শিরোনাম:
পাইকগাছা, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩

SW News24
রবিবার ● ২৮ জুন ২০২৬
প্রথম পাতা » আঞ্চলিক » পাইকগাছায় বিদ্যুৎ এর লোড শেডিং চরমে : ভোগান্তির শেষ নেই
প্রথম পাতা » আঞ্চলিক » পাইকগাছায় বিদ্যুৎ এর লোড শেডিং চরমে : ভোগান্তির শেষ নেই
১৭ বার পঠিত
রবিবার ● ২৮ জুন ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পাইকগাছায় বিদ্যুৎ এর লোড শেডিং চরমে : ভোগান্তির শেষ নেই

 

---খুলনার পাইকগাছায় গত কয়েকদিন ধরে বিদ্যুতের লোড শেডিং খুব বেশী হচ্ছে। যার ফলে জনসাধারণের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। গরম বাড়ার সাথে সাথে পাইকগাছায় লোড শেডিংয়ের মাত্রাও যেন মারাত্মক হারে বেড়েছে। এতে জন জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘণ্টায়-ঘণ্টায় হচ্ছে লোডশেডিং। দিন রাত কোনো বিরতি নেই। সন্ধ্যা থেকে ভোররাত, সকাল থেকে বিকেল, একঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলে তিন ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। কোনো কিছুতেই স্বস্তি মিলছে না। এই অবস্থা আবহাওয়ার উপর নির্ভর করা ছাড়া আর কোনো আশার কথা শুনাতে পারেনি বিদ্যুৎ বিভাগ। বৃষ্টিতে আবহাওয়া শীতল হলে কমবে চাহিদা, কমবে লোডশেডিংয়ের মাত্রা। বিদ্যুৎ বিভাগ বলেছে গরমে চাহিদা বেড়েছে কিন্তু সেই আলোকে উৎপাদন বাড়েনি। তাই সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং বেড়েছে।

 

এ দিকে বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। লোডশেডিংয়ের মাত্রা চরম পর্যায়ে পৌঁছায়েছে, ঘরে বাইরে কোথাও একটু স্বস্তি মিলছেনা। সারারাত থেমে থেমে লোডশেডিংয়ের পর সকালে যে একটু ঘুমাবেন তারও উপায় থাকছে না কর্মজীবী মানুষদের। উপায়ান্তর না পেয়ে না ঘুমিয়েই কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে তাদের।

 

 

পাইকগাছা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) অঞ্জন কুমার সরকার বলেন, পাইকগাছা উপজেলায় বিদ্যুতের ১৮ মেগাওয়ার্ট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ মিলছে ৫ মেগাওয়ার্ট। ফলে ঘাটতি ১৩ মেগাওয়ার্ট।

তিনি আরও বলেন, গরম বাড়ায় চাহিদা বেড়েছে। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন তো বাড়েনি, ফলে সরবরাহ কম থাকায় ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তাই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। এমনি ভাবে লোড শেডিং চলুক এটা আমরাই চাইনা। আমরাও চাই জনভোগান্তি না থাকুক। এই তীব্র গরমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে মানুষ একটু স্বস্তি পাবে আর এটাই আমাদের কাম্য। কিন্তু উপায় নেই, যদি মেগাওয়ার্ট ঘাটতিই থেকে যায় তাহলে চাহিদা পূরণ করবো কি ভাবে। চাহিদা অনুযায়ী মেগাওয়াট বরাদ্দ থাকলে এ উপজেলায় লোড শেডিং থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র জনসাধারণ বিদ্যুৎতের লোডশেডিংয়ের আওতাধীন নয় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদেরও এ লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

আর লোডশেডিং শুধুমাত্র পাইকগাছা উপজেলায় সীমাবদ্ধ নয়, বিদ্যুৎয়ের লোডশেডিং চলছে পুরো খুলনা জেলা জুড়ে। সর্বোপরি তিনি বলেন, যদি আবহাওয়া শীতল হয় কিংবা বৃষ্টি হয় তাহলে বিদ্যুৎয়ের যেমন কমবে চাহিদা সাথে কমবে লোড শেডিংয়ের মাত্রা। আর অন্য দিকে চাহিদা অনুযায়ী মেগাওয়াট বাড়ালে লোডশেডিং কমে বিদ্যুৎ সরবরাহও স্বাভাবিক থাকবে আর একই সাথে জনদুর্ভোগ লাঘব হবে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)