না থাকায় দানীয় জমি ফেরৎ চেয়ে ইউএনও দপ্তরে আবেদন করেছে দাতারা।
উপজেলার দক্ষিণ সোনাতন কাটি গ্রামে ১৯৯৮ সালে ৩২ শতক জমির উপর সোনাতনকাটি আলহেরা দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসার জন্য স্থানীয় রেখা বেগম, আনোয়ারা বেগম ও আকবর মোড়ল সম্পত্তি দান করেন। শর্ত ছিলো শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে জমি দাতা বা তাঁদের উত্তরাধিকারীদের কাছে ফেরত যাবে। জমিদাতা আকবর মোড়ল জানান, কয়েকবছর মাদ্রাসা ভালভাবে ছলছিলো। কিন্তু সুপারিন্টেন্ডেন্টের নানাবিধ অনিয়ম, দুর্নীতির কারণে মাদ্রাসাটি শিক্ষার্থী শুন্য হয়ে পড়েছে। ২০১১ সাল থেকে কোন ক্লাসে একজনও শিক্ষার্থী নেই। নেই কোন শ্রেণী কক্ষ বা শিক্ষা উপকরণ। এদিকে ২০০১ সালে সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ শাহ মোহাঃ রুহুল কুদ্দুস মাদ্রাসা উদ্ধোধন করেন এবং আর্থিক অনুদানও প্রদান করেন। তবে জাল জালিয়াতি করে সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছেন এমনটি জানালেন স্থানীয়রা। এর মধ্যে প্রতি বছর সরকার প্রদত্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা বই চাহিদা দিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে নিয়ে থাকেন। চলতি বছর চাহিদা দিয়ে ছিলেন ২২৫ সেট। তারা পেয়েছেন প্রাক প্রাথমিক সহ পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত প্রতি শ্রেণীতে ১৫ সেট করে, দাখিল ৬ ষ্ট শ্রেণী থেকে দাখিল দশম শ্রেণী পর্যন্ত প্রতি শ্রেণীতে ১০ সেট করে। এবিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মীর নুরে আলম জানান, যেহেতু নন এমপিও প্রতিষ্ঠান। তাদের বইয়ের চাহিদা আরও বেশি ছিলো কিন্ত কম দেয়া হয়েছে। উপবৃত্তির টাকা ও পেয়ে আসছেন। কিন্তু কিভাবে পাচ্ছেন এ জিজ্ঞাসা সকলের। এবিষয়ে সহকারী শিক্ষিকা সুপারিন্টেন্ডেন্ট আজগার আলীর স্ত্রী রাশিদা খাতুন বলেন, মাদ্রাসা থেকে প্রতি বছর দাখিল পরীক্ষা দেয়া হয়। এবছরও পরীক্ষা দিয়েছে। সম্প্রতি বেলা ১১ টার দিকে মাদ্রাসা হয়ে সুপারিন্টেন্ডেন্টের বাড়ীতে সরজমিনে গেলে তার স্ত্রী সহকারী শিক্ষিকা রাশিদা খাতুনকে তার বাড়ীতে ধান শুকাতে দেখা যায়। তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলে আমি এই মাত্র ক্লাস নিয়ে আসলাম। অতচ মাদ্রাসার শ্রেণী কক্ষগুলোতে গোখাদ্য ও ছাগল বাধা ছিলো। কোন অফিস খুঁজে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দা প্রভাষক শফিয়ার রহমান জানালেন, এতো জালিয়াতি ও দুর্নীতি আমি কোন প্রতিষ্ঠানে দেখিনি। এখানে যা কিছু বরাদ্দ হয় সবই স্বামী ও স্ত্রী আত্মসাৎ করেন। জমি দাতা আকবর মোড়ল বলেন, যেহেতু আমরা মাদ্রাসা করার জন্য জমি দান করছিলাম কিন্তু সেখানে ছেলে মেয়ে নেই যুগযুগ ধরে। একারণে আমাদের জমি ফেরৎ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেছি।
সুপারিন্টেন্ডেন্ট আজগর আলীর সাথে মুঠোফোন কয়েকবার ফোন করার পর একবার রিসিভ করে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মোবাইল ফোন কেটে দেন। এরপর থেকে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, এমনও প্রতিষ্ঠান পাইকগাছায় আছে! খোজ খবর নিয়ে বিষয়ে গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।






পাইকগাছায় ৭ম উপজেলা স্কাউট সমাবেশ অনুষ্ঠিত
নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৭ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা
পাইকগাছার গড়ইখালী আলমশাহী ইনিস্টিউটের নব গঠিত অ্যাডহক কমিটির সংবর্ধনা প্রদান
পাইকগাছায় প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
পাইকগাছায় উৎসব মুখর পরিবেশে সব কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন
পাইকগাছায় ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজে নবীনবরণ ও একাদশ শ্রেণির উদ্বোধনী ক্লাস
বদলে যাচ্ছে দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজের চিত্র, ফিরছে খেলাধুলা ও শিক্ষার পরিবেশ
মাগুরায় ২৬ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে হাবিবুল্লাহ বিশ্বাস ফাউন্ডেশন
পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেধা বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা
বদলে গেছে ঐতিহ্যবাহী শ্রীপুরের দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজের চিত্র 