রবিবার ● ২১ নভেম্বর ২০২১
প্রথম পাতা » ইতিহাস ও ঐতিহ্য » পাইকগাছার পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদুঘরের বেহাল দশা
পাইকগাছার পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদুঘরের বেহাল দশা
এস ডব্লিউ:পাইকগাছার পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদুঘরের বেহাল দশা যেন কাটিযে উঠতে পারছে না। উপজেলা প্রশাসন ও পৌর সভার সমন্বয়হীনতার কারণে পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদু ঘর ধ্বংসে মুখে পড়ার উপক্রম হয়েছে।দিনে দিনে পাঠক শুন্য হয়ে পড়েছে লাইব্রেরি।
পাইকগাছা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে পাইকগাছা পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদুঘর ১৯৮৫ সালে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স. ম. বাবর আলী প্রতিষ্ঠা করেন। যার আজীবন সদস্য ১৪৬ সাধারণ সদস্য ৯৩৮ জন। দু্ইশত বই নিয়ে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ৫ হাজার বইতে ঠাসা ছিলো লাইব্রেরি। বর্তমান অনেক বই হারিয়ে গেছে। ১৫টি আলমারি, ২০খানা কাঠের চেয়ার, ৪টি টেবিল থাকলেও সবই প্রায় ব্যবহার অনুপযোগী। লাইব্রেরির ভবনটির অবস্থা খুই করুন। অনেক অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিদিন ২-৩শ পাঠকের আনাগোনা থাকলেও বর্তমান তা পাঠকশূন্য হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে ২/১ জন পাঠক অতি প্রয়োজনে যায় বলে জানা যায়। বর্তমান লাইব্রেরিয়ান আবুল কালাম আজাদ বলেন, ৮ বছর আগে আমাকে পৌরসভার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখানে এসে যা পেয়েছি তা নিয়েই দায়িত্ব পালন করছি। এ ব্যাপারে পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৯৯৯ সালে পৌরসভা অলিখিতভাবে লাইব্রেরি ও যাদুঘর দেখাশুনার দায়িত্ব পায়। উপজেলা পরিষদ লিখিত
ভাবে হস্তান্তর না করায় অবকাঠামো কোন পরিবর্তন করা বা যাদুঘরের স্মৃতি নিদর্শন রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স. ম. বাবর আলী বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এটা প্রতিষ্ঠা করি। যে উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করেছিলাম আজ তা ধ্বংসের দার প্রান্তে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম জানান, আমি এ উপজেলায় সদ্য যোগদান করেছি। বিস্তারিত খোঁজ খবর নিয়ে কিভাবে এর উন্নতি করা যায় সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হবে।






বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জরাজীর্ণ জন্মভিটা সংস্কারের কাজ শুরু
বীরাঙ্গনা গুরুদাসী মাসী
আগাছা ও জঙ্গলে পরিপূর্ণ ‘শিল্পী এস এম সুলতান ঘাট’
মাগুরার বিনোদপুরে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত রাম বাবুর বাড়িটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে
কেশবপুর ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থাপনায় সমৃদ্ধ পর্যটনের লীলাভুমি
স্মৃতিচিহ্ন মুছে যাচ্ছে বাজারখোলা দোল মন্দিরের
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাইকগাছা ক্যাম্পাস বিজ্ঞানী পিসি রায়ের নামে নামকরণের দাবি
অযত্ন- অবহেলায় মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মামার বাড়ি
মণিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া গ্রামের ধনপোতা ঢিবিতে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন শুরু
মাগুরায় হারিয়ে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি 