শিরোনাম:
পাইকগাছা, রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮
SW News24
বৃহস্পতিবার ● ২৯ এপ্রিল ২০২১
প্রথম পাতা » কৃষি » কেশবপুরে পাট চাষে লক্ষ্যমাত্র ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা
প্রথম পাতা » কৃষি » কেশবপুরে পাট চাষে লক্ষ্যমাত্র ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা
২৩ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ২৯ এপ্রিল ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কেশবপুরে পাট চাষে লক্ষ্যমাত্র ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা

---

এম. আব্দুল করিম, কেশবপুর থেকে : 

যশোরের কেশবপুরে আগাম পাট চাষে ঝুকছে কৃষক। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় উপজেলার অধিকাংশ পাট চাষীরা ইতিমধ্যেই সেচের মাধ্যমে আগাম জাতের প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করেছে। বাজারে পাটের দাম ভাল থাকায় নাবিতে হলেও বোরো ধান কেটে ঐ জমিতে কৃষকরা পাটের আবাদ শুরু করেছে। কৃষকদের মাঝে পাট চাষে যে পরিমানে আগ্রহ দেখাগেছে তাতে এবছর পাট চাষের লকক্ষ্যমাত্র ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি কেশবপুরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রচন্ড তাপদাহ পাট চাষে কিছুটা বিগ্ন হলেও সেচের মাধ্যমে তা পুশিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে চাষীরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৪ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছরের লক্ষ্যমাত্রার সমান। গত বছর লক্ষ্য মাত্রা অর্জিত না হলেও এ বছর লক্ষ্য মাত্র ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় ২ হাজার  হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। আবাদকৃত ক্ষেতে পাটের চারা গজালেও তীব্র দাপদাহের কারণে অনেক কৃষকের ক্ষেতের কচি পাতা কুঁকড়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি না হওয়ায় পাটের চারা রক্ষা করতে কৃষকরা দূর থেকে পাইপের মাধ্যমে সেচ দিচ্ছে। এতে তাদের পাট উৎপাদন খরচও বেড়ে গেলেও আগাম চাষে কৃষকরা লাভবান হবে বলে আশা করছেন তারা।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, বৃষ্টি না হওয়ায় ১ বিঘা জমিতে ১ বার সেচ দিতে তাদের ৬শ থেকে ৭শ টাকা খরচ হচ্ছে। গতবছর পাট চাষে লাভ হওয়ায় এবার বিলে ঝিলের প্রায় সব বোরো ধানের জমিতে পাট আবাদ করেছে। কিন্তু খরার কারণে ক্ষেতে সেচ দিতে গিয়ে চাষীরা পড়ছে বাড়তি খরচের মুখে। তাছাড়া তীব্র গরমের মধ্যে আগাছা পরিষ্কার করাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মহাদেব চন্দ্র সানা বলেন, চলতি মৌসুমে কেশবপুরে ৪ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২ হাজার হেক্টরেরও বেশী জমিতে আবাদ হয়েছে। প্রচন্ড দাপদাহে কারণে কৃষকদের বিকালের পর ক্ষেতে সেচ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এবছর পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)