শিরোনাম:
পাইকগাছা, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

SW News24
রবিবার ● ৩১ মে ২০২৬
প্রথম পাতা » অপরাধ » পাইকগাছায় কোরবানির মাংস বিতরণ তালিকা ও মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্ধে সংঘর্ষ আহত-৬
প্রথম পাতা » অপরাধ » পাইকগাছায় কোরবানির মাংস বিতরণ তালিকা ও মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্ধে সংঘর্ষ আহত-৬
০ বার পঠিত
রবিবার ● ৩১ মে ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পাইকগাছায় কোরবানির মাংস বিতরণ তালিকা ও মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্ধে সংঘর্ষ আহত-৬

---পাইকগাছায় কোরবানীর মাংস বিতরণের তালিকা ও মসজিদ কমিটি পুনগঠন প্রশ্নে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৬ জন আহতের ঘটনায় ঘটেছে এবং দ্বিতীয় দফায় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৯ মে শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বাঁকা বাকপাড়া বায়তুন -নুর জামে মসজিদে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এর ঘটনার জের ধরে দ্বিতীয় দফায় শনিবার বিকেলে এক পক্ষের বেড়া ভাংচুরসহ রাতে রাজমিস্ত্রীর বাঁশ-কাঁঠের ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ নিয়ে এলাকায় দু’ পক্ষের মধ্যে এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে।

 মারপিটে আহত মিজানুর রহমান খাঁ মেজবা ( ৬০) শহিদুল মোড়ল (৫৫) হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বড়ী ফিরলেও প্রতিপক্ষ হান্নান (৩৫) আলিম জোয়াদ্দার (৪০) ও মনোয়ারা খাতুন (৪৮) হাসাপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

 

এলাকাবাসি ও রাড়ুলী ক্যাম্প পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার রাড়ুলীর বাঁকা বাকপাড়া বায়তুন-নুর জামে মসজিদে ঈদ-উল আযহার নামাজ শেষে পশু কুরবানি’র পর স্থানীয় মিজানুর রহমান খা ঈদগাহে পৌছে মাংস বিতরণের তালিকা দেখতে চায়। তালিকা চাওয়া’কে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ কবির জোয়াদ্দারের সাথে মিজানুর রহমান খাঁর সাথে তর্ক-বিতর্ক ও মনোমালিন্য দেখা দিলে পর্যায়ে শুক্রবার নতূন করে মসজিদ কমিটি পুন গঠনের ইঙ্গিত দেন। এর রেশ ধরে পরের দিন শুক্রবার মসজিদে জুম্মার নামাজ পুর্বে হুজুর যে কোন বিষয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিলে আবুল হক ঈদগাহে মাঠের ঈদের নামাজ এর হিসাব দিয়ে মসজিদের কমিটি পুনগঠনের প্রস্তাব উপস্থাপনা করেন। এসময় পক্ষে-বিপক্ষে মিজানুর খা-শহিদুল মোড়ল পক্ষ ও নুরুল হক- হান্নান জোয়াদ্দার পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডায় সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে মসজিদের ভিতরে বাঁশ লাঠি- রড, হাঁতুড়ি নিয়ে দু’পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের মিজানুর খাঁ,হান্নান, আলিম,মনোয়ারা জোয়াদ্দার ,শহিদুল তার ছেলে সজিব মোড়ল কম-বেশি আহত হন। সংঘর্ষে কারোর মাথা,চোখ,হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম ও রক্তপাতের ঘটনা ঘটে। আহতদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে হান্নান- আলীমকে খুমেক হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। তবে, এ ঘটনার শহিদুল মোড়ল পক্ষ প্রতিপক্ষ তরিকুল, রনি ( পুলিশ সদস্য) গংদের দায়ি করেছেন, অন্যদিকে মনোয়ারা বেগমরা প্রতিপক্ষ শহিদুল গংদের দোষারোপ করেছেন।

এদিকে কামরুল জোয়াদ্দার অভিযোগ করেন এর রেশ ধরে শনিবার বিকেলে তৌফিক লোকজন নিয়ে আমার সুপারী পাতার বেড়া ভাংচুর করে। অন্যদিকে সুজাত-ঝর্না মোড়ল দম্পত্তি জানান, শনিবার রাতে আমার রাজমিস্ত্রীর কাজে ব্যবহারের বাঁশ- কাঠের ঘরে দুর্বৃত্তরা আগুন ধরিয়ে দেয়। তিনি অভিযোগ করেন আগুন কে দিল দেখিনি কিন্তু টের পেয়ে দেখি জাফর,নুরুল, বেল্লালরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

 

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুরো ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পের এসআই সোহেল জানান, দু’পক্ষের মধ্যে পুরোনো বিবাদের জের ধরে ঈদের মাংস বিতরণ ও মসজিদের কমিটি পুন গঠন নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি আরোও জানান, এ মুহূর্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।  জানাগেছে, এ ঘটনায় দু’পক্ষই থানায় পাল্টা-পাল্টি ইজাহার দিলে এক পক্ষের মামলা রেকর্ড হয়েছে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)