শিরোনাম:
পাইকগাছা, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২

SW News24
মঙ্গলবার ● ১৬ অক্টোবর ২০১৮
প্রথম পাতা » ইতিহাস ও ঐতিহ্য » গরীর শাহ দেওয়ান ছিলেন মাগুরার কিংবদন্তী
প্রথম পাতা » ইতিহাস ও ঐতিহ্য » গরীর শাহ দেওয়ান ছিলেন মাগুরার কিংবদন্তী
১৬৮৮ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ১৬ অক্টোবর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গরীর শাহ দেওয়ান ছিলেন মাগুরার কিংবদন্তী

---
মাগুরা প্রতিনিধি: গরীর শাহ দেওয়ানকে  বলা হয়  মাগুরার  কিংবদন্তী । মাগুরার  মানুষের  কাছে  তার  অলৌকিক  ক্ষমতার  কথা  প্রচলিত  আছে ।
কথিত  আছে, একবার  বৃটিশ  সরকারের  নীল কুঠি ইনচার্য টমাস টুইডি  মাগুরার হাজরাপুর এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময়  হানু নদীর তীরে গরীব শাহ‘র দেখা পেয়ে ছিলেন । এ সময়  তিনি তাকে ভিক্ষুক ভেবে একটি মুদ্রা দেন ।  গরীব শাহ মুদ্রাটি  হাতে  নিয়ে  হানু  নদীতে ফেলে দেন । এতে  রাগান্বিত  হয়ে টমাস টুইডি  গরীব শাহের কাছে মুদ্রাটি ফেরত চান ।  তখন গরীব শাহ দেওয়ান ওই কর্মকর্তাতে হাত পাততে বলেন । দেখা যায়,কিছু সময় পর অসংখ্য মুদ্রায় তার হাত ভরে যায় । টমাস টুইডি তখন তার নিজের ভুল বুঝতে পেরে  তার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চান এবং তার শিষ্যত্ব গ্রহন করেন ।
ইতিহাস খ্যাত এ সাধকের বাড়ি মাগুরা  শ্রীপুর উপজেলার নহাটা গ্রামে । এই গ্রামেরই সাধক শাহ দেওয়ান ছিলেন হযরত খানজাহান আলীর শিষ্য । সেই সূত্রে ধারনা  করা হয়, পঞ্চদশ শতাদ্বীর প্রথম  ভাগেই তার জন্ম । যশোরসহ সাত জেলায় তার সাতটি মাজার  রয়েছে ।
গত সোমবার বাংলা ৩০শে আশ্বিন  তার মহাপ্রয়াণ দিবসে মাগুরার  শ্রীপুর উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন  স্থানের  ভক্তরা মিলিতে  হয়েছিলেন বাৎসরিক ওরশে  তার মাজারে । অনেকেই নানা মনোবাসনা পূরণ ও বিপদ থেকে মুক্তির জন্য তার মাজারে দোয়া ও মানত করতে আসেন ।
শ্রীপুর উপজেলা থেকে আসা  ষার্টধো নারী সালমা  জানান,  আমি ৪  বছর ধরে এ মাজারে  আসি । মানত  করি । অনেক  বিপদ আপদ থেকে  মুক্তি পায় । বিশ্বাস আর ভক্তি আছে বলেই আমি এখানে আসি ।

---স্থানীয়  নারী  হাসিনা বেগম জানান, এ এলাকায় মাহবুবে এলাহি হযরত গরীব শাহ দেওয়ান ছিলেন  মানুষের প্রাণ । তিনি নানা গুনে গুনান্বিত  ও অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন । তার প্রতি মানষের  ভালোবাসা প্রবল থাকার কারণেই  প্রতি বছর এখানে অসংখ্য ভক্তের সমাগম ঘটে।
বর্তমান  খাদেম মো: আতিয়ার রহমান জানান, প্রতি  বাংলা মাসের ৩০ আশ্বিন এখানে  ওরশ হয় । যেখানে প্রায় ৩০-৪০ হাজার মানুষ  সমাগম ঘটে থাকে । আমরা মাজারের  পবিত্রতা রক্ষার জন্য সর্বাত্বক চেষ্টা  চালিয়ে যাচ্ছি। প্রতি বছর ওরশে লোক সমাগম বাড়ছে । আগামীতে আরো বাড়বে । আমরা মানুষের ভালোবাসা  নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই ।





ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরও খবর

বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জরাজীর্ণ জন্মভিটা সংস্কারের কাজ শুরু বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জরাজীর্ণ জন্মভিটা সংস্কারের কাজ শুরু
বীরাঙ্গনা গুরুদাসী মাসী বীরাঙ্গনা গুরুদাসী মাসী
আগাছা ও জঙ্গলে পরিপূর্ণ ‘শিল্পী এস এম সুলতান ঘাট’ আগাছা ও জঙ্গলে পরিপূর্ণ ‘শিল্পী এস এম সুলতান ঘাট’
মাগুরার বিনোদপুরে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত রাম বাবুর বাড়িটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে মাগুরার বিনোদপুরে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত রাম বাবুর বাড়িটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে
কেশবপুর ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থাপনায় সমৃদ্ধ পর্যটনের লীলাভুমি কেশবপুর ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থাপনায় সমৃদ্ধ পর্যটনের লীলাভুমি
স্মৃতিচিহ্ন মুছে যাচ্ছে বাজারখোলা দোল মন্দিরের স্মৃতিচিহ্ন মুছে যাচ্ছে বাজারখোলা দোল মন্দিরের
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাইকগাছা ক্যাম্পাস বিজ্ঞানী পিসি রায়ের নামে নামকরণের দাবি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাইকগাছা ক্যাম্পাস বিজ্ঞানী পিসি রায়ের নামে নামকরণের দাবি
অযত্ন- অবহেলায় মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মামার বাড়ি অযত্ন- অবহেলায় মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মামার বাড়ি
মণিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া গ্রামের ধনপোতা ঢিবিতে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন শুরু মণিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া গ্রামের ধনপোতা ঢিবিতে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন শুরু
মাগুরায় হারিয়ে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি মাগুরায় হারিয়ে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি

আর্কাইভ