শিরোনাম:
পাইকগাছা, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

SW News24
শুক্রবার ● ৭ আগস্ট ২০২৬
প্রথম পাতা » প্রকৃতি » ডোরাকাটা মাল্টা
প্রথম পাতা » প্রকৃতি » ডোরাকাটা মাল্টা
৪ বার পঠিত
শুক্রবার ● ৭ আগস্ট ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ডোরাকাটা মাল্টা

ডোরাকাটা মাল্টা হলো থাইল্যান্ডের একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং চমৎকার লেবুজাতীয় ফল। যা মূলত ভেরিগেটেড মাল্টা বা রঙিন মাল্টা নামে পরিচিত। এর বাহ্যিক রূপ এবং চমৎকার স্বাদের কারণে এটি বর্তমানে সৌখিন বাগানীদের ছাদবাগান এবং বাণিজ্যিক চাষে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।

ডোরাকাটা মালটা হলো মালটার একটি আকর্ষণীয় ও নতুন জাত। এর কাঁচা অবস্থায় গায়ে সবুজ ও সাদার ডোরাকাটা দাগ থাকে এবং পাকা অবস্থায় হলুদ ও হালকা হলুদ ডোরা দেখা যায়। এর পাতা ও ফল উভয়ই দেখতে খুব সুন্দর হওয়ায় এটি শৌখিন ও ছাদবাগানে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ডোরাকাটা মাল্টা ফলের ত্বকে সবুজ এবং হলুদের চমৎকার ডোরাকাটা বা জেব্রা প্রিন্টের মতো দাগ থাকে। শুধু ফলই নয়, এই গাছের পাতাও সাধারণ মাল্টা গাছের মতো পুরো সবুজ হয় না, পাতাতেও সাদা-সবুজ বা হলুদ-সবুজের মিশ্রণ (ভেরিগেটেড) থাকে। এটি অত্যন্ত রসালো এবং মিষ্টি স্বাদের হয়ে থাকে। গাছটিতে ঝোপালো অবস্থায় প্রচুর পরিমাণে ফল ধরে।

ডোরাকাটা মাল্টা ড্রাম বা টবে ঘরের ছাদবাগানে যেমন সহজে চাষ করা যায়, তেমনি জমিতেও এর বাণিজ্যিক ফলন সম্ভব। চাষাবাদের সুবিধাএই জাতটি ছাদের সৌন্দর্য বর্ধনের পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদা মেটাতে দারুণ ভূমিকা রাখে। সাধারণ মাল্টা গাছের মতোই এর পরিচর্যা করতে হয় এবং অল্প দিনের মধ্যেই গাছ থেকে ফল পাওয়া শুরু হয়।

থাইল্যান্ডের জাতটি দেখতে খুবই আকর্ষণীয় এবং ফলনও অনেক বেশি। বাজারে আমদানি করা সাধারণ মাল্টার চেয়ে ডোরাকাটা মাল্টা পাঁচ থেকে ছয় গুণ বড় হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাল্টাটির ওজন এক কেজি ছাড়িয়ে যায়। সুস্বাদু ফলটি এ দেশে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা শুরু হয়েছে।
পাইকগাছার হিতামপুর গ্রামে অবস্থিত রজনীগন্ধা নার্সারীর মালিক সুকনাথ পাল জানান, তার নার্সারীতে ডোরাকাটা মাল্টা, বারোমাসি আম, আমড়া, থাই পেয়ারা, জাম্বুরা, দার্জিলিং কমলা, মিষ্টি জলপাই, মিয়াজাকি আম, ব্যানানা ম্যাংগো, আপেল কুল, ছবেদা, কাঁঠাল, থাই ডালিম, ত্বিন, লাল পেয়ারা, কামরাঙা, মালবেরিসহ কয়েক ডজন দেশ-বিদেশি ফলের চাষ হচ্ছে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)