শিরোনাম:
পাইকগাছা, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২

SW News24
বুধবার ● ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রথম পাতা » প্রকৃতি » উৎকট গন্ধের গন্ধভাদালী ভেষজগুণ সম্পন্ন
প্রথম পাতা » প্রকৃতি » উৎকট গন্ধের গন্ধভাদালী ভেষজগুণ সম্পন্ন
১২৫ বার পঠিত
বুধবার ● ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

উৎকট গন্ধের গন্ধভাদালী ভেষজগুণ সম্পন্ন

--- প্রকাশ ঘোষ বিধান

গন্ধভাদালী চিকন ডালের লতানো গাছ। বংলাদেশের সর্বত্র বনাঞ্চলে এটি প্রচুর দেখা যায়। এছাড়া বিক্ষিপ্তভাবে দেশের অন্যত্রও জন্মে। গন্ধ ভাদালি বহুবর্ষজীবী লম্বা লতানো উদ্ভিদ যা ৫ থেকে ৭ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। গন্ধ ভাদালি লতা অন্য গাছের উপর নির্ভর করে বেড়ে উঠে।

এ গাছ চেনার বিশেষ উপায় হলো এর পাতায় উৎকট গন্ধ থাকে। মূলত এর উৎকট গন্ধের কারণে এরকম নামকরণ করা হয়েছে। গন্ধভাদুলে,গন্ধপাতালি, গন্ধবাদালি, গাঁদাল, গন্ধভাদালি, গন্ধভাদুরি, ভদ্রালতা, মধুলতা, বনভাদুরি, গন্ধভাদাল, ভাদাল, ভাদালিলতা, গন্ধালি প্রভৃতি স্থানীয় নামে পরিচিত। চরক ও সুশ্রুত সংহিতায় গন্ধবাদালি বা গন্ধাল এর নাম প্রসারনী। লতানো এই উদ্ভিদটি বাগানের ঝোপেঝাড়ে ও জঙ্গলে জন্মে। কাণ্ড থেকে জোড়ায় জোড়ায় পাতা হয়। কচিপাতা নরম ও সবুজ কিন্তু পরিপক্ব হলে পাতা খসখসে হয়।

গন্ধভাদালী বর্ষাকালে অজস্র লতাপাতায় ভরে যায়, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে ফুল ধরে এবং নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ফল হয়। সাদা ফুলের ভিতরে হালকা বেগুনি রং আছে। বীজ,কাণ্ড বা লতার মাধ্যমে নতুন গাছ হয়। তবে শীতের শেষে উদ্ভিদের গোড়ার দিকে নতুন কুঁড়ি গজায় এবং এগুলি কেটে লাগালেই নতুন গাছের জন্ম হয়।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আন্দামান নিকোবর দ্বীপ, ভুটান, কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, চীন ও তাইওয়ানে গন্ধভাদালি জন্মে।বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী বনাঞ্চলে প্রচুর জন্মে। তাছাড়া উপকূলসহ বিচ্ছিন্ন ভাবে দেশের অন্যত্রও জন্মে। এটিকে আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবেও লাগানো হয়।

আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় গন্ধভাদালির পাতা ব্যবহার হয়। এর ভেষজগুণ আছে। গন্ধভাদালির প্রধান ব্যবহার আমাশয় বা পেটের অসুখে। দাঁতের ব্যথায় এর ফল খুব উপকারি। পাতার জলীয় নির্যাস পাথর গলিয়ে দেয় ও মুত্রবর্ধক হিসাবে কাজ করে। পেটের পীড়ায় উপকার হয়।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)