শিরোনাম:
পাইকগাছা, সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
SW News24
শনিবার ● ৯ অক্টোবর ২০২১
প্রথম পাতা » প্রযুক্তি » খুলনায় তরমুজ থেকে গুড় তৈরী
প্রথম পাতা » প্রযুক্তি » খুলনায় তরমুজ থেকে গুড় তৈরী
১০০ বার পঠিত
শনিবার ● ৯ অক্টোবর ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

খুলনায় তরমুজ থেকে গুড় তৈরী

 এস ডব্লিউ নি---উজ: আখের গুড় ,খেজুরের গুড় তালের গুড়, সম্পর্কে সকলেরই জানা আছে। তরমুজ দিয়ে গুড় তৈরি করা যায় এটি হয়ত এখন পর্যন্ত নতুন উদ্ভাবন।আর এ কাজটি করেছেন খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ছোটবন্ড গ্রামের তরুণ কৃষক মৃত্যঞ্জয় মন্ডল। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় প্রথম বারের মত তরমুজের গুড় উৎপাদন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

এ গুড়ের নাম ‘তোগুড়’। গুড় শিল্পের জন্য তরমুজের ‘তোগুড়’ নতুন সম্ভাবনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষক মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল জানান, তিনি ডুমুয়িা উপজেলা কৃষি অফিসারের পরামর্শ ও সহযোগিতায় ২০১৯ সালে প্রথম তরমুজ চাষ শুরু করেন এবং পর পর তিন বছর তরমুজ চাষ করে ভাল সফলতা পেয়েছেন।

তিনি জানান, তরমুজ উচ্চ মূল্যের ফসল হলেও কিছু কিছু তরমুজ সাইজে কিছুটা ছোট হয় বা আকার আকৃতিতে কিছুটা কম থাকে। সেগুলো গ্রেডিংয়ে টেকে না, যা ক্যাট নামে পরিচিত।এগুলো বিক্রি হয়না বলে অনেক সময় মাঠেই থেকে যায়। বৃষ্টিতে পঁচে দূর্গন্ধ সৃষ্টি করে। ওই সমস্ত ক্যাট তরমুজ মেশিন ছাড়া দেশিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে কেটে এর লাল অংশ নিয়ে নেট দিয়ে ছেকে জুস (রস) বের করে হাড়িতে করে চুলায় জ্বালিয়ে তোগুড় তৈরি করছেন। প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি এ গুড় অত্যন্ত সুস্বাদু এবং অনেক দিন সংরক্ষণ করা যায়।’ তিনি বলেন।তরমুজের রস মিষ্টি এবং পাতলা বলে তরমুজের রস জ্বালিয়ে গুর তৈরি করে সফল হয়েছেন। তিনি প্রথমবার তিন কেজি গুড় বানিয়ে নিজে পাড়া প্রতিবেশী উপজেলা কৃষি অফিসারসহ অন্যদের খাইয়েছেন।

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, ‘এটি কৃষিতে এক দারুণ অর্জন। আমাদের দেশের গুড় শিল্প দিন দিন সংঙ্কচিত যাচ্ছে। একদিকে তাল ও খেজুর গাছের সংখ্যা যেমন কমছে, তেমনি এ গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য গাছির সংখ্যাও কমে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন,উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকা তরমুজ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সিজনে কৃষক অনেক সময় তরমুজের ন্যয্যমূল্য পায়না এবং তরমুজের ক্যাটগুলো বিক্রিও হয়না।’

বানিজ্যিক ভাবে ওই তরমুজ নিয়ে গুড় তৈরি করলে কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যয্য মূল্য পাবে। ফসলের অপচয়ও রোধ হবে। আগামীতে এটি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)