শিরোনাম:
পাইকগাছা, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৩ আষাঢ় ১৪২৮
SW News24
সোমবার ● ১৯ এপ্রিল ২০২১
প্রথম পাতা » কৃষি » পাইকগাছায় তরমুজের ফলন আশানারুপ হয়েছে
প্রথম পাতা » কৃষি » পাইকগাছায় তরমুজের ফলন আশানারুপ হয়েছে
৭২ বার পঠিত
সোমবার ● ১৯ এপ্রিল ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পাইকগাছায় তরমুজের ফলন আশানারুপ হয়েছে


 এস ডব্লিউ নিউজ: অনাবৃস্টি  ও বৈরি আবহাওয়ার পরও  পাইকগাছায়  তরমুজের   ফলন আশানারুপ হয়েছে  । এ বছর উপজেলায় ১১শ’ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে।উপকূলীয় লবণাক্ত  এলাকা, তারপর বৃস্টি হয়নি। আবহাওয়া ছিলনা অনুকূলে। চাষিদের পরিচর্যা আর শ্রম তরমুজের  আবাদে কোন সমস্যা হয়নি।ফলন হয়েছে আশানারুপ।তবে বৃস্টি হলে তরমুজ আরোও বড় হতো। পাইকগাছা কৃষি সুত্রে জানাগেছে ,  তরমুজ একটি লাভজনক ফসল হওয়ায় উপজেলার দুটি ইউনিয়নে দীর্ঘদিন তরমুজ আবাদ হয়ে আসছে।গত বছর উপজেলায় ৫১০ হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ হয়।    এবছর ১১শ’ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। যার মধ্যেদেলুটি ইউনিয়নে এক হাজার হেক্টর ও গড়ইখালী ইউনিয়নে ১শ’ হেক্টর। গড়ইখালী ইউনিয়ানের---  প্রিতিষ মন্ডল ও দ্বিজেন মন্ডল জানান, আমরা দুজন সাড়ে ৪
বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছে। এ জমিতে চাষ করতে ৫৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আশা করছি ৩লক্ষ টাকা বেচা কেনা হবে। তারা আরো বলেন আমরা এক বিঘা জমিতে পানি, সার কিটনাশক ছাড়াই চাষ করেছি। দেখা গেছে পানি কিটনাশক ছাড়া চাষে প্রতি বিঘা জমিতে ৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে। এ এক বিঘা জমিতে প্রায় ১লক্ষ টাকা বিক্রি হবে বলে আশা করছে। একই এলাকার প্রসনজিৎ ও দিপক জানান আমরা ৬ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। আমাদের মোট খরচ হয়েছে ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা। আশা করছি ৬লক্ষ টাকার মত বিক্রি হবে। দেলুটির দারুন মল্লিক এলাকার নিশিত জানান এ বছর আমি ৫ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করেছি। বর্তমানে ফসলের অবস্থা   ভালো।  

 তরমুজ পুষ্টিগুণে ভরা একটি ফল। এর প্রায় ৯৬ শতাংশ পানি। তরমুজ প্রচন্ড গরমে পানির চাহিদা পূরণ ও শরীর ঠান্ডা রাখে,উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হৃদপিন্ড ভালো রাখে। তরমুজ মানব দেহের হৃদরোগ,হাপানী, মস্তিকের রক্তক্ষরণ ও ক্যান্ডার প্রতিরোধ করে। তরমুজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। সুষ্ঠু রক্ত সঞ্চালন, মুখের ঘা, সর্দি, ঠান্ডা জ্বর প্রতিরোধ করে, কিডনি ভালো রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হাড়ের জোড়ামজবুতসহ চোখের সমস্যা দূর করে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, তরমুজ একটি লাভজনক ফসল। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে চাষ শুরু করা হয় এবং এপ্রিলের  তরমুজ বাজারজাত করা যায়। তরমুজ চাষে এক বিঘা জমিতে ১৫/১৮ হাজার টাকা খরচ হয়। খুব বেশি পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। সার-পানি দিলেই হয়। এক বিঘা জমির উৎপাদিত তরমুজ ১লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে অত্র এলাকার তরমুজের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এখানকার উৎপাদিত তরমুজ ঢাকা, সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়।এখানকার তরমুজের মান ভালো।সে জন্য বিভিন্ন জেলায় চাহিদা রয়েছে।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)