শিরোনাম:
পাইকগাছা, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

SW News24
বুধবার ● ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রথম পাতা » মুক্তমত » জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ একবার প্রকাশ পেয়ে শতভাগ প্রাণঘাতী
প্রথম পাতা » মুক্তমত » জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ একবার প্রকাশ পেয়ে শতভাগ প্রাণঘাতী
৮ বার পঠিত
বুধবার ● ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ একবার প্রকাশ পেয়ে শতভাগ প্রাণঘাতী

কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমেই মানুষের শরীরে রেবিস বা জলাতঙ্ক ভাইরাস ছড়ায়। এটি রেবিস নামক একটি নিউরোট্রপিক ভাইরাসের কারণে ঘটে থাকে। শুধু কুকুর নয়, বিড়াল, শিয়াল, বেজি বা বানরের মতো অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর মাধ্যমেও এটি ছড়াতে পারে। আক্রান্ত প্রাণীর লালায় এই ভাইরাসটি থাকে। যখন তারা কামড়ায় বা আঁচড় দেয়, তখন লালাটি মানুষের রক্ত বা ক্ষতের সংস্পর্শে এসে শরীরে প্রবেশ করে।

কুকুর বা অন্য কোনো প্রাণী কামড়ানোর সাথে সাথে ক্ষতস্থানটি অন্তত ১৫ মিনিট ধরে ক্ষারযুক্ত সাবান এবং চলমান পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ক্ষতস্থানে থাকা ভাইরাসের একটি বড় অংশ দূর হয়ে যায়। ধোয়ার পর ক্ষতস্থানে আয়োডিন বা টিংচার বেনজোইন-এর মতো অ্যান্টিসেপটিক লোশন বা ক্রিম লাগাতে হবে। কামড়ের স্থানটি সাধারণত ব্যান্ডেজ দিয়ে শক্ত করে বাঁধা উচিত নয়। ক্ষত উন্মুক্ত রাখা ভালো।

প্রাথমিক চিকিৎসার পরই যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে হবে। অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন  লক্ষণ প্রকাশের আগে পোস্ট-এক্সপোজার প্রোফাইল্যাক্সিস বা জলাতঙ্কের প্রতিষেধক টিকা নেওয়া শুরু করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী টিকার সম্পূর্ণ ডোজ শেষ করা বাধ্যতামূলক। কুকুরের কামড়ে ব্যাকটেরিয়া বা টিটেনাসের ঝুঁকি থাকে, তাই প্রয়োজন হলে ডাক্তার টিটেনাস শট বা অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হয়।

জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ একবার প্রকাশ পেয়ে গেলে এর কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই এবং এটি শতভাগ প্রাণঘাতী। তাই কামড় বা আঁচড় লাগার পর অবহেলা না করে দ্রুত টিকা নেওয়াই একমাত্র জীবন রক্ষাকারী উপায়।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)