শিরোনাম:
পাইকগাছা, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

SW News24
বুধবার ● ২২ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা » চিত্রবিচিত্র » পাইকগাছায় রান্নার পর গরুর মাংস সবুজ রং ধারণ ; জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি
প্রথম পাতা » চিত্রবিচিত্র » পাইকগাছায় রান্নার পর গরুর মাংস সবুজ রং ধারণ ; জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি
২২ বার পঠিত
বুধবার ● ২২ জুলাই ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পাইকগাছায় রান্নার পর গরুর মাংস সবুজ রং ধারণ ; জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

---খুলনার পাইকগাছায় রান্না করার সময় গরুর মাংসের রং লাল থেকে সবুজ হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
২২ জুলাই বুধবার দুপুরে পৌরসভার মডার্ণ বেকারির কর্মচারীরা পিকনিকের জন্য কেনা গরুর মাংস রান্না সময় এ ঘটনা দেখতে পান। পরে তারা রান্না করা মাংসসহ কড়াই নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও থানায় যান।

জানা গেছে, মডার্ণ বেকারির ২৫ জন কর্মচারী বুধবার পিকনিকের আয়োজন করেন। এ জন্য তারা সকালে পাইকগাছা বাজারের মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইলের দোকানে মাংস কিনতে যান। ব্যবসায়ী ইসমাইল জানান, সেদিন জবাই করা গরুর সব মাংস ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। তবে তার দোকানের ফ্রিজে ভালো মাংস সংরক্ষিত রয়েছে। প্রয়োজন হলে সেখান থেকে মাংস দেওয়া যাবে। পরে সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে বেকারির কর্মচারী টিটন হোসেন ওই দোকান থেকে চার কেজি মাংস ক্রয় করেন। এরপর পিকনিকের জন্য বাজার করে মাংস রান্না শুরু করেন।

তবে রান্নার প্রায় অর্ধেক শেষ হওয়ার পর কর্মচারীরা দেখতে পান, মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং পরিবর্তন হয়ে সবুজ রং ধারণ করেছে। বিষয়টি দেখে তারা মাংসসহ কড়াইটি নিয়ে প্রথমে মাংস বিক্রেতা ইসমাইলের দোকানে যান। পরে বিষয়টি ইউএনওকে জানিয়ে কড়াইসহ রান্না করা মাংস নিয়ে থানায় হাজির হন।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তবে মাংস রান্নার সময় কী কারণে এর রং সবুজ হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো কারণ জানা যায়নি। স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন মাংসে কোনো ধরনের রাসায়নিক বা অন্য কোনো উপাদান ব্যবহার হতে পারে। তবে এ বিষয়ে কোনো পরীক্ষাগারভিত্তিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

মাংস বিক্রেতা ইসমাইল বলেন, আমি ভালো মাংসই বিক্রি করেছি। মাংসে কোনো ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়নি। তারা হয়ত রান্নার সময় অন্য কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করেছেন। আমার দোকান থেকে আরও অনেকেই মাংস কিনে নিয়ে গেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ এমন অভিযোগ করেননি।

ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাংসের নমুনা পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মাংসের রং পরিবর্তনের প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)