বৃহস্পতিবার ● ৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রথম পাতা » কৃষি » জি-নাইন কলা চাষে সফল পাইকগাছার নারায়ণ অধিকারী
জি-নাইন কলা চাষে সফল পাইকগাছার নারায়ণ অধিকারী
প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা ঃ জি-নাইন কলা চাষ বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চাষিরা এতে অসাধারণ সাফল্য পাচ্ছেন। অল্প সময়ে অধিক ফলন, রোগবালাই কম এবং কলা সংরক্ষণ করা সহজ হওয়ায় টিস্যু কালচারের মাধ্যমে তৈরি এই উন্নত জাতের কলা গাছ ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
খুলনার পাইকগাছার গোপালপুর, মটবাটি, গদাইপুরসহ বিভিন্ন স্থানে কৃষকরা কৃষি অফিস ও নার্সারীর সহযোগিতায় টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে এই কলার চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। বাড়ির আঙ্গিনা ও কলার ক্ষেত তৈরি করে জি-নাইন কলা চাষ করা হচ্ছে। উপজেলার নতুন বাজারের পাশে গোপালপুর গ্রামের নারায়ণ আধিকারী বাড়ির আঙ্গিনায় প্রায় দুই শতক জমিতে জি-নাইন কলা চাষ করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন। তার দেখাদেখি অনেকেই জি-নাইন কলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
প্রতি গাছে প্রায় ৩০ কেজি বা তার বেশি ওজনের কাঁদি হয়। চারা রোপণের মাত্র ৭ মাসের মধ্যে ফলন বা মোচা আসতে শুরু করে এবং ৯ থেকে ১১ মাসের মধ্যে কলা কেটে বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়ে যায়। সাধারণ জাতের কলার চেয়ে অনেক কম সময়ে ফলন পাওয়া যায়। এই জাতটি রোগ-বালাই ও পচনশীলতা বেশ ভালো সহ্য করতে পারে।
কলার আকার বড়, লম্বা, সোনালী-সবুজ রঙের এবং শক্ত ও মাংসল হয় বলে স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও এর চাহিদা রয়েছে। প্রচলিত অন্য যেকোনো কলা চাষের তুলনায় কৃষকরা প্রায় দ্বিগুণ মুনাফা অর্জন করছেন।
পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার একরামুল হোসেন জানান,জি-নাইন জাতের কলা দেশে তুলনামূলক নতুন হলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি জনপ্রিয়। অনেক কৃষক ইতোমধ্যে এ জাতের কলা চাষের বিষয়ে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করছেন। কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।






পাইকগাছায় আমন চাষিদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এলো বৃষ্টি
জমির সবুজ সার ধৈঞ্চার চাষ হারিয়ে যাচ্ছে
মহম্মদপুরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে এয়ারফ্লো মেশিন বিতরণ
পাইকগাছায় ঘেরের আইলে সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়েছে
পাইকগাছায় আউশ ধানের ফলন ভাল হয়েছে
ক্ষেতের কুমড়ো ফুলে কৃষকের বাড়তি আয়
মাগুরায় ১০ দিনের বৃক্ষ ও ফল মেলার উদ্বোধন
পাইকগাছার সোলাদানায় অফ-সিজনে তরমুজ চাষের ব্যাপক উদ্যোগ
মাগুরায় পাটের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি 