বুধবার ● ২০ এপ্রিল ২০২২
প্রথম পাতা » প্রকৃতি » পা্ইকগাছায় বৃষ্টির অভাবে ঝরে পড়ছে আমের গুটি
পা্ইকগাছায় বৃষ্টির অভাবে ঝরে পড়ছে আমের গুটি
প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছাঃ তীব্র খরায় যেন পুড়ছে দেশ। খুলনা উপকূল আরোও বেশী। গত কয়েক মাস এ অঞ্চলে বড় ধরনের বৃষ্টিপাত হয়নি। টানা বৃষ্টিহীনতা আর খরায় পাইকগাছা উপজেলায় আমের গুটি ব্যাপক হারে ঝরে পড়ছে। একদিকে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় আমগাছে মুকুলও কম আসা, অন্যদিকে বৃষ্টির অভাবে গুটি ঝরে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষি ও বাগান মালিকরা।
সরজমিনে দেখা
যায়, উপজেলার গদাইপুর, গোপালপুর, হিতামপুর, মালত, হরিঢালী, কপিলমুনি, সলুয়াসহ বিবিন্ন গ্রামে আমগাছ রয়েছে। এ ছাড়া সড়কের পাশে ও উপজেলা ৪টি ইউনিয়ানে আম বাগানে রয়েছে বিভিন্ন উন্নত জাতের আমগাছ।
বর্তমানে এসব এলাকার আমগাছের নিচে দেখা যায় ঝরে পড়ে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট আমের গুটি। পৌর এলাকার গোপালপুর গ্রামের আমবাগান মালিক রশিদ বলেন, আমার আমের বাগানে খরার কারণে আমের গুটি ঝরে পড়ছে। তারপর বৃষ্টির দেখা নেই। দিন দিন তাপমাত্রা বাড়ছে। বাগানের গাছে তিন ভাগের এক ভাগ আম ঝরে পড়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় আম নিয়ে বেকায়দায় রয়েছি। গদাইপুর গ্রামের আমচাষি মোবারক ঢালী বলেন, ‘তীব্র খরার কারণে আমের গুটি ঝরে গেছে। আমগাছে সেচ ও কীটনাশকের মিশ্রণ ম্প্রে করেও গুটি টেকানো যাচ্ছে না। এ সময় বৃষ্টি না হওয়ায় আম নিয়ে চিন্তায় রয়েছি।
উপজেলার কৃষি অফিসার কৃষিবীদ মো: জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উপজেলায় ৫৮৫ হেক্টর আম বাগান রয়েছে। খরার জন্য আমের গুটি ঝরে যাচ্ছে। তবে আমচাষিদের পরামর্শ দিচ্ছি গাছের গোড়ায় পানি দেওয়াসহ ছত্রাকনাশক ওষুধ স্প্রে করার জন্য। তাপমাত্রা বাড়ার কারণে আমগাছের গুটি ঝরে যাওয়া স্বাভাবিক। এ সময় আম রক্ষার্থে বাগান মালিক ও চাষিদের গাছের গোড়া মাটি দিয়ে গোল করে বেধে বেশি করে পানি দিতে হবে।






পথের ধারে হলুদ ফুলে শোভা ছড়াচ্ছে ঔষধি গাছ দাদমর্দন
পাইকগাছায় নার্সারীতে গুটি কলম তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিক
পাইকগাছায় বিলুপ্তির পথে বর্ষার কদম ফুল
পাইকগাছায় আঁশফলের বাম্পার ফলন; বাজারে চাহিদা প্রচুর
পাইকগাছায় নার্সারীতে জোড় কলম তৈরীতে ব্যস্ত শ্রমিক
গ্রামীণ জীবনে পরিচিত পাখি কানাকুয়া
পাইকগাছায় কাঁঠালের ফলন ভাল; দামে খুশী চাষিরা
অপ্রচলিত ফল আমঝুম শোভা ছড়াচ্ছে 