শিরোনাম:
পাইকগাছা, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

SW News24
সোমবার ● ২৯ জুন ২০২৬
প্রথম পাতা » অপরাধ » ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে নড়াইলে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ; কম্পিউটার ভাঙচুর
প্রথম পাতা » অপরাধ » ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে নড়াইলে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ; কম্পিউটার ভাঙচুর
১০ বার পঠিত
সোমবার ● ২৯ জুন ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে নড়াইলে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ; কম্পিউটার ভাঙচুর

---নড়াইল প্রতিনিধি; ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে নড়াইল সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হানকে মারধর এবং অফিসের কম্পিউটার ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রোববার (২৮ জুন) রাতে মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হান বাদী হয়ে নড়াইলের যদুনাথপুর গ্রামের টিপু সুলতানের ছেলে জিসানুর রহমানের (৩০) নামে মামলা দায়ের করেছেন। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে চার থেকে পাঁচজনকে। জিসানুর নিজেকে ছাত্রদলের সাবেক নেতা পরিচয় দিতে থাকেন বলে জানান মৎস্য অফিসের কর্মচারীরা। তবে, জিসানুর বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবকদল সদর উপজেলার বাশগ্রাম ইউনিয়নের সদস্য সচিব বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, নড়াইল সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে জিসানুর রহমান প্রায়ই বিভিন্ন গোপনীয় তথ্য চাইতেন। তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে জিসানুর অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গালমন্দ করে থাকেন। ঘটনার দিন গত রোববার বিকেলে জিসানুরসহ অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজন মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় জেলার সুবিধাভোগী সদস্যের প্রদর্শনী তালিকা দাবি করেন তিনি।

মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হান জানান, এর আগেও আপনাকে (জিসানুর) একাধিকবার তথ্য দেওয়া হয়েছে। এই কথা শোনার পর জিসানুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে কিল-ঘুষি মেরে নাক, মুখ, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় অফিসের কর্মচারীরা মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হানকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া অফিসের টেবিলে থাকা প্রায় ৬৮ হাজার টাকা মূল্যের সরকারি ডেস্কটপ কম্পিউটার ও মনিটর আছড়ে ভেঙে ফেলেন স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা জিসানুর। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সরকারি কাজে বিঘœ সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও এজাহারে বলা হয়েছে। এছাড়া জিসানুর মৎস্য কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে জিসানুর রহমান পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার অফিসে উপকারভোগীদের নামের তালিকা চেয়েছিলাম। তথ্য না পেয়ে ফিরে আসার সময় অফিসের কর্মচারী আমাকে উদ্দেশ্য করে বলে ওঠেন, ্আমি নাকি সবকিছু মোবাইল ফোনে ভিডিও করে নিয়ে যাচ্ছি। এক পর্যায়ে মৎস্য অফিসের কর্মচারীরা মেঝেতে ফেলে জিসানুরকে এলোপাতাড়ি মারপিট করেন বলে দাবি করেন তিনি। তার কথা, ‘আমি কেন কর্মকর্তাকে মারতে যাব’।
নাম প্রকাশ না করে বিভিন্ন পেশার মানুষ দাবি করেন, অফিসে যদি সিসিটিভি ফুটেজ থাকে; তাহলে তা পর্যালোচনা করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধের দ্রæত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, মৎস্য কর্মকর্তার এজাহারের ভিত্তিতে রোববার রাত ৯ টার দিকে মামলাটি রজু করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)