মঙ্গলবার ● ৬ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » কৃষি » মাগুরায় মধু চাষে বাজিমাত আলামিনের
মাগুরায় মধু চাষে বাজিমাত আলামিনের
মাগুরা প্রতিনিধি : সরিষা ফুল থেকে মধু চাষ করে বাজিমাত করেছেন আল আমিন। পৌষের শুরুতে মাঠে মাঠে বাতাসে দোল খায় সরিষা ফুল। সরিষা ফুল থেকেই তৈরি হয় মধু। সদরের ডেফুলিয়া গ্রামের মাঠে বক্স পেতে মধু সংগ্রহ করছেন আলামিন। মধু চাষ করে তার প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়েছেন খাদিজা মৌ খামার।
মৌ চাষী আল আমিন জানান, পৌষের শুরুতে মাগুরার মাঠে মাঠে সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করেন তিনি। সরিষা ফুলের পার্শ্ববর্তী মাঠে বক্স পেতে মধু সংগ্রহ করেন তিনি। এবার সদরের ডেফুলিয়া গ্রামের একটি মাঠে ৯০ টি বক্স পেতে মধু সংগ্রহ করছেন। সংগ্রহের কাজে ৬:জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন। মৌমাছিদের পরিচর্যা, খাবার দেওয়ার কাজ করেন শ্রমিকরা। সপ্তাহের প্রতি সোমবার বক্স থেকে মধু উত্তোলন করা হয়। প্রতি সপ্তাহে ২-৩ মন মধু সংগ্রহ করা করা হয়।
আল আমিন আরো জানান,সংগ্রহীত মধু দেশের বিভিন্ন স্থানের বেপারীরা মাঠে এসে আমাদের নিকট থেকে সংগ্রহ করেন। প্রতি কেজি মধু ৪শ থেকে ৫শ টাকা বিক্রি করি। তাছাড়া এই মধু আমি শরিয়তপুর,মানিকগঞ্জ, দিনাজপুর, ফরিদপুর, ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালীসহ চট্টগ্রাম জেলায় বিক্রি করি। এ বছর আমি ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মধু বিক্রি করেছি। শুধু সরিষা ফুলের মধু নয়, আমি ধনে ফুলের,কালো জিরা ও লিচু ফুলের মধু সংগ্রহ করে থাকে। গ্রীষ্মকালিন সময় আমি বিভিন্ন লিচু বাগান থেকে মধু সংগ্রহ করি। এক এক ফুলের মধু এক এক রকম রং হয়ে থাকে। কোন মধু গাড়ো,আবার কোন মধু পাতলা হয়ে থাকে। তবে সরিষা ফুলের মধুটা খুব পরিষ্কার হয়ে থাকে। কালো জিরার মধু অনেক সময় ওষুধে ব্যবহার করা হয়। আমি মধুতে কোন চিনি মিশায় না তাই আমার মধুর চাহিদা ও গুনাগুন খুব ভালো।
অগ্রহায়ণ মাস থেকে আমাদের মধু সংগ্রহের কাজ চলে। বছরের বাকি অন্য সময় আমি সুন্দরবন অঞ্চলে মধু সংগ্রহের কাজ করি।






তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় পাইকগাছায় বোরো আবাদ স্থবির হয়ে পড়েছে
তীব্র শীতে পাইকগাছার নারীরা ফসলের মাঠে
শ্যামনগরে লবণ সহনশীল কৃষি ফসল ও সবজি চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ
মাগুরায় সরিষার বাম্পার ফলনের আশা
মাগুরায় আগাম পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা
পাইকগাছায় আমন ধানের ফলন ভাল হলেও ধানের মূল্য কমে কৃষক হতাশ
পাইকগাছায় হলুদ ফুলে ভরে গেছে সরিষার ক্ষেত
পাইকগাছায় আগাম বোরো আবাদের বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত কৃষক
কেশবপুরে তুলার আবাদে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছে চাষীরা 