শিরোনাম:
পাইকগাছা, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

SW News24
মঙ্গলবার ● ১১ এপ্রিল ২০২৩
প্রথম পাতা » ব্যবসা-বাণিজ্য » পাইকগাছায় ঈদের বাজার জমে উঠেছে
প্রথম পাতা » ব্যবসা-বাণিজ্য » পাইকগাছায় ঈদের বাজার জমে উঠেছে
২২৯ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ১১ এপ্রিল ২০২৩
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পাইকগাছায় ঈদের বাজার জমে উঠেছে


পাইকগাছায় ঈদের বাজার জমে উঠেছে। আর কয়েক দিন পর ঈদ। ঈদ যতই এগিয়ে আসছে ততই দোকানে ভীড় বাড়ছে। বিপনী বিতান গুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। প্রতিটি মার্কেট বা দোকানে ঠাসা রয়েছে ক্রেতায়। ঈদ সামনে রেখে পাইকগাছা বাজারের বিপনী বিতান ও সীট কাপড়ের দোকানগুলি নতুন সাজে সেজেছে। বাহারি নাম ও ডিজাইনের রং-বেরঙ্গের পোশাক পরিচ্ছদ দোকান গুলিতে শোভা পাচ্ছে।


---বিভিন্ন বিপনী বিতান ঘুড়ে দেখা যায় এবারের ঈদের বাজারে বেশি চাহিদা থ্রি-পিসের। নারীদের ফ্যাশনে বৈচিত্র আর স্টাইলিশ ভাব মানেই থ্রি - পিস। নারীদের থ্রি-পিসের নতুন যোগ হয়েছে ভারতীয় ও পাকিস্থানি স্টোনের থ্রি- পিস।তাছাড়া প্রতিবারের মতো জনপ্রিয ভারতিয় সিনেমা ও চরিত্রের নামে নাম করন করা পোশাক তো রয়েছে। এ সব ডিজাইনের থ্রী-পিস ২ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দো’পাট্টা, গাউন, লেহাংগা, ফ্লোর টার্চ চাহিদা রয়েছ্। ছোটদের কুইন ফ্রগ, পাটি ফ্রগ, প্লাজু, কুর্তি, ফতুয়া, ধুতি সেট সাড়ে ৫শ থেকে ১৫শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্লাজু, ফ্লোর টার্চ, চায়না ওয়ান পিচ, ইন্ডিয়ান থ্রি-পিস ১৫শ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।এছাড়াও বিক্রি হচ্ছে গাবারা,সাবারা,নায়রাঝিলিক ও পানচুরের থ্রি-পিস। শাড়ির মধ্যে চাহিদা বেশি স্বর্ণকাতান, কাজ্ঞিবরণ, লেহারী, টাঙ্গাইলের জামদানী শাড়ি, হাফসিল্ক শাড়ি। শার্টের মধ্যে চাহিদা, চায়না টি শার্ট, থাইল্যান্ড টি-শার্ট, ইন্ডিয়ান টি-শার্ট, পিয়োর সুতির পোশাক সহ দেশী-বিদেশী বাহারী পোশাক গুলো বিক্রি হচ্ছে বেশী বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তাছাড়া যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাঞ্জাবির কাট, ডিজাইন, ফেব্রিকসের বৈচিত্র ও কালারে এসেছে পরিবর্তন। ছেলেদের হাফ হাতার  গেঞ্জি ও ফিটিং গেঞ্জি সহ নান ডিজাইনের গেঞ্জি। শর্ট সেট সাঞ্জু, থ্রি-কোয়াটারা প্যান্ট ও ফুল প্যান্ট। বিভিন্ন ডিজাইনের ছালয়ার কামিজ সাড়ে ৭শত থেকে ৩৫ শত টাকার বিক্রি হচ্ছে, বাচ্চাদের বিভিন্ন ডিজাইনের পোশক সাড়ে ৩শত থেকে ২ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে, গেঞ্জি ৪শত থেকে ২৫ শত টাকা,বিভিন্ন ডিজাইনের প্যান্ট ৫শত টাকা থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ী ফজলু ক্লথ ষ্টোরের স্বত্তাধিকারী ফজলু জানান, এবার ঈদের বাজারে থ্রি পিস, দো’পাট্টা, লেহাংগার চাহিদা বেশী। এছাড়া সুতির কাজ করা সালয়ার কামিজের চাহিদা রয়েছে। ৫ শত টাকা থেকে ১৫শত টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে এবং বিদেশী কানিশ কাপড়ের চাহিদা রয়েছে বিক্রয় হচ্ছে ৫ হাজার টাকার মধ্যে। দীপ্তি ক্লথ ষ্টোরের মালিক অমরেশ মন্ডল জানান, ক্রেতাদের ভিড় প্রচুর বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে।

নিন্ম ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের পছন্দ বাজারের সুন্দরবন মার্কেট। এখানে কিছুটা কম মূল্যে সব রকমের পোশাক পাওয়া যায়। ক্রেতা নাসরিন বেগম জানান, বাচ্চাদের পছন্দের ড্রেস কিনতে পেরে বেশ ভাল লাগছে। তবে দামটা একটু বেশী বলে মনে হচ্ছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কেনা কাটা চলছে। উপছে পড়া ভিড় ও গরমের মধ্যে ক্রেতারা হাফিয়ে উঠছে। ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের আগের দিন পর্যন্ত দোকান গুলোতে ভিড় অব্যহত থাকবে। প্রচন্ড ভিড়ের মধ্যে কেনাকাটা করতে এসে ক্রেতারা কিছুটা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা জানান, পুলিশের টহল থাকলে স্বাচ্ছন্দের সহিত কেনা-কাটা করতে পারতো বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)