বুধবার ● ৫ জানুয়ারী ২০২২
প্রথম পাতা » কৃষি » পাইকগাছায় জমির মালিকরা চিংড়ি ও ধান চাষের পক্ষে প্রশাসনের নিকট স্মারক লিপি প্রদান!
পাইকগাছায় জমির মালিকরা চিংড়ি ও ধান চাষের পক্ষে প্রশাসনের নিকট স্মারক লিপি প্রদান!
এস ডব্লিউ;
পাইকগাছায় ২১ নং পোল্ডারের ১ হাজার জমির মালিক লবন পানির চিংড়ি চাষের পাশাপাশি ধান চাষের পক্ষে মতামত দিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্বরক লিপি দিয়েছেন। বুধবার দুপুরে জমির মালিকরা উপজেলা পরিষদে হাজির হয়ে এ স্মারক লিপি দেন। এ সময় জমির মালিকরা বলেন, ৪ নং দেলুটি ইউনিয়নে দেলুটি ও জিরবুনিয়া নিয়ে ২১ নং পোল্ডার। পোল্ডাটি ১৬ কিলোমিটার ওয়াপদা দিয়ে বেষ্টিত। জমির পরিমান রয়েছে ১১ হাজার বিঘা। এখানে ছোট ছোট আকারে জমির মালিকরা বছরের অর্ধেক সময় লবন পানি ও বাকি সময় মিষ্টি পানিতে ধান ও মাছ চাষ করে থাকে। এত বড় পোল্ডারে পানি নিস্কাশ হয় মাত্র তিনটি গেট দিয়ে। যাহা বন্ধের উপক্রম হয়েছে। ব্যক্তি মালিকানার গেট দিয়ে পানি নিস্কাশন হয়। এ গেট গুলো বন্ধ করে দিলে জলাবদ্ধা সৃষ্টি হয়ে ধান মাছ দুটোই চরম ক্ষতি গ্রস্ত হবে।
বর্তমানে দেলুটি ২১ নং পোল্ডারে লবন পানি চিংড়ি চাষের পাশাপাশি একর প্রতি ৫০ থেকে ৬০ মন ধান ফলন হয়েছে।তারা আরো বলেন ২১ নং পোল্ডারের স্লুইসগেট মেরামত, গাউসিয়া নদী খনন, ১৬ কিঃমিঃ ওয়াপদা সংস্কার না করে চিংড়ি লীজ ঘের বন্ধ করে দিলে আমাদের বেঁচে থাকার কোন উপায় থাকবে না। আমাদের পানি নিষ্কাশন ও ওয়াপদা বাঁধ মেরামত ব্যবস্থা করে চিংড়ি ঘের বন্ধ করলে আমরা বেঁচে থাকবো। আমরাও লবন পানি মুক্ত চাই। জমির মালিকদের পক্ষে স্বারক লিপি দেয়ার সময় উপস্তিত ছিলেন, জমির মালিক ও ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি নির্মল কান্তি মন্ডল, নিরজ্ঞন রায়, বিভূতি ভূষন রায়, ভবানী কান্ত রায়, চম্পক বিশ্বাস, জালাল উদ্দীন, আবুল হোসেন সহ দেলুটির ইউপির অনন্য জমির মালিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।






জি-নাইন কলা চাষে সফল পাইকগাছার নারায়ণ অধিকারী
পাইকগাছায় আমন চাষিদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এলো বৃষ্টি
জমির সবুজ সার ধৈঞ্চার চাষ হারিয়ে যাচ্ছে
মহম্মদপুরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে এয়ারফ্লো মেশিন বিতরণ
পাইকগাছায় ঘেরের আইলে সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়েছে
পাইকগাছায় আউশ ধানের ফলন ভাল হয়েছে
ক্ষেতের কুমড়ো ফুলে কৃষকের বাড়তি আয়
মাগুরায় ১০ দিনের বৃক্ষ ও ফল মেলার উদ্বোধন
পাইকগাছার সোলাদানায় অফ-সিজনে তরমুজ চাষের ব্যাপক উদ্যোগ
মাগুরায় পাটের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি 