শুক্রবার ● ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » কৃষি » মাগুরায় আপেল কুল চাষে ভাগ্যবদল পিকুল লস্করের
মাগুরায় আপেল কুল চাষে ভাগ্যবদল পিকুল লস্করের
শাহীন আলম তুহিন, মাগুরা থেকে : মাগুরায় প্রথমবারের মতো আপেল কুল চাষে ভাগ্য বদল করেছেন সদরের হাজরাপুর ইউনিয়নের মিঠাপুর গ্রামের কৃষক পিকুর লস্কর। মাত্র তিন বিঘা জমিতে এ চাষে পেয়েছেন তিনি সাফল্য। আপেল কুলের পাশাপাশি তিনি তার জমিতে চাষ করেছেন বল সুন্দরী ও বাউকুল। প্রতিটি গাছের আগা থেকে গোরা পর্যন্ত ফল এসেছে তার গাছে। এ বছর ৩ লক্ষ টাকার কুল বিক্রি করবেন বলে মনে করছেন তিনি।
কুল চাষী পিকুল লস্কর জানান, ২০২৫ সালের প্রথম দিকে রাওতারা গ্রামের উদ্যোক্তা নাসিরের কাছ থেকে কিছু আপেল কুলের চারা সংগ্রহ করি। তারপর নিজ জমিতে রোপন তা রোপন করি। চারা রোপনের পাশাপাশি গাছের পরিচর্যা বাড়ায়। নিয়মিত সার ও পানি সময় মতো দেওয়ার ফলে চারাগাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তিন মাস পর গাছে ফুল আসে তারপর ফল আসতে শুরু করে। প্রথমবার আমি আপেল কুল শুরুতে আড়তে ৬০-৭০ টাকা পাইকেরী দরে বিক্রি করি। তারপর আরো ভালো দামে বিক্রি শুরু করি।
তিনি আরো জানান,আমার বাগানের প্রতিটি গাছেই অস্বাভাবিক কুল ধরেছে। কুল বড় হয়ে প্রথমে সবুজ তারপর ধীরে ধীরে লাল হয়। বিশেষ করে বলসুন্দরী ও বাউকুল আরো অনেক বড় হয় যা দেখতে অনেক সুন্দর। বাউকুল দেখতে সবুজ এবং বড়। বল সুন্দরী দেখতে লাল- সবুজ খেতেও অনেক মিষ্টি। আমি আড়তের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানের পাইকারি ব্যাপারীরা আমার বাগানে এসে কুল সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। আমি আশাবাদী এ চাষে আমি সফল হব। আগামীতে প্রায় ১০ বিঘা জমিতে এ চাষ বৃদ্ধির আশা আছে আমার।
সদরের রাউতড়া গ্রামের চাষী শওকত আলী বলেন,আমি দেড় বিঘা জমিতে জমিতে আপেল কুল, বাওকুল ও বল সুন্দরী চাষ করেছি। অন্যান্য চাষের চেয়ে এ চাষে পরিশ্রম কম লাভ বেশি। প্রথমদিকে চারাগাছ গুলো একটু বড় হয়ে গেলে আর কোন পরিশ্রম নেই। শুধু চারাগাছগুলো একটু যত্ন নিলেই ভালো ফল পাওয়া যায়। তার পরবর্তী বছর গাছের তেমন যত্ন করতে হয় না। গাছের উপরের অংশ ছেঁটে দিয়ে গাছগুলোকে যত্নে রাখতে হবে তাহলে প্রতি বছর ভাল ফল পাওয়া যাবে।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক তাজুল ইসলাম বলেন,আপেল কুল চাষের জন্য জেলার আবহাওয়া খুবই উপযোগী। আমরা এ চাষে বরাবরই চাষীদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছি। এ বছর মাগুরায় ২০ হেক্টর জমিতে আপেল কুলের চাষ হয়েছে। এ চাষে আমরা কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও বিভিন্ন রকম সহযোগিতা করে আসছি ।






পাইকগাছায় তীব্র শীতের মধ্যে বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত চাষিরা
রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়ায় নড়াইলে বোরো ধান রোপনের ধুম পড়েছে
উন্মুক্ত মাঠে ছাগল চরিয়ে পালন করা লাভজনক
শীতকালে পাইকগাছায় রাস্তার পাশে গাছের উপর লতা জাতীয় সবজি চাষ জনপ্রিয় ও লাভজনক পদ্ধতি
কেশবপুরে পানি নিষ্কাশন বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধ অর্ধশত বিলে বোরো আবাদ অনিশ্চিত
মাগুরায় মধু চাষে বাজিমাত আলামিনের
তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় পাইকগাছায় বোরো আবাদ স্থবির হয়ে পড়েছে
তীব্র শীতে পাইকগাছার নারীরা ফসলের মাঠে
শ্যামনগরে লবণ সহনশীল কৃষি ফসল ও সবজি চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ 