বৃহস্পতিবার ● ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রথম পাতা » প্রকৃতি » জলাশয় থেকে শাপলা ফুল তুলে বাড়ি ফিরছে শিশুরা
জলাশয় থেকে শাপলা ফুল তুলে বাড়ি ফিরছে শিশুরা
জলাশয় থেকে শিশুদের শাপলা ফুল তোলার দৃশ্যটি গ্রামবাংলার এক চিরচেনা ও ঐতিহ্যবাহী রূপ। বর্ষা ও শরৎকালে বাংলাদেশের বিল, ঝিল, হাওর ও পুকুরগুলো যখন সাদা আর লাল শাপলায় ভরে ওঠে, তখন গ্রামীণ শিশুরা মেতে ওঠে এক অনাবিল আনন্দে। তারা দল বেঁধে পানিতে নেমে বা ছোট নৌকায় করে শাপলা ফুল সংগ্রহ করে। এই মনোরম দৃশ্যের পেছনে শিশুদের বেশ কিছু আনন্দ ও উদ্দেশ্য জড়িয়ে থাকে।
শাপলা শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়। শিশুরা যে শাপলা বাড়ি নিয়ে আসে, তার ডাটা অনেক সময় তরকারি বা ভাজি হিসেবে রান্না করা হয়। এছাড়া শাপলার ফল বা ঢ্যাপ দিয়ে সুস্বাদু খই ও মোয়া বানানো হয়।
শিশুরা শাপলা ফুল তুলে তা দিয়ে মালা বানায়, গহনা বানিয়ে গলায়-মাথায় পরে এবং মনের আনন্দে খেলাধুলা করে। শাপলার ডাটা বা বোঁটা গ্রামীণ মানুষের কাছে একটি সুস্বাদু সবজি। শিশুরা অনেক সময় নিজেদের ঘরের রান্নার জন্য বা কাঁচা চিবিয়ে খাওয়ার জন্যও শাপলা ও এর ফল (শালুক) সংগ্রহ করে। অনেক দরিদ্র পরিবারের শিশুরা পর্যটকদের কাছে বিক্রির জন্য বা স্থানীয় বাজারে সবজি হিসেবে বিক্রির জন্য বিল থেকে প্রচুর পরিমাণে শাপলা তুলে আনে।
তবে এই দৃশ্যটি দেখতে যতটা সুন্দর ও শৈল্পিক, এর পেছনে ততটাই বড় একটি বিপদের ঝুঁকি থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জলাশয়ে বা গভীর ডোবায় শাপলা ফুল তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে অনেক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তাই শিশুদের একা একা বা বড়দের নজরদারি ছাড়া গভীর জলাশয়ে শাপলা তুলতে যাওয়া একেবারেই নিরাপদ নয়।
শিশুরা যাতে বড়দের নজরদারি ছাড়া শাপলা তুলতে কোনো বিল বা পুকুরে না নামে, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে।






পথের ধারে হলুদ ফুলে শোভা ছড়াচ্ছে ঔষধি গাছ দাদমর্দন
ডোরাকাটা মাল্টা ছাদ বাগান বা টবে চাষ করার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়
পাইকগাছায় নার্সারীতে গুটি কলম তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিক
পাইকগাছায় বিলুপ্তির পথে বর্ষার কদম ফুল
পাইকগাছায় আঁশফলের বাম্পার ফলন; বাজারে চাহিদা প্রচুর
পাইকগাছায় নার্সারীতে জোড় কলম তৈরীতে ব্যস্ত শ্রমিক
গ্রামীণ জীবনে পরিচিত পাখি কানাকুয়া
পাইকগাছায় কাঁঠালের ফলন ভাল; দামে খুশী চাষিরা 