শিরোনাম:
পাইকগাছা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২

SW News24
বুধবার ● ২৫ মার্চ ২০২০
প্রথম পাতা » কৃষি » পাইকগাছায় সজিনার বাম্পার ফলন
প্রথম পাতা » কৃষি » পাইকগাছায় সজিনার বাম্পার ফলন
৫৭৩ বার পঠিত
বুধবার ● ২৫ মার্চ ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পাইকগাছায় সজিনার বাম্পার ফলন

---

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ পাইকগাছায় সজিনার ব্যাম্পার ফলন হয়েছে। বৈরি আবহাওয়ার পরও সজিনার ফলন ভালো হয়েছে। সজিনা চাষিরা উচ্চ মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা খুশি। মূল্যবেশি পাওয়ায় কৃষকরা সজিনার ডাল রোপন করতে উৎসাহিত হচ্ছে। বসতবাড়ীর আশে পাশে রাস্তার ধারে ক্ষেতের আইলে লাগানো সজনে গাছ যতœ ছাড়াই অবহেলার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে। সজিনা পুষ্টি ও ভেজষগুনে ভরা সবজি হিসাবে খুব দামী। সজিনার ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মুল্যে বিক্রি হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা এখন পতিত জমিতে পরিকল্পিতভাবে সজিনা গাছ লাগিয়ে লাভবান হচ্ছে।উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে প্রায় ২১ হাজার গাছ আছে। প্রতি বাড়ীতে কমপক্ষে ৩/৪ টি গাছ রয়েছে। এসব গাছ বাড়ীর পাশে ও ক্ষেতের আইলে লাগানো। গাছে ফলনও বেশী হয়। যতœ ছাড়াই এসব গাছ বেড়ে উঠেছে। দেশে ২টি জাত আছে সজিনা ও নজিনা। সজিনার ফুল আসে জানুয়ারীতে আর নজিনা ফুল আসে মার্চ মাস থেকে। তবে সব ফুল থেকে ফল হয় না। একটি থোকায় ১৫০টি মত ফুল হয়। ফুল ৪০ সেঃ মিঃ থেকে ৮০ সেঃ মিঃ পর্যন্ত লম্বা হয়। ফুল ফুটার ২ মাস পর ফল তোলা যায়। একটি বড় গাছে ৪’শ থেকে ৫’শ ফল ধরে। প্রতিটি ফলে ৩০-৪০ টি বীজ হয়। গাছ প্রতি সর্বোচ্চ ৩০/৭০ কেজি ফল পাওয়া যায়। মৌসুমের শুরুতে সজিনার কেজি ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশে সাধারণ ডাল কেটে ডাল রোপন করে সজিনা গাছ লাগানো হয়। ভারত থেকে হাইব্রিড সজিনার জাত এদেশে এসেছে। এ জাতের বীজ বপন করে লাগাতে হয়। হাইব্রিড জাতের সজিনা গাছে দু’বার ফুল আসে। ফেব্রুয়ারী-মার্চ ও জুন-জুলাই মাস। বিগত মৌসুমে ২৫ হাজার সজিনার ডাল রোপন করা হয়েছে। সজিনার মৌসুম শেষে এ বছরও ডাল রোপন করা হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ বছর অসময়ে ঝড়বৃষ্টি হয়নি, সজিনার ফুল আসার আহে শৈতপ্রবাহ হয়নি ও কুয়াশাও তেমন একটা পড়েনি। সর্বপরি আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এ বছর সজিনার সর্বোচ্চ ফলন হয়েছে। তিনি আরো জানান,  উপজেলার প্রতি বাড়ীতে কমবেশি জ্জ করে সজিনা গাছ আছে। সজিনা পুষ্টিকর সবজি হিসাবে ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে সজিনা ক্ষেত গড়ে তোলার জন্য উদ্ভুদ্ধ করা হচ্ছে। প্রতি বছর উপজেলায় সজিনা গাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষকরা সজিনার উচ্চমুল্য পাওয়ায় তারা লাভবানও হচ্ছে।





কৃষি এর আরও খবর

পাইকগাছায় তীব্র শীতের মধ্যে বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত চাষিরা পাইকগাছায় তীব্র শীতের মধ্যে বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত চাষিরা
রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়ায় নড়াইলে বোরো ধান রোপনের ধুম পড়েছে রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়ায় নড়াইলে বোরো ধান রোপনের ধুম পড়েছে
মাগুরায় আপেল কুল চাষে ভাগ্যবদল পিকুল লস্করের মাগুরায় আপেল কুল চাষে ভাগ্যবদল পিকুল লস্করের
উন্মুক্ত মাঠে ছাগল চরিয়ে পালন করা লাভজনক উন্মুক্ত মাঠে ছাগল চরিয়ে পালন করা লাভজনক
শীতকালে পাইকগাছায় রাস্তার পাশে গাছের উপর লতা জাতীয় সবজি চাষ জনপ্রিয় ও লাভজনক পদ্ধতি শীতকালে পাইকগাছায় রাস্তার পাশে গাছের উপর লতা জাতীয় সবজি চাষ জনপ্রিয় ও লাভজনক পদ্ধতি
কেশবপুরে পানি নিষ্কাশন বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধ অর্ধশত বিলে বোরো আবাদ অনিশ্চিত কেশবপুরে পানি নিষ্কাশন বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধ অর্ধশত বিলে বোরো আবাদ অনিশ্চিত
মাগুরায় মধু চাষে বাজিমাত আলামিনের মাগুরায় মধু চাষে বাজিমাত আলামিনের
তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় পাইকগাছায় বোরো আবাদ স্থবির হয়ে পড়েছে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় পাইকগাছায় বোরো আবাদ স্থবির হয়ে পড়েছে
তীব্র শীতে পাইকগাছার নারীরা ফসলের মাঠে তীব্র শীতে পাইকগাছার নারীরা ফসলের মাঠে
শ্যামনগরে লবণ সহনশীল কৃষি ফসল ও সবজি চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ শ্যামনগরে লবণ সহনশীল কৃষি ফসল ও সবজি চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)