শিরোনাম:
পাইকগাছা, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

SW News24
মঙ্গলবার ● ৯ জুন ২০২৬
প্রথম পাতা » চিত্রবিচিত্র » কটিয়াদীতে বাঁশি-বাদ্য বাজিয়ে বাবাকে শেষ বিদায়ের চেষ্টা; মাফচেয়ে জানাজা পড়ে, দাফন
প্রথম পাতা » চিত্রবিচিত্র » কটিয়াদীতে বাঁশি-বাদ্য বাজিয়ে বাবাকে শেষ বিদায়ের চেষ্টা; মাফচেয়ে জানাজা পড়ে, দাফন
১৭ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ৯ জুন ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কটিয়াদীতে বাঁশি-বাদ্য বাজিয়ে বাবাকে শেষ বিদায়ের চেষ্টা; মাফচেয়ে জানাজা পড়ে, দাফন

---কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদিতে বৃদ্ধ বাবার মৃত্যুর পর তার মরদেহ বাড়িতে রেখে ঢোল বাধ্য বাঁশি বাজিয়ে নাচ করায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ  ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার৭ই জুন কটিয়াদীপৌর সভার কাহেতেরটেকী মহল্লার বাসিন্দা শামসুদ্দিন বার্ধক্য জনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পরবর্তী সময়ে তার আত্মীয়-স্বজনরা যখন মৃত ব্যক্তির দাফন কাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল তখনই এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়। মরদহ গোসল করানোর আগেই নিহতের ছেলে খাইরুল ইসলাম বাড়িতে ঢোল- বাদ্য ও বাঁশি নিয়ে নাচ ও গান গাইতে গাইতে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে। এ ঘটনাটি দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এবং ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসলে এলাকা ও উপজেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের  সৃষ্টি হয়। যার ফলে মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজ আয়োজন করা নিয়েও জটিলতার সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় আলেমগণ গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জন প্রতিনিধিগন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের উপস্থিতিতে মৃত ব্যক্তির ছেলে খাইরুল ইসলাম প্রকাশ্যে নিজের ভুল স্বীকার করে দুঃখ ও ক্ষমা প্রার্থনা করলে পরে আলেমগণের উপস্থিতিতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। খাইরুল ইসলাম আরো বলেন, আমার পিতা  তার জীবদ্দশায় বলেছিলেন, তার মৃত্যুর পর যেন অধিক শোক প্রকাশ না করা হয় এবং আনন্দের সাথে যেন তাকে শেষ বিদায় দেওয়া হয়। আমি তার শেষ ইচ্ছা পূরণের চেষ্টা করেছি মাত্র। আমার এই আচরণে কারো অনুভূতিতে আঘাত লেগে থাকলে আমি এই জন্য সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থী।
কটিয়াদী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন লোকমুখে ঘটনা শুনেছি। এ বিষয়ে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের জানায়নি। তারপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)