শিরোনাম:
পাইকগাছা, রবিবার, ৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩

SW News24
রবিবার ● ১ আগস্ট ২০২১
প্রথম পাতা » সংস্কৃতি ও বিনোদন » জগতবিখ্যাত বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ১৬০ তম জন্মবার্ষিকী
প্রথম পাতা » সংস্কৃতি ও বিনোদন » জগতবিখ্যাত বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ১৬০ তম জন্মবার্ষিকী
৫২২ বার পঠিত
রবিবার ● ১ আগস্ট ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

জগতবিখ্যাত বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ১৬০ তম জন্মবার্ষিকী

---

এস ডব্লিউ নিউজঃ

২ আগষ্ট  জগতবিখ্যাত বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ১৬০ তম জন্মবার্ষিকী।বাঙালির গৌরব প্রথিতযশা বিজ্ঞানী প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ।যিনি পিসি রায় নামেই সর্বাধিক পরিচিত।  খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার রাডুলি গ্রামে  ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি  ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দের ১৬ জুন ৮৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।তিনি ছিলেন একাধারে একজন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ, বিজ্ঞানশিক্ষক,  দেশীয় শিল্পোদ্যোক্তা, দার্শনিক ও কবি।

মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে লকডাউন চলছে। এ কারনে উপজেলা প্রশাসন ও সংস্কৃতিক সংগঠনগুলি পি সি রায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পনসহ সিমিত আকারে জন্মবার্ষিকী পালন করবে।পিসি রায় বেঙ্গল কেমিক্যালের প্রতিষ্ঠাতা এবং মার্কিউরাস নাইট্রাইট’র আবিস্কারক। জগদীশ চন্দ্র বসুর সহকর্মীও ছিলেন এ বিজ্ঞানী। খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার রাডুলি গ্রামে ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন এই বিজ্ঞানী। রাড়–লীর  জমিদার হরিশচন্দ্র রায়ও ভুবনমোহিনী দেবীর তৃতীয় পুত্র।

১৮৭৮ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন পি সি রায়। এরপর ভর্তি হন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রতিষ্ঠিত মেট্রোপলিটন কলেজে (বর্তমান বিদ্যাসাগর কলেজ)। ১৮৮১ সালে সেখান থেকে এফএ পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করে ভর্তি হন প্রেসিডেন্সি কলেজে বিএ ক্লাসে। সেখান থেকে গিলক্রিস্ট বৃত্তি নিয়ে তিনি স্কটল্যান্ডের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বিএসসি পাশ করেন।

ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ঘুরে ১৮৮৮ সালে প্রফুল্লচন্দ্র রায় স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। দেশে ফিরে প্রেসিডেন্সি কলেজে প্রায় ২৪ বছর অধ্যাপনা করেছিলেন। অধ্যাপনাকালে তাঁর প্রিয় বিষয় রসায়ন নিয়ে নিত্য নতুন অনেক গবেষণাও চালিয়ে যান। তাঁর উদ্যোগে নিজস্ব গবেষণাগার থেকেই বেঙ্গল কেমিক্যাল কারখানা হয়। পরে ১৯০১ সালে তা কলকাতার মানিকতলায় ৪৫ একর জমিতে স্থানান্তরিত হয়। তখন এর নতুন নাম রাখা হয় বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস লিমিটেড।১৮৯৫ সালে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে মারকিউরাস নাইট্রাইট  আবিষ্কার করেন। তাঁর ওই আবিষ্কার বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তোলে। এটি তাঁর অন্যতম প্রধান আবিষ্কার। সমগ্র জীবনে মোট ১২টি যৌগিক লবণ এবং পাঁচটি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন তিনি। সমবায়ের পুরোধা স্যার পিসি রায় ১৯০৯ সালে নিজ জন্মভূমিতে একটি কো-অপারেটিভ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি পিতার নামে আর কে বি কে হরিশ্চন্দ্র স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।

বাগেরহাটে ১৯১৮ সালে  প্রতিষ্ঠা করেন  পি সি রায় কলেজ। দেশে শিক্ষা বিস্তারে আজ বিশাল ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। ১৯৪৪ সালের ১৬ জুন ৮৩  বছর বয়সে ভারতের কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন এই  বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী।





সংস্কৃতি ও বিনোদন এর আরও খবর

পাইকগাছায় কেমিস্টস এন্ড ড্রাগিস্টস সমিতি বাৎসরিক বনভোজন ও মিলন মেলা পাইকগাছায় কেমিস্টস এন্ড ড্রাগিস্টস সমিতি বাৎসরিক বনভোজন ও মিলন মেলা
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ১৮ বছরে সংস্কৃতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে - সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ১৮ বছরে সংস্কৃতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে - সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
পাইকগাছার গদাইপুর মাঠে চৈত্র সংক্রান্তি মেলা ও বৈশাখী উৎসব অনুষ্ঠিত পাইকগাছার গদাইপুর মাঠে চৈত্র সংক্রান্তি মেলা ও বৈশাখী উৎসব অনুষ্ঠিত
মাগুরায় বর্ষবরণ উৎসবে লাঠিখেলা ও ঝাপাং খেলা মাগুরায় বর্ষবরণ উৎসবে লাঠিখেলা ও ঝাপাং খেলা
পাইকগাছায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন পাইকগাছায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন
খুলনায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন খুলনায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন
পাইকগাছায় বাড়ি বাড়ি চড়ক পূজার সন্ন্যাসী নৃত্য পাইকগাছায় বাড়ি বাড়ি চড়ক পূজার সন্ন্যাসী নৃত্য
সংস্কৃতি একটি দেশের উন্নয়নের পরিচয় বহন করে  - সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সংস্কৃতি একটি দেশের উন্নয়নের পরিচয় বহন করে - সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
পাইকগাছায় মেলা ঘিরে কুমারপাড়ার মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা পাইকগাছায় মেলা ঘিরে কুমারপাড়ার মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা
পাইকগাছার গদাইপুর মাঠে চৈত্র সংক্রান্তির মেলা ও বৈশাখী উৎসব উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা পাইকগাছার গদাইপুর মাঠে চৈত্র সংক্রান্তির মেলা ও বৈশাখী উৎসব উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)