শনিবার ● ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রথম পাতা » মুক্তমত » দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনপ্রিয় সাংবাদিক-কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনপ্রিয় সাংবাদিক-কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান
প্রকাশ ঘোষ বিধান বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একজন অত্যন্ত সুপরিচিত ও জনপ্রিয় সাংবাদিক, কলামিস্ট, কবি, ছড়াকার এবং পরিবেশ কর্মী। তিনি মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ, প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য এবং সমসাময়িক নানা সামাজিক ইস্যু নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি ও কলাম প্রকাশ করে থাকেন।
তাঁর পুরো নাম প্রকাশ চন্দ্র ঘোষ এবং ডাক নাম ‘বিধান’। তিনি খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মৃত নরেন্দ্র নাথ ঘোষ এবং মাতা মৃত হৈম রানী ঘোষ। তিনি একাধারে সাংবাদিক, সম্পাদক ও প্রকাশক। জাতীয় ও আঞ্চলিক বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে সমসাময়িক সচেতনতামূলক ও তথ্যবহুল কলাম ও প্রবন্ধ লিখে থাকেন।
উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা, বনের অবক্ষয় রোধ এবং বন্যপ্রাণী ও হাতি সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত বিষয়ে তাঁর লেখালেখি বিশেষভাবে প্রশংসিত। সাংবাদিকতায় বস্তুনিষ্ঠতা ও নৈতিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এবং সক্রিয় সংগঠক হিসেবে কাজ করছেন। কবি ও ছড়াকার হিসেবেও তাঁর সুখ্যাতি রয়েছে।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একজন অত্যন্ত সুপরিচিত ও জনপ্রিয় সাংবাদিক, কলামিস্ট, পরিবেশকর্মী এবং লেখক প্রকাশ ঘোষ বিধান। তিনি মূলত উপকূলীয় পরিবেশ, প্রকৃতি এবং সমসাময়িক নানা সামাজিক ও জাতীয় ইস্যু নিয়ে পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত কলাম ও নিবন্ধ লিখে থাকেন।
পেশাগত ক্ষেত্র ও অবদানবহুমাত্রিক প্রতিভা: তিনি একাধারে লেখক, কবি, ছড়াকার, সাংবাদিক, কলামিস্ট, প্রকাশক, সম্পাদক এবং একজন নিষ্ঠাবান সংগঠক। পরিবেশ ও প্রকৃতি বিষয়ক সাংবাদিকতা: প্রকাশ ঘোষ বিধান উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বন্যপ্রাণী সুরক্ষার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে লেখালেখি করেন। তার কলামগুলো নীতি-নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণে ভূমিকা রাখে।
বস্তুনিষ্ঠতা: সাংবাদিকতায় বস্তুনিষ্ঠতা, সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখার পক্ষে তিনি সর্বদা সোচ্চার। সামাজিক ও সাংগঠনিক ভূমিকাএকজন পরিবেশ কর্মী হিসেবে তিনি মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কাজের সাথে যুক্ত। তিনি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের (বিশেষ করে খুলনা ও পাইকগাছা এলাকা) স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাংলাদেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকাগুলোতে তার সমসাময়িক বিশ্লেষণধর্মী কলাম ও পরিবেশ সচেতনতামূলক লেখাগুলো বেশ গুরুত্বের সাথে নিয়মিত প্রকাশিত হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর সম্মাননা স্মারক (২০২২): পরিবেশ রক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে এই সম্মাননা লাভ করেন।
পরিবেশ বন্ধু সম্মাননা: প্রকৃতি, উপকূলীয় পরিবেশ ও পাখি সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য তিনি এই সম্মাননা পান।
সবুজ উপকূল সাফল্য স্মারক (২০১৬): উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সাংবাদিকতার জন্য এই স্মারক লাভ করেন।
সুন্দরবন বিষয়ক পদক (২০১১ ও ২০১২): খুলনা সুন্দরবন একাডেমী থেকে টানা দুই বছর সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সচেতনতামূলক লেখনীর জন্য এই সম্মাননা লাভ করেন।
সাংবাদিকতা ও অন্যান্য সম্মাননাজার্নালিজম ফর সুন্দরবন সম্মাননা (২০২৬): সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ নিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য “জার্নালিজম ফর সুন্দরবন” সংগঠন থেকে তাঁকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।
খুলনা জ্ঞানবিকাশ সংগীত একাডেমী সম্মাননা (২০২০ ও ২০২২): ২০২০ সালে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান এবং ২০২২ সালে পাখি ও পরিবেশ সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য এই প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁকে সম্মানিত করা হয়। নিলম্বর স্মৃতি সম্মাননা: পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় তাঁর সচেতনতামূলক কলাম লেখার জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সম্মাননা: পরিবেশ ও প্রকৃতি বিষয়ক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও তিনি সম্মাননা লাভ করেছেন।
তিনি বর্তমানে প্রেসক্লাব পাইকগাছা-এর সভাপতি এবং পরিবেশবাদী সংগঠন “বনবিবি”-এর সভাপতি হিসেবে কর্মরত আছেন।






তেলাপিয়া মাছ জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি
বর্ষাকাল কৃষিকাজের মূল চালিকা শক্তি
মশা পৃথিবীর সবচেয়ে জীবনঘাতী পতঙ্গ
হাতি সুরক্ষায় বনের অবক্ষয় রোধ করা প্রয়োজন
ফটোগ্রাফি অত্যন্ত প্রভাবশালী শিল্পমাধ্যম
বিশ্ব জুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী ক্রমাগত ঝুঁকিতে
বর্ষার প্রকৃতি রাঙিয়ে তুলেছে কদম ফুল
বাংলাদেশ বিলুপ্তির পথে শালিক পাখি 