শুক্রবার ● ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » মুক্তমত » পোড়া তেলে ভাজা ইফতার স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে
পোড়া তেলে ভাজা ইফতার স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে
ইফতারে ভাজাপোড়া অতিরিক্ত তেল ও চর্বিযুক্ত খাবার অ্যাসিডিটি, হজমের সমস্যা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই, সুস্থ থাকতে তৈলাক্ত ইফতার সামগ্রী না খাওয়াই ভালো।
ভাজাপোড়ায় ব্যবহৃত তেল কড়াই থেকে তিন-চার দিনেও ফেলা হচ্ছে না। আর ইফতারির নামে যা খাওয়া হচ্ছে তা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। আমাদের দেশে ইফতার মানেই ভাজাপোড়া জাতীয় তৈলাক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়। এটা বিশেষ করে যারা হার্টের রোগী, ডায়াবেটিসের রোগী তাদের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
সারাদিন রোজা রেখে ইফতারিতে তেলেভাজা বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, সামুচা, বেগুনি, জিলাপির মতো মুখরোচক খাদ্য গ্রহণ দেশে সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। পাড়া-মহল্লার হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে তৈরি ভাজাপোড়ার মচমচে আইটেম অধিকাংশ মানুষের ইফতারির অংশ হয়ে উঠছে। বাহারি পদের এসব খাবারের বেশিরভাগই অতিরিক্ত তেলে ভাজা থাকে। এসব খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
ইফতার তৈরির জন্য একই তেলে খাবার ভাজা হয়। কোন কোন তেলে পাঁচ ছয়বারের বেশি ভাজা হচ্ছে। তেল যখন অত্যধিক কালো রং ধারণ করে তেলের ঘনত্ব বেড়ে যায়, তখন তেল ছেকে নিচের মবিলের মত গাদ অংশ ফেলে দিয়ে ঐ তেলে আবার ভাজা হচ্ছে। অনেকেই যে তেলটা প্রথম দিন পাঁচ থেকে ছয়বার ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা পরের দিন আবারও ব্যবহার করেন। পরের দিন সেটার সঙ্গে নতুন তেল মেশান। এভাবেই চলতে থাকে। এতে বিষাক্ত রাসায়নিক যৌগ তৈরি হয়।
ইফতারে বাঙালির পছন্দের ভাজাপোড়া খাবারগুলো পুরোপুরি বাদ দেওয়া কঠিন। তাই কিছু কৌশলে এগুলোকে স্বাস্থ্যসম্মত করে তোলা সম্ভব।ভাজাপোড়া খাবারগুলো ডুবো তেলে না ভেজে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করে তৈরি করা যেতে পারে। যাতে তেলের ব্যবহার একদমই কমে যায়। এ ছাড়া বেকিং, গ্রিলিং বা স্টিমিং (ভাপানো) পদ্ধতিতেও চিকেন ফ্রাই বা কাটলেট স্বাস্থ্যকরভাবে তৈরি করা সম্ভব। ডুবো তেলের বদলে শ্যালো ফ্রাই বা অল্প তেলে ভাজা। ভাজার সময় প্যানে খুব সামান্য তেল ব্যবহার করা।
ভাজার পর খাবারগুলো ভালো মানের কিচেন টিস্যু বা শোষক কাগজে রাখুন যাতে অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার খেলে হজমের সমস্যা, এসিডিটি এবং রক্তে কোলেস্টেরল বাড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সুস্থ থাকতে পরিমিত খাবার এবং স্বাস্থ্যকর রান্নার পদ্ধতি বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
ইফতারের মেনুতে ভাজাপোড়া খাবারের সংখ্যা কমিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফল এবং শরবত বা দই পুষ্টিকর। রোজার দিন শেষে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে ইফতারে পানি, ডাবের পানি বা ফলের শরবত রাখা ভালো। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার শরীরকে সারাদিন রোজা রাখার পর প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি জোগায়।






একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষার প্রতি ভালবাসার দিন
স্কাউটিং শিক্ষা পদ্ধতি জীবনের শৃঙ্খলাবোধ শেখায়
বন্য পশুর রোগ নিরাময়ে পাখির ভূমিকা
সারাবিশ্বে বেতার এক জনপ্রিয় গণমাধ্যম
৯ ফেব্রুয়ারি চকলেট ডে
নিরাপদ খাদ্য সবার জন্য জরুরি
সুন্দরবন দিবসের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব
জ্ঞানচর্চায় গ্রন্থাগারের গুরুত্ব
জলাভূমি বাংলাদেশের এক অনন্য প্রাকৃতিক সম্পদ 