শিরোনাম:
পাইকগাছা, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

SW News24
রবিবার ● ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
প্রথম পাতা » বিবিধ » আশাশুনির চাপড়া বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গন, আতঙ্কিত এলাকাবাসি
প্রথম পাতা » বিবিধ » আশাশুনির চাপড়া বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গন, আতঙ্কিত এলাকাবাসি
৯৪২ বার পঠিত
রবিবার ● ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আশাশুনির চাপড়া বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গন, আতঙ্কিত এলাকাবাসি

---

 

আশাশুনি  : আশাশুনির বুধহাটা ইউনিয়নের মধ্যম চাপড়া (পূর্ব পাড়া) মরিচ্চাপ নদীর বাঁধ ভাঙ্গন দ্রুতই বেড়ে চলেছে। নতুন করে ২ দিনে ১০ হাত বাঁধ নদী গর্ভে বিলীন, ২টি বাড়ি বিধ্বস্থ ও ৮টি বাড়ি ভাঙ্গনের হাতছানিতে হুমকী গ্রস্থ হয়ে পড়েছে। প্রশাসন ও পাউবো কর্তৃপক্ষ জনদাবী উপেক্ষা করায় আজকের এই পরিণতির সৃষ্টি হয়েছে বলে ভুক্তভোগিরা দাবী করেছেন।

আশাশুনি সদর ও বুধহাটা ইউনিয়নের চাপড়া গ্রামের মধ্যস্থল দিয়ে মরিচ্চাপ নদী প্রবাহিত। নদীর প্রখর স্রোতে চাপড়ার পাড়ে ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে শত শত ঘরবাড়ি, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা নদী গর্ভে চলে গেছে। আশাশুনির পাড়ে জেগে উঠেছে বিঘার বিঘার বিঘা জমি। ২০২১ সালে নদী খনন শুরু হলে অন্যান্য এলাকায় সিএস, এসএ ম্যাপ অনুযায়ী মোটামুটি সহনশীল ভাবে নদী খনন কাজ চলে আসলেও চাপড়ার পূর্বপাড়ায় সে নিয়মকে তুয়াক্কা না করে ভাঙ্গন কবলিত নদীকে নদী হিসাবে অটুট রাখার মাধ্যমে গ্রামকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। ফলে দিনের পর দিন নতুন নতুন এলাকা ভেঙ্গে যাচ্ছে। নতুন নতুন বাড়ি ঘর নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এলাকার মানুষ ও ভাঙ্গনের শিকার শত শত নারী পুরুষ প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। ইউএনও ও ডিসি সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন, মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন গ্রামবাসী। ইউএনও, ডিসি মহোদয়সহ পাউবোর কর্মকর্তাবৃন্দ অনেকবার ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করা হয়নি।

অন্যদিকে খনন কাজ অব্যাহত রাখায় নতুন নতুন এলাকায় ভাঙ্গন, ঘরবাড়ি বিধ্বস্থ হয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে মনিরুল ইসলাম ও মাজেদ সরদারের বসত ঘর নদীতে চলে গেছে। শাহিনুর ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম, মিঠু, মোহাম্মদ আলী, পল্টু, জাকাত ও রমজান আলীর বসতঘর, ল্যাট্রিন, গোয়ালঘর, পানির ট্যাংকি হুমকিতে রয়েছে। গত ২ দিনে ১০ হাত এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। অনেক গাছগাছালি নদীতে পড়েছে। ৩০ হাত নদীর গভীরতার পানির প্রখর স্রোতে এলাকার মানুষের হৃদয়কে নির্মম আঘাতে জর্জরিত করলেও সরকারি কর্মকর্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নকারীদের হৃদয়ে দরদ আনতে পারছেনা।

গ্রামবাসী ও ভাঙ্গন কবলিত মানুষের কষ্টে হিতাকাংখি উপজেলা যুব দলের সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ জানান, ভাঙতে থাকা গ্রামকে রক্ষা করতে বেড়ী বাঁধ নির্মান করে ও বাঁধ রক্ষার ব্যবস্থা করে তারপর নদী খনন করা হোক। মানুষের আহাজারী, সহায় সম্পদ নষ্ট হচ্ছে, তারপরও সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে যেভাবে খনন কাজ করা হচ্ছে, তা কখনই কল্যাণকর হবেনা। মানুষের দাবী ন্যায্য, এদাবির প্রতি সহানুভূশীল হয়ে দ্রুত বাঁধ রক্ষা ও ম্যাপ অনুযায়ী নদী খননের জন্য তিনি জোর দাবী জানান।





বিবিধ এর আরও খবর

শ্যামনগরে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস পাইকগাছায় সুপেয় পানি প্রকল্পের কাজ শুরু খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস পাইকগাছায় সুপেয় পানি প্রকল্পের কাজ শুরু
পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী প্রথম দুর্গাপূজার প্রচলন পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী প্রথম দুর্গাপূজার প্রচলন
সকল ঘটনার মাঝে সাম্প্রদায়িকতা খোজার ষড়যন্ত্র এদেশে চলতে পারবে না  - সংস্কৃতি মন্ত্রী সকল ঘটনার মাঝে সাম্প্রদায়িকতা খোজার ষড়যন্ত্র এদেশে চলতে পারবে না - সংস্কৃতি মন্ত্রী
সুন্দরবনের কেওড়া ফল উপকূলীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা সুন্দরবনের কেওড়া ফল উপকূলীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা
পাইকগাছায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে নাজেহাল সরকারী কর্মকর্তারা পাইকগাছায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে নাজেহাল সরকারী কর্মকর্তারা
পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুতা খুলে প্রবেশের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: সেবার মান উন্নয়নে নতুন ধারা পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুতা খুলে প্রবেশের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: সেবার মান উন্নয়নে নতুন ধারা
পাইকগাছায় পূজা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় পূজা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছার বোয়ালিয়া ব্রিজ সড়কের বেহাল দশা পাইকগাছার বোয়ালিয়া ব্রিজ সড়কের বেহাল দশা

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)