শনিবার ● ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » অপরাধ » কেশবপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিবাদে এক পরিবারকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ
কেশবপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিবাদে এক পরিবারকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ
কেশবপুর (যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিবাদে এক পরিবারকে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির শিকার একটি পরিবার।
উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের আবুল কাশেম শনিবার সকালে কেশবপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। তিনি তার
লিখিত বক্তব্যে বলেন, উপজেলার চাদড়া গ্রামের মৃত জসিম গাজী আমার নানা হয়। তার মৃত্যুর পর ওয়ারেশ হিসেবে চাদড়া মৌজার আরএস খতিয়ান নং- ৫৮৫ এর ৬টি দাগে ১৩৬ শতক জমির মধ্যে আমার মা মনোয়ারা বেগম, খালা আমেনা বেগম ও মামু জোহর আলী ১০২ শতক জমি প্রাপ্য হয়। ১৯৮৮ সালের মাঠ জরিপে আমার খালু মৃত মহাতাব সরদার প্রতারণা করে আমার মা ও মামুকে ফাকি দিয়ে সমুদয় জমি খালা আমেনা বেগমের নামে রেকর্ড করে নেয়। ২০১০ সালে বিষয়টি জানতে পেরে আমি বাদী হয়ে যশোর বিজ্ঞ আমলি আদালতে রেকর্ড সংশোধনী মামলা করি। ২০১৭ সালে আমার খালা আমেনা বেগমের অংশ বাদ রেখে এ মামলার রায় আমার মা ও মামুর নামে হয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ডিক্রিতে এ রায় বহাল থাকে। এ রায়ের ভিত্তিতে কেশবপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে আমার মা ও মামুর ওয়ারেশদের নামে নামপত্তন করা হয়। যার হোল্ডিং নং- ১৪২১।
এখবর জানতে পেরে প্রতিপক্ষরা আরএস- ১৩১ ও ১২৪ দাগের জমির ওপর থেকে জোর করে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন ফলদ ও বনজ বৃক্ষ কেটে নেয়। পরে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে আদালতে ৫ লাখ টাকা চাদাবাজির মিথ্যা মামলা করে। যা পিবিআই এর তদন্ত প্রতিবেদনে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। আদালতের রায় জমির দখল নিতে গেলে প্রতিপক্ষরা বাধা দিয়ে আমার নামে একের পর এক হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যে কারণে আমি ২০২৪ সালে ওই জমির ওপর আদালতে ১৪৪ ধারায় মামলা করি। মামলার রায় আমার পক্ষে যায়। এছাড়া, গত বছর আমি এক বিঘা জমিতে ইরিধান ও ২ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করি। তারা আওয়ামীলীগ নেতা হওয়ায় সেসময় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ১৫ কাঠা জমির ধান ও ১০ কাঠা জমির সরিষা তুলে নিয়ে যায়। বাধা দিতে গেলে আমাকেসহ নুরজাহান বেগম, জেসমিন বেগমকে ব্যাপকভাবে মারপিট করে গুরুতর জখম করে। এঘটনায় জেসমিন বেগম বাদি হয়ে প্রতিপক্ষ মহাতাব সরদারের ছেলে নুরুল ইসলাম, মুনতাজ সরদার, মিজানুর রহমান ও হাফিজুর রহমানকে আসামী করে কেশবপুর থানায় একটি মামলা করি। পুলিশ আসামী মিজানুর রহমানকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।
এতেও আমাকে কিছু করতে ব্যর্থ হয়ে উক্ত বিবাদীগণ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে বিবাদী নূরুল ইসলাম আমার বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা চাঁদাবাজীর মামলা করে। আদালত মামলাটি আমলে নিলেও এর রায়ও আমার পক্ষে যায়। একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতে ব্যর্থ হয়ে মিথ্যা অভিযোগ এনে গত বুধবার যশোর প্রেসক্লাবে মিথ্যা সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। আমি এমিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নুরজাহান বেগম, জেসমিন বেগম প্রমুখ।
এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষের মিজানুর রহমান বলেন, আবুল কাশেম বিএনপি নেতা হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আমার পরিবারের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাদা দাবি করে আসছে। না দিলে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। যেকারণে প্রতিকার চেয়ে তার বিরুদ্ধে যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।






পাইকগাছায় পুলিশের অভিযানে ১৩ আসামি আটক
পাইকগাছায় নদী থেকে পোনা ধরা জব্দকৃত নেট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
মাগুরায় অস্ত্রসহ এক ব্যক্তি আটক
লোহাগড়ায় ফসলি জমি দখল করে মাটি ভরাট, বাঁধ নির্মাণ ও খননের অভিযোগ
মাগুরায় ভোটকেন্দ্রে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর
মাগুরায় ড্রিম মাশরুম সেন্টারের নামে বানোয়াট ও মিথ্যা প্রতিবেদনের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন
পাইকগাছায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা
পাইকগাছায় অগ্নিকাণ্ডে কলেজ কর্মচারীর বসতঘর পুড়ে ভস্মীভূত ; দুটি পশু দগ্ধ 