শিরোনাম:
পাইকগাছা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

SW News24
বৃহস্পতিবার ● ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রথম পাতা » মুক্তমত » মশা পৃথিবীর সবচেয়ে জীবনঘাতী পতঙ্গ
প্রথম পাতা » মুক্তমত » মশা পৃথিবীর সবচেয়ে জীবনঘাতী পতঙ্গ
৬ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ১৩ আগস্ট ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

মশা পৃথিবীর সবচেয়ে জীবনঘাতী পতঙ্গ

মশা পৃথিবীর সবচেয়ে রক্তপিপাসু এবং জীবনঘাতী পতঙ্গ। আকারে ছোট হলেও মানুষের মৃত্যুর কারণ হিসেবে এর অবস্থান সবার উপরে। মশা হলো একটি ছোট উড়ন্ত পতঙ্গ, যা তার কামড় এবং রোগ ছড়ানোর ক্ষমতার জন্য পরিচিত।

জীবাণু বহনকারী এই মশা আসলেই পৃথিবীর সবচেয়ে জীবনঘাতী পতঙ্গ। আকারে অত্যন্ত ছোট হলেও, মানুষের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই মশা। পৃথিবীতে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি প্রজাতির মশা রয়েছে। এদের মধ্যে কেবল স্ত্রী মশা মানুষকে কামড়ায়, কারণ ডিম পাড়ার জন্য তাদের রক্তের প্রয়োজন হয়। পুরুষ মশারা রক্ত খায় না, তারা গাছের রস খেয়ে বেঁচে থাকে। ৩টি প্রধান ক্ষতিকর মশা ও রোগ হলো; এডিস মশা: এই মশার গায়ে সাদা-কালো দাগ থাকে। এটি কামড়ালে ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া রোগ হয়। অ্যানোফিলিস মশা: এই মশা কামড়ালে ম্যালেরিয়া জ্বর হয়। কিউলেক্স মশা: এই মশার মাধ্যমে ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ ছড়ায়।

মশা নিজে কোনো রোগ তৈরি করে না। এটি কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও পরজীবী এক দেহ থেকে অন্য দেহে ছড়ায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার  মতে, মশার কামড়ে হওয়া বিভিন্ন রোগে প্রতি বছর প্রায় ৭ লাখ থেকে ১০ লাখ মানুষ মারা যায়। যেকোনো নোংরা বা জমে থাকা পানিতে মশা খুব দ্রুত ডিম পেড়ে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে।

মশা সবসময় জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে। ডিম থেকে ছোট পোকা বা লার্ভা বের হয়। লার্ভাগুলো পানিতে বড় হয়ে কয়েকদিনের মধ্যে উড়ন্ত মশায় পরিণত হয়।

মশার ছড়ানো প্রধান মারাত্মক রোগসমূহ হলো ম্যালেরিয়া: অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। আফ্রিকা মহাদেশে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। ডেঙ্গু: এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এটি এখন বড় মহামারী। চিকুনগুনিয়া: এটিও এডিস মশার কামড়ে হয়। এতে জয়েন্টে তীব্র ব্যথা হয়। জিকা ভাইরাস: গর্ভবতী নারীদের এই ভাইরাস আক্রান্ত করলে নবজাতকের মারাত্মক জন্মত্রুটি হতে পারে।

মশার হাত থেকে বাঁচতে বাড়ির আশেপাশে বালতি, টব বা ডাবের খোসায় পানি জমতে না দেওয়া। বালতি, ফুলের টব বা টায়ারে ৩ দিনের বেশি পানি জমিয়ে রাখা যাবে না। ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি খাটিয়ে ঘুমাতে হবে। ঘরে যাতে মশা ঢুকতে না পারে, সেজন্য জানালায় জালি বা নেট লাগাতে পারেন।মশা তাড়াতে নিরাপদ মসকুইটো রিপেলেন্ট ব্যবহার করা। ঘরের কোণে রসুন ও লবঙ্গের ধূপ দিলে মশা দূর হয়।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)